শনিবার ১১ জুলাই ২০২০
Online Edition

করোনা ভাইরাস আতঙ্ক নিয়ে মালদ্বীপ গেল আবাহনী লিমিটেড

স্পোর্টস রিপোর্টার: এএফসি কাপের প্রিলিমিনারি রাউন্ডে ফিরতি পর্বের ম্যাচ খেলতে মালদ্বীপ গেল আবাহনী লিমিটেড। গতকাল রোববার বিকেলে মালদ্বীপের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার ফুটবল লিগের রানার্সআপ দলটি। আবাহনীর জন্য এই সফরটি কঠিন চ্যালেঞ্জের। ১২ জানুয়ারি এ ম্যাচে একে তো কঠিন সমীকরণ, সঙ্গে যোগ হয়েছে করোনা ভাইরাস আতঙ্ক ও গরম আবহাওয়া। বাংলাদেশে শীতের প্রকোপ কমে এসেছে কিছুটা। মালদ্বীপে এখন ভালোই গরম, ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। তার সঙ্গে আছে আর্দ্রতা। মালদ্বীপের আবহাওয়া নিয়ে তাই বেশ দুশ্চিন্তায় আবাহনী। এএফসি কাপের প্রিলিমিনারি রাউন্ডের প্রথম পর্বের ম্যাচে ঘরের মাঠে মালদ্বীপের মাজিয়ার সাথে ২-২ গোলে ড্র করে কিছুটা পিছিয়ে আছে আবাহনী লিমিটেড। ১২ ফেব্রুয়ারি মালের মাঠে জিততেই হবে। ১-১ গোলে ড্র হলেও প্রতিপক্ষের মাঠে বেশি গোল করার সুবাদে মাজিয়া ক্লাব চলে যাবে পরের পর্বে। তাই এএফসি কাপে মূল পর্বের আশা বাঁচিয়ে রাখতে ফিরতি পর্বে মাজিয়া স্পোর্টসের বিপক্ষে নূন্যতম ৩-৩ গোলে ড্র বা জিততে হবে আবাহনীকে।

ম্যাচের কথা পরে, আপাতত মালদ্বীপের আবহাওয়া দুর্ভাবনায় রেখেছে আবাহনীকে। ঢাকা ছাড়ার আগে দলটির ম্যানেজার সত্যজিৎ দাশ রুপু বলেছেন, ‘আমরা আগেও মালেতে খেলেছি। তখন গরম আর আর্দ্রতায় বেশ কষ্ট হয়েছিল। এবারও আবহাওয়া তেমন থাকলে খেলতে সমস্যা হতে পারে। আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নিতে আমরা আগেই যাচ্ছি। আশা করি ছেলেরা মানিয়ে নিতে পারবে।’আরেকটি সমস্যা করোনা ভাইরাস। মিডফিল্ডার মামুনুল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘করোনা ভাইরাসের কারণে আমাদের মাস্ক পড়ে থাকতে হবে। ঢাকা বিমানবন্দর থেকে মালে পর্যন্ত মাস্ক পড়ে থাকবো আমরা। তবে যা-ই হোক, মালে থেকে জয় নিয়ে ফিরতে চাই।’ডিফেন্ডার নাসিরউদ্দিন চৌধুরী, ‘শুনেছি মালদ্বীপে করোনা ভাইরাস আতঙ্ক বেশি। তাই ১০টি মাস্ক কিনে নিয়েছি।পাইলে আরও কিনতাম।’ শুধু নাসিরউদ্দিন নয়, সব খেলোয়াড়ই আত্মরক্ষায় মাস্ক কিনে নিয়েছেন।

করোনা আতঙ্কের সঙ্গে আবাহনীর যোগ হয়েছে ডিফেন্ডার টুটুল হোসেনের (বাদশা) মালদ্বীপ যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা। অসুস্থতায় আগের ম্যাচে ছিলেন না টুটুল। আশা করা হয়েছিল ফিরতি পর্বের ম্যাচে পাওয়া যাবে এ সেন্টারব্যাককে। কিন্তু পেটের পীড়ায় ভুগে হাসপাতাল পর্যন্ত যেতে হয়েছে তাঁকে। তাই অনুশীলনে ছিলেন না। রক্ষণভাগ নিয়ে কোচ মারিও লেমোসের কপালে চিন্তার ভাঁজ, ‘টুটুল সম্ভবত এই ম্যাচও খেলতে পারবে না। সে খেললে আমাদের পরিকল্পনা এক রকম হতো, না খেললে অন্য রকম। তবে খেললে অবশ্যই ভালো হতো আমাদের জন্য।’এত কিছুর মধ্যে ও আবাহনীর পর্তুগিজ কোচ মারিও লেমোসও জয় ছাড়া কিছু ভাবছেন না, ‘ছেলেরা নিজেদের সেরাটা দিতে পারলে জয় পাওয়া সম্ভব। আমাদের জিততেই হবে, আর সেই লক্ষ্য নিয়েই যাচ্ছি।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ