বৃহস্পতিবার ০১ অক্টোবর ২০২০
Online Edition

সাবেক প্রধান বিচারপতি মাহমুদুল আমীনের জানাযা সম্পন্ন

 

স্টাফ রিপোর্টার: সাবেক প্রধান বিচারপতি মাহমুদুল আমীন চৌধুরীর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার সকাল ১০টার দিকে সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে এই জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাযায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ ঈমান আলী, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী (বার) সমিতির সভাপতি এ এম আমিন উদ্দিন ও সম্পাদক মাহবুব উদ্দিন খোকন, বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন ও সদস্য সচিব ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস এমপি, সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদীনসহ বিপুল সংখ্যক আইনজীবী এবং সুপ্রিম কোর্টের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা জানাজায় অংশ নেন। জানাজায় আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী (বার) সমিতির সভাপতি এ এম আমিন উদ্দিন ও সম্পাদক মাহবুব উদ্দিন খোকন, বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন ও সদস্য সচিব ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস এমপি, সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদীনসহ বিপুল সংখ্যক আইনজীবী এবং সুপ্রিম কোর্টের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশ নেন।

জানাজার আগে বিচারপতি ও আইনজীবীরা মাহমুদুল আমীন চৌধুরীর মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। গতকাল বাদ এশা সিলেটে হযরত শাহজালালের (র.) মাজারে তার জানাজা শেষে মাজারেই তাকে দাফন করার কথা।

সাবেক প্রধান বিচারপতি মাহমুদুল আমীন চৌধুরী গত রোববার সন্ধায় রাজধানীর নিজ বাসায় ইন্তিকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। তিনি দুই মেয়ে ও এক ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

মাহমুদুল আমীন চৌধুরীর গ্রামের বাড়ি সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায়। তার বাবার নাম আব্দুল গফুর চৌধুরী। মাহমুদুল আমীন সিলেট জেলা বারের সাবেক আইনজীবী। তিনি সিলেট এমসি কলেজ ও সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। ঢাকা সিটি ল’কলেজ হতে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। তার বাবা ছিলেন সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

১৯৬৩ সালে আইনজীবী হিসেবে সিলেট জেলা বারে যোগ দেয়া মাহমুদুল আমীন চৌধুরী ১৯৮৭ সালের জানুয়ারিতে হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হন। তিনি ১৯৯৯ সালের জুনে আপিল বিভাগের বিচারপতি নিযুক্ত হন। ২০০১ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি লতিফুর রহমানের অবসর গ্রহণের পরিপ্রেক্ষিতে ১১তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে মাহমুদুল আমীন চৌধুরীকে নিয়োগ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি। ২০০১ সালের ১ মার্চ প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন তিনি। ২০০২ সালের ১৭ জুন ৬৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় অবসর গ্রহণ করেন মাহমুদুল আমীন। 

সাবেক প্রধান বিচারপতির সম্মানে গতকাল বসেনি সুপ্রিম কোর্ট : সাবেক প্রধান বিচারপতি মাহমুদুল আমিন চৌধুরীর সম্মানে গতকাল সোমবার বসেনি সুপ্রিম কোর্ট। রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডিতে নিজ বাসায় ইন্তিকাল করেন তিনি। তার সম্মানার্থে গতকাল সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট উভয় বিভাগের বিচারকার্য বন্ধ ঘোষণা করেছিলেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ ইমান আলী।

গতকাল সোমবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে এ ঘোষণা দেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি।

জানাজা শেষে তার মরদেহ সিলেটের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে সকালে ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে বিচারপতি মাহমুদুল আমিন চৌধুরীর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল বাদ এশা সিলেটের হযরত শাহজালাল (র.) মাজার সংলগ্ন কবরস্থানে তাকে দাফন করার কথা।

সাবেক প্রধান বিচারপতি মাহমুদুল আমিন চৌধুরী গত রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে ধানমন্ডিতে নিজ বাসায় ইন্তিকাল করেন (ইন্নালিল্লাহিৃরাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি দুই মেয়ে, এক ছেলেসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ