মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২০
Online Edition

ফিলিস্তিনীদের পিঠে ছুরি মারছে সুদান  -------সায়েব এরাকাত

 ৪ ফেব্রুয়ারি, আরব নিউজ, রয়টার্স : দখলদার ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে সুদানের সার্বভৌম কাউন্সিলের প্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহানের বৈঠককে ‘ফিলিস্তিনীদের পিঠে পেছন থেকে ছুরিকাঘাতের’ সঙ্গে তুলনা করেছেন জ্যেষ্ঠ ফিলিস্তিনী কর্মকর্তা সায়েব এরাকাত।

তিনি বলেন, এটি আরবের শান্তি উদ্যোগের মারাত্মক লঙ্ঘন। ওয়াফা নিউজের বরাতে সৌদি গণমাধ্যম এমন খবর দিয়েছে।

সুদানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ করতে দেশটির নেতার সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সোমবার উগান্ডার শহর এনটেব্বিতে এই বৈঠক হয়েছে বলে তার কার্যালয়ের কর্মকর্তারা দাবি করেন।

সুদানের ক্ষমতাসীন সার্বভৌম কাউন্সিলের প্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল বুরহানের সঙ্গে দুই ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেন নেতানিয়াহু। যদিও সুদানের তথ্যমন্ত্রী ও সরকারের মুখপাত্র ফয়সাল সালিহ এ বিষয়ে কোনো তথ্য জানা নেই বলে রয়টার্সকে বলেছেন।

এর আগে রোববার বুরহানকে যুক্তরাষ্ট্র সফরের আমন্ত্রণ জানানোর কথা বলেছেন সুদানের সার্বভৌম কাউন্সিল। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সন্ত্রাসবাদে যুক্তরাষ্ট্রের তালিকা থেকে নাম সরাতে মুখিয়ে রয়েছে সুদান। এতে দেশটির আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও বাণিজ্যিক তৎপরতা ব্যাহত হচ্ছে।

এর আগে সোমবার উগান্ডার প্রেসিডেন্ট ইওরি মুসেভেনির সঙ্গে বৈঠক করেন নেতানিয়াহু। জেরুজালেমে দূতাবাস খোলার সম্ভাবনার বিবেচনার কথা জানিয়েছেন উগান্ডার প্রেসিডেন্ট।

দখলদার ইসরাইলকে স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে : সুদানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ করতে দেশটির নেতার সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু। গত সোমবার উগান্ডার শহর এনটেব্বিতে এই বৈঠক হয়েছে বলে তার কার্যালয়ের কর্মকর্তারা দাবি করেন।

সুদানের ক্ষমতাসীন সার্বভৌম কাউন্সিলের প্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহানের সঙ্গে দুই ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেন নেতানিয়াহু। যদিও সুদানের তথ্যমন্ত্রী ও সরকারের মুখপাত্র ফয়সাল সালিহ এ বিষয়ে কোনো তথ্য জানা নেই বলে রয়টার্সকে বলেছেন। এ বিষয়ে পরিষ্কার হতে তারা বুরহানের দেশে ফিরে আসার অপেক্ষায় রয়েছেন।

কৌশলগতভাবে দেশদুটি যুদ্ধের ভেতরে রয়েছে। তবে তৃতীয় আরব দেশ হিসেবে অবৈধ ইহুদি রাষ্ট্রটিকে স্বীকৃতি দিতে পারে সুদান।

সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা মিলে গঠিত অন্তবর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব পালন করছে সুদান সার্বভৌম পরিষদ, যার প্রধান হলেন আর্মি জেনারেল বুরহান।

গত বছর দীর্ঘসময়ের একনায়ক ওমর আল-বশিরকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর সামরিক-বেসামরিক মিলে ক্ষমতা ভাগাভাগি করতে এই সার্বভৌম কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে।

ফিলিস্তিনীদের ওপর দখলদারিত্ব ও নির্যাতনের প্রতিবাদে ইসরাইলকে বর্জনে আরব দেশগুলোর সঙ্গে বশীরের নেতৃত্বাধীন সুদানও ছিল।

১৯৬৭ সালে আরব নেতারা সুদানের রাজধানী খার্তুমে বৈঠক করে ‘তিনটি না’ ঘোষণা করেছিলেন। যার মধ্যে রয়েছে, ইসরাইলকে স্বীকৃতি, দেশটির সঙ্গে আলোচনা কিংবা শান্তি প্রত্যাখ্যান।

মিসর ও জর্ডান অবৈধ ইহুদি রাষ্ট্রটিকে স্বীকৃতি দিলেও বহু আরব দেশ সেই প্রক্রিয়া থেকে দূরে রয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ