শনিবার ১১ জুলাই ২০২০
Online Edition

সানডের গোলে হার এড়ালো আবাহনী লিমিটেড

স্পোর্টস রিপোর্টার: এএফসি কাপের প্রিলিমিনারি রাউন্ডের প্লে-অফের দ্বিতীয় রাউন্ডের প্রথম লেগের ম্যাচে মালদ্বীপের মাজিয়া ক্লাবের সাথে পয়েন্ট ভাগ করে নিল আবাহনী লিমিটেড। গতকাল বুধবার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে অনুষ্টিত ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হয়েছে।গতবার এএফসি কাপে দুরন্ত সূচনা হয়েছিল আবাহনী লিমিটেডের। এবার সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখার মিশনে আকাশি-হলুদরা হোঁচট খেলো শুরুতেই! দুই দুইবার পিছিয়ে পড়ে শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলে ম্যাচ ড্র করেছে মারিও লেমোসের দল। এএফসি কাপের প্রাথমিক রাউন্ডের প্রথম ম্যাচে আবাহনী নিজেদের মাঠে ড্র করে মালেতে পড়তে যাচ্ছে বড় চ্যালেঞ্জের সামনে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অ্যাওয়ে ম্যাচে  জিততেই হবে। হারলে তো বাদই,  ১-১ গোলে ড্র করলেও। আর ২-২ গোলে ড্র করলে ম্যাচ গড়াবে অতিরিক্ত সময়ে।গোলের জন্য অনেকই আক্রমণ করেছে আবাহনী লিমিটেড। উল্টো একপর্যায়ে মাজিয়ার বিপক্ষে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়ে স্বাগতিকেরা। কিন্তু ভাগ্য ভালো যে বিরতিতে যাওয়ার কিছুক্ষণ আগেই মারিও লেমোসের দল ম্যাচে সমতা নিয়ে আসে। শেষ পর্যন্ত ১-১ স্কোরলাইন নিয়ে বিরতিতে যায় দুই দল।

এ ম্যাচে আবাহনী ৪-৩-৩ ছকে খেলেছে। জীবন-সানডে-বেলফোর্ট সমন্বিত আক্রমণত্রয়ী শুরু থেকে প্রতিপক্ষের সীমানায় বল নিয়ে গেলেও পরিষ্কার গোলের সুযোগ তৈরি করতে পেরেছে কমই। ১৬ মিনিটে আবাহনী গোলই খেতে বসেছিল! মাঝমাঠ থেকে জীবনের ব্যাক পাসে বল পেয়ে যান করনেলিউস এসেকিয়েল। বামপ্রান্ত দিয়ে বক্সে ঢুকে গ্রানাডার এই স্ট্রাইকার সাদ উদ্দিন ও মেলসনকে কাটিয়ে লক্ষ্যে শট নিলেও বল গোলরক্ষক শহীদুল আলম সোহেলের শরীরে লেগে ফিরে আসে।৩০ মিনিট পেরোনোর পর আবাহনী প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে গিয়ে আক্রমণ করতে পেরেছে। ৩১ মিনিটে মামুনুলের কর্নারে সানডের হেড পোস্টে লেগে ফিরে আসে।পরের মিনিটে বেলফোর্টের গড়ানো শট গোলকিপার তালুবন্দী করেন। ৩৯ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে মেলসন আলভেজের বুলেট গতির ফ্রি-কিক গোলকিপার ওভাইস আজিজি পাঞ্চ করে ফিরিয়ে দেন।তিন মিনিট পার্থক্যে প্রতি আক্রমণ থেকে গোল করে এগিয়ে যায় মালদ্বীপের মাজিয়া। ইব্রাহিম হুসেনের ডান প্রান্তের লব সরাসরি চলে যায় পোস্টে।প্রথমার্ধের যোগ হওয়া সময়ে মেলসন সমতা নিয়ে আসেন। রায়হানের ক্রস বুক দিয়ে নামিয়ে বাঁ পায়ের জোরালো ভলিতে ১-১ করেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার।

বিরতির পর আক্রমণ অব্যাহত থাকে আবাহনীর। ৬১ মিনিটে বেলফোর্টের ক্রসে জীবন লাফিয়ে উঠেও হেড করতে পারেননি। চার মিনিট পর পিছিয়ে পড়ে গতবারের আঞ্চলিক সেমিফাইনালিস্টরা। হাসান নাইজের শট গোলকিপার ফিস্ট করলে ফিরতি বলে এসেকিয়েল আবার এগিয়ে দেন মাজিয়াকে (২-১)।৭৩ মিনিটে কর্নারের পর ডি-বক্সের ভেতর থেকে বেলফোর্টের শট গোললাইন থেকে ফেরান মাজিয়া অধিনায়ক মোহামেদ ইরফান। একটু পর সোহেল রানার শট অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে যায়। ৮০ মিনিটে রায়হানের থ্রো ইনে বেলফোর্ট টোকা দেওয়ার পর চিজোবা প্লেসিং শটে সমতা ফেরান ২-২।বাকিটা সময় আর প্রতিশোধ নেওয়া গোলের দেখা পায়নি আবাহনী। ২০১৭ সালে এএফসি কাপের গ্রুপ পর্বে মাজিয়ার কাছে দুই পর্বেই হেরেছিল তারা। শেষের দিকে চেষ্টা করেও জয়সূচক গোল করতে পারেনি আবাহনী। তাই অ্যাওয়ে ম্যাচটি তাদের জন্য হয়ে পড়লো কঠিন এক চ্যালেঞ্জ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ