বুধবার ২৫ নবেম্বর ২০২০
Online Edition

আগুনে দগ্ধ হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩২ দিনে ১৩ জনের মৃত্যু

রংপুর অফিস : শীত নিবারণে আগুন পোহাতে গিয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৩২ দিনে আগুনে দগ্ধ হয়ে রমেক হাসপাতালে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সর্ব শেষ গত ২০ জানুয়ারি  সোমবার রমেক হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড সার্জারি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অগ্নিদগ্ধ নূর ইসলাম (২১) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। নূর ইসলাম রংপুর মহানগরীর হাজীরহাট এলাকার বাসিন্দা। গত ১৪ জানুয়ারি রাতে রমেক হাসপাতালে দগ্ধ অবস্থায় ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। রমেক হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড সার্জারি ইউনিটের বিভাগীয় প্রধান জাক্তার এমএ হামিদ পলাশ জানান, শীতের প্রকোপে আগুন পোহাচ্ছিলেন নূর ইসলাম। পরে অসাবধানতাবশত তার লুঙ্গিতে আগুন লাগে। এতে নূর ইসলামের শরীরের অর্ধেকেরও বেশি অংশ পুড়ে যায়। টানা ৬ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার সকালে তার মৃত্যু হয়। এদিকে চলতি শীত মৌসুমে গত ৩২ দিনে আগুনে দগ্ধ হয়ে রমেক হাসপাতালে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৩ জনে। এরমধ্যে ৮ জন নারী, ৩ জন পুরুুষ ও ২ জন শিশু রয়েছে।

হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে বড় ভাইকে হত্যা আটক ২
পারিবারিক বিরোধ ও তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে রংপুর মহানগরীর ১৪ নম্বর ওর্য়াডের দেওডোবা এলাকায় ছোট ভাই এবং ভাতিজার হাতুরির আঘাতে বড় ভাই শামিম হোসেন (৪০) খুন হয়েছে। ভাতিজাকে শাসন করায় ক্ষুদ্ধ হয়ে বড় ভাইকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে ছোট ভাই জামিল মিয়া ও তার ছেলে। পুলিশ এ  ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ছোট ভাই জামিলের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (৩৫) ও তার ছেলে আতিকুর রহমানকে (১৩)আটক করেছে।  অভিযুক্ত জামিল মিয়া পলাতক রয়েছে।
গত ১৯ জানুয়ারী রোববার রাতে রংপুর মহানগরীর দেওডোবা এলাকায় এই হত্যাকান্ড ঘটে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। পুলিশ  জানায়, সন্ধ্যায় অসুস্থ বাবা ইয়াসিন আলীকে দেখতে ছোট ভাই জামিলের বাড়িতে যায় বড় ভাই শামীম মিয়া। সেখানে তার ছোট ভাইয়ের ছেলে ভাতিজা আতিকুর রহমানের সঙ্গে খাবার নিয়ে বাকবিতন্ডা হয়। এতে শামীম মিয়া ভাতিজাকে শাসন করলে ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে ছোট ভাই জামিল মিয়া। পরে বাবা ছেলে মিলে হাতুড়ি দিয়ে বড় ভাই শামীমকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় শামীমকে রমেক হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে জামিলের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (৩৫) ও তার ছেলে আতিকুর রহমানকে (১৩)আটক করে। এসময় হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত একটি হাতুড়িও উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার শহিদুল্লাহ কাওছার জানান, ঘটনাস্থল থেক দুইজনকে আটক করা হয়েছে। অভিযুক্ত জামিল ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছে। পারিবারিক বিরোধ ও তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশের ঐ কর্মকর্তা জানান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ