মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

পুনরায় মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী ঢাকার দুই মেয়র

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকার দুই সিটি করপোরশেনরে আসন্ন নির্বাচনে আবারো আওয়ামী লীগরে মনোনয়ন পাবেন বলে আশাবাদী দুই মেয়র। আগামী ৩০ জানুয়ারি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরশেন নির্বাচনে ভোটগ্রহণের দিন রেখে রোববার তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমশিন।

গতকাল সোমবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরবিারর্বগের সংবর্ধনা ও পুর্নমিলনী’ অনুষ্ঠানে মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, তিনি সময় নষ্ট করনে নি। এজন্য আবারো মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে তিনি আত্মবশ্বিাসী।

বিভক্তির পর ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল দুই সিটিতে একযোগে নির্বাচন হয়। নির্দলীয় সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সর্মথন নিয়ে উত্তরে আনিসুল হক এবং দক্ষিণে সাঈদ খোকন মেয়র নির্বাচিত হন।

আনিসুল হকের মৃত্যুর পর বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের বর্জনের মধ্য দিয়ে উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আতিকুল ইসলাম মেয়র নির্বাচিত হন। উপনির্বাচনের আগে আইন সংশোধন হওয়ায় সেই নির্বাচনটি হয় দলীয় প্রতীকে।

মেয়র আতিক বলেন, “দায়িত্ব পাওয়ার পর যতটুকু সময় পেয়েছি আমি চেষ্টা করেছি সবাইকে নিয়ে কাজ করতে এবং সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছি। আমি বিশ্বাস করি বাংলাদশে আওয়ামী লীগ একটি বড় দল, একটি ঐতিহ্যবাহী দল, দেশকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছে এ দল। তারা আমার কাজের মূল্যায়ন করবে। তাই আমার প্রত্যাশা আমি আওয়ামী লীগ থেকে আবারও নমিনেশন পাব।”

পুনরায় নির্বাচিত হলে রাজধানীর যানজট সমস্যাকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবেন বলে জানান পোশাক ব্যবসায়ী আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, জয়ী হলে তার নয় মাস সময়কালের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখবেন। “যানজট নিরসনে সবচয়ে বেশি গুরুত্ব দেব। যতটুকু কাজ করা যায় আমরা তা করব। নগর উন্নয়নের সঙ্গে ৫৪টি সংস্থা রয়েছে, আমরা সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে কাজ করব, এটাই আমার প্রত্যাশা।”

এদিকে নিজের মনোনয়নের ব্যাপারে পুরোপুরি আশাবাদী দক্ষিণের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। মেয়ের হিসাবে নিজেেক সফল দাবি করে তিনি বলেন, তিনি ইতিবাচক পরির্বতনের সূচনা করতে পেরেছেন। “আমাদরে ৫২ বাজার ৫৩ গলির এই ঢাকা শহররে এমন কোনো অলিগলি নেই যেখানে ইতিবাচক পরির্বতনের ছোঁয়া লাগতে পারিনি। সব জায়গায় আমি উন্নয়নের ছোঁয়া লাগাতে পেরেছি। শান্তিনগরের ৪০ বছরের জলাবদ্ধতা, নাজিমুদ্দিন রোডে প্রায় ৫০ বছরের সমস্যা ছিল সেটিও আমরা সমাধান করেছি। নতুন কিছু জায়গায় জলজট হচ্ছে। উন্নয়ন একটা চলমান প্রক্রিয়া। নগরবাসী যদি আমাকে ভালোবাসায় সিক্ত করে আমাদের কাজগুলো অব্যাহত রাখার সুযোগ দেন, তাহলে সামনের দিনে সকল সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।” অনুষ্ঠানে কয়েকশ মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, এবারের সিটি নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা নেয়া হবে ৩১ ডিসেম্বের পর্যন্ত। ২ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র বাছাই ও ৯ জানুয়ারি মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ সময়। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ