সোমবার ১৭ জানুয়ারি ২০২২
Online Edition

বিবাড়িয়া জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনে মামলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা : ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল আলম ও জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা আমানুল হক সেন্টুর বিরুদ্ধে জিডিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা আল-মামুন সরকার বাদী হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় এই মামলাটি দায়ের করেন।
গত ১৪ জানুয়ারি সদর মডেল থানায় এজাহার দায়ের করা হলেও গত ২৩ জানুয়ারি বিকেলে মামলাটি নথিভুক্ত হয়। (মামলা নং-৫৮)।
গত ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে জেলা পরিষদ আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দুর্বৃত্তদের হামলার ঘটনায় উল্লেখিত দুই আসামী মামলার বাদী আল-মামুন সরকার ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য এবং জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীকে জড়িয়ে ৭১ টিভি, স্থানীয় একটি সাপ্তাহিক এবং অন-লাইন পোর্টালে মানহানিকর, আপত্তিজনক ও বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য প্রদানের অভিযোগে এই মামলাটি দায়ের করা হয়।
মামলার স্বাক্ষীরা হলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম ভূইয়া, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবু হোরায়রা, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেল ও সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন শোভন।
এ ব্যাপারে মামলার বাদী ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার বলেন, আসামীদেরকে তাদের বক্তব্য প্রত্যাহার করার জন্য উকিল নোটিশ করেছিলাম। তারা উকিল নোটিশ পেয়ে তাদের জবাব দেননি। তাই তাদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেছি।
এ ব্যাপারে মামলার আসামী ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শফিকুল আলম, বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমরা এই মামলার নিন্দা জানাই। আমরা আইনীভাবেই মামলা মোকাবিলা করবো।
এ ব্যাপারে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি মামলা হওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, আসামীদেরকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে মামলার আসামী আমানুল হক সেন্টুর বাড়িতে পুলিশ গিয়ে তাকে পায়নি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ