সোমবার ০৩ আগস্ট ২০২০
Online Edition

বিমান বিধ্বস্তের কারণ অনুসন্ধানে তদন্তের অনুমতি ইরানের

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক:ইউক্রেনের যাত্রিবাহী বিমান বিধ্বস্তের কারণ অনুসন্ধানে বিমানটিতে যেসব দেশের যাত্রীরা ছিলেন, সেসব দেশকেও তদন্ত করার জন্য অনুমতি দিয়েছে ইরান।

প্রথম দিকে বিধ্বস্ত বিমানের ব্ল্যাক বক্স নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং কিংবা যুক্তরাষ্ট্রকে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও পরে মার্কিন ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি)-কে তদন্তে অংশ নেয়ার অনুমতি দিয়েছে ইরান। টুইটারে এক বিবৃতি দিয়ে এমনই জানিয়েছে এনটিএসবি।

তারা আরও জানিয়েছে, ইরানের নেতৃত্বেই তদন্ত চালানো হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পশ্চিমী দেশগুলো থেকে চাপ বাড়তে থাকায় কিছুটা সুর নরম করতে বাধ্য হয়েছে ইরান।

সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত বোয়িং সক্রান্ত তদন্তে মার্কিন জাতীয় পরিবহন নিরাপত্তা বোর্ড যুক্ত থাকে। কিন্ত বিদেশে ঘটনার ক্ষেত্রে অবশ্য সংশ্লিষ্ট দেশের অনুমতি লাগে। ইরানের বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার প্রধান আলি আবেদজাদেহ বলেন, আমরা যুক্তরাষ্ট্র কিংবা নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানকে ব্ল্যাক বক্স দেবো না। এই দুর্ঘটনা ইরান তদন্ত করবে, তব ইউক্রেন চাইলে উপস্থিত থাকতে পারবে।

এর আগে ইউক্রেনের যাত্রিবাহী বিমান বিধ্বস্ত নিয়ে প্রবল বিতর্কের মধ্যেই বৃহস্পতিবার কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো দাবি করেছেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেই ভেঙে পড়েছিল বিমানটি। বিভিন্ন গোয়েন্দা সূত্রের তথ্যকে সামনে রেখে ট্রুডো এ দাবি করেন।এছাড়া ট্রুডো আরও বলেন, তবে ‘অনিচ্ছাকৃত’ ভাবেই ঘটেছে ঘটনা। ট্রুডোর বক্তব্যকে সমর্থন করে তদন্তের দাবি তুলেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনও।

গত বুধবার ৮ জানুয়ারি ইরানের খামিনি বিমানবন্দর থেকে ইউক্রেনগামী বিমান উড্ডয়নের সঙ্গে সঙ্গেই বিধ্বস্ত হয় ইউক্রেনের পিএস৭৫২ বিমানটি। এতে বিমানের ১৭৬ যাত্রী ও ক্রুর সবাই প্রাণ হারান। তাদের মধ্যে ইরানের ৮২, কানাডার ৬৩, ইউক্রেনের ১১, সুইডেনের ১০, চারজন আফগানিস্তান, তিনজন জার্মানি এবং অপর তিনজন ব্রিটিশ নাগরিক ছিলেন।তবে বিমানটিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোন নাগরিক ছিল না।

ডিএস/এএইচ

 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ