বৃহস্পতিবার ০১ অক্টোবর ২০২০
Online Edition

ঢাকার মেয়র নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে বিএনপি

স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী মনোনয়নের বিষয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আগামী বৃহস্পতিবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মনোনয়ন ফরম বিক্রি করা হবে। সকাল ১০টা থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা ফরম সংগ্রহ করতে পারবেন। ২৭ ডিসেম্বর বিকালের মধ্যে ফরম জমা দিতে হবে। ২৮ ডিসেম্বর দলের পার্লামেন্টারি বোর্ড মিটিং করে প্রার্থী চূড়ান্ত করবে। গতকাল সোমবার রাতে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে স্কাইপে যুক্ত ছিলেন লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

কাউন্সিল পদে যেহেতু দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হচ্ছে না তাই ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থীর বিষয়টি বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে থাকবে বলেও জানান মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, নির্বাচনে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত আগেই হয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে আমরা অংশ নেবো। তবে নির্বাচনের পরিবেশ ওপর নির্ভর করবে শেষ পর্যন্ত কী দাঁড়ায়।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঢাকা সিটির নির্বাচনের সিডিউল ঘোষণা করেছে। আমরা মনে করি, অত্যন্ত তড়িঘড়ি করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলো। এর পেছনে নির্বাচন কমিশনের যে মূল উদ্দেশ্য থাকে, সেটাই আছে বলে আমরা আশঙ্কা করছি। তারা সরকারি দলকে জয়ী করার জন্য তড়িঘড়ি করে তফসিল দিয়েছে।

নির্বাচনে সব কেন্দ্রে ইসির ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, এটা অত্যন্ত আপত্তিজনক। আমরা এই সিদ্ধান্তের নিন্দা জানাচ্ছি। ইভিএমে নির্বাচনের ফলাফল পাল্টানো এবং কারচুপির যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। এই নির্বাচনেও ইভিএম ব্যবহারের বিরোধিতা করছি।

কারাবন্দি চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। এ বিষয়ে বিবৃতি দেওয়ার জন্য দলের স্থায়ী কমিটির পক্ষ থেকে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালকে ধন্যবাদ জানান তিনি। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য, চিকিৎসা ও জামিন নিয়ে উদ্বিগ্ন। এ ব্যাপারে সংস্থাগুলো তাদের বক্তব্য তুলে ধরছে।

স্থায়ী কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ