সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক মামুন ও তূর্য গ্রেফতার 

স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নুরুল হক নুর ও তার সংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর বর্বর হামলার ঘটনায় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের একাংশের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত তূর্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মো. আবদুল বাতেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, এ দু‘জনকে ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়েছে। অন্যদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। 

এর আগে রোববার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি নুরুল হক নুরের কক্ষে ডাকসু ভবনে ভাঙচুর চালায় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ডাকসু ভবনের মূল ফটক বন্ধ করে নুরের ওপর লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করা হয়। এছাড়া বাইরে থেকেও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীরা ইটপাটকেল ছোড়েন। হামলায় অন্তত ৩২ জন আহত হন। নুরসহ আহত ছয়জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতদের মধ্যে ফারাবীকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। এছাড়া আহত বাকিদের চিকিৎসা দিয়ে ঢামেক থেকে ছেড়ে দেয়া হয়।

নুর বললেন এ হামলা পাকিস্তানী বর্বরতাকেও হার মানাবে : এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, আমাদের উপর যেভাবে হামলা করা হয়েছে তা পাকিস্তানি বর্বরতাকেও হার মানাবে। গতকাল সোমবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি এ কথা জানান। এসময় নূর শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা দমন-পীড়ন ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে সর্বত্র ছাত্র ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন।

ভিপি নুরুল হক নুর বলেন, আমাদের দু’জন কর্মীকে বেধড়ক পেটানোর পর ডাকসুর ছাদ থেকে নিচে ফেলে দেয়া হয়েছে। রুম থেকে টেনে হিঁচড়ে বের করে মাঠের মধ্যে রড, লাঠি দিয়ে পেটানো হয়েছে। 

তিনি আরো বলেন, আমার ওপর পরপর তিন দফায় হামলা চালানো হয়। গুরুতর আহত না হওয়া পর্যন্ত তারা আমাকে পেটাতে থাকে। বিরোধী মতকে দমন করতে তারা আমাদের ওপর বারবার এ হামলা চালাচ্ছে। এখন যদি ছাত্রসমাজ ঐক্যবদ্ধ না হয় তাহলে ভবিষ্যতে তারা পার পেয়ে যাবে। এখনই সময় ছাত্রসমাজকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার। ছাত্র সমাজের অধিকার আদায় ও তাদের কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে তিনি প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ছাত্র ঐক্যের আহ্বান জানান। 

নুর বলেন, রোববার আমাদের উপর যখন প্রথম হামলা হয় সাথে সাথে আমি ভিসি স্যারের সহকারী মোজ্জাম্মেল ও আহসানকে জানাই। তারপরও তারা আমাদের সাহায্যে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

ফারাবীর লাইফ সাপোর্ট খোলা হয়েছে : এদিকে হামলার শিকার হওয়া বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতা তুহিন ফারাবীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। চিকিৎসকরা তার লাইফ সাপোর্ট খুলে নিয়েছেন ও হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) থেকে তাকে নিউরোলজি বিভাগের ওয়ার্ডে নেয়া হয়েছে। গতকাল সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রি. জে. ড. এ কে এম নাসিরউদ্দিন গণমাধ্যমকে জানান, ফারাবির শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা ছিল বলে তাকে সাপোর্টে দেয়া হয়েছিল। এখন সে আগের চেয়ে অনেক ভালোভাবে শ্বাস নিতে পারছে। হামলায় আহত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুরকে কেবিনে নেয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

একইভাবে হামলায় আহত হয়ে হাসান আল মামুন, আতাউল্লাহ বেহেস্তি, রবিউল, মেহেদি হাসান, কামাল হোসেন সুমন, রাসেল, মঞ্জুর মোরশেদ মামুন, মশিউর রহমান, রাশেদ খান, আবু হানিফ, নাঈম আহসান, আদিব আরিফসহ অনেকে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে জানা গেছে।

প্রক্টর কার্যালয় অবরোধ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুরসহ নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। হামলাকারীদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের দাবি জানান। গতকাল সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্য থেকে এই বিক্ষোভ শুরু হয়। মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির পেছন দিয়ে মধুর ক্যান্টিন হয়ে প্রক্টর কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়।

মিছিলে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন ‘ফ্যাসিবাদের বিররুদ্ধে, লড়াই হবে একসাথে’, ‘নির্লজ্জ প্রক্টর, ধিক্কার ধিক্কার’, ‘ছাত্রলীগের কালো হাত, ভেঙে দাও’, ‘সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘শিক্ষা সন্ত্রাস, একসঙ্গে চলে না’। সমাবেশে ডাকসুর সমাজসেবাবিষয়ক সম্পাদক আখতার হোসেন বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সন্ত্রাস চলতে দেওয়া হবে না। যে প্রক্টর সন্ত্রাসের হাত থেকে ছাত্রদের রক্ষা করতে পারেন না, তাঁর প্রক্টর পদে থাকার কোনো বৈধতা নেই। অবিলম্বে তাঁকে পদত্যাগ করতে হবে। আমরা প্রক্টরকে ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়েছি। আমরা জানতে চাই, আপনারা সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নিয়েছেন?’ শিক্ষার্থীরা সমস্বরে প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি করেন।

ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ সুজ পথসভায় বলেন, ‘বুয়েট ক্যাম্পাসে আবরারের রক্ত শুকানোর আগেই ভিপি নুরের ওপর যে হামলা করা হয়েছে, তাতে আমাদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে।’ ভিসিকে উদ্দেশ করে তিনি আরও বলেন, ‘আপনার সময়ে যত হামলা হয়েছে, আপনি কোনোটার বিচার করেননি। এরপর মিছিলটি ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণকালে বিভিন্ন প্রগতিশীল দলের নেতারা সংহতি জানান। তিনি বলেন, বুয়েটে আবরার ফাহাদের রক্ত শুকায়নি। ডাকসু ছাদ থেকে হত্যার উদ্দেশ্যে দুজনকে ফেলে দেওয়া হয়।

ভিপি নুরের ওপর হামলায় ৬ সদস্যের তদন্ত কমিটি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ভবন ও মধুর ক্যান্টিন এলাকায় সংঘটিত ঘটনাকে অনাকাক্সিক্ষত ও দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় ছয় সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। গতকাল সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত রোববার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু ভবন ও মধুর ক্যান্টিন এলাকায় এক অনাকাঙ্খিত ও দুঃখজনক ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি কেন ও কীভাবে সংঘটিত হয়েছে এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করার জন্য কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবু মো. দেলোয়ার হোসেনকে আহ্বায়ক করে ছয় সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটির সদস্যরা হলেন, শামসুন নাহার হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. সুপ্রিয়া সাহা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট সদস্য অধ্যাপক ড. অসীম সরকার, স্যার পি জে হার্টগ ইন্টারন্যাশনাল হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. মহিউদ্দিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট সদস্য ড. মো. মিজানুর রহমান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাঈনুল করিম। ঘটনাটি তদন্ত করে ছয় কার্যদিবসের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য কমিটিকে অনুরোধ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু ভবনে নিজ কক্ষে হামলার শিকার হন ভিপি নুরুল হক নুর। এ সময় আহত অন্তত ১৮ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ডাকসু ভবনের সব সিসিটিভির ফুটেজ গায়েব

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) নুরুল হকের ওপর হামলার পর এবার ডাকসু ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ গায়েব হয়ে গেছে। কে বা কারা ফুটেজগুলো গায়েব করেছে, সে ব্যাপারে কোনো ধারণা নেই কর্তৃপক্ষের। 

ডাকসু ভবনের বাইরে এবং ভেতরে মিলিয়ে মোট ৯টি ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা আছে। ক্যামেরার ফুটেজগুলো ধারণ করা হতো ডাকসুর সিনিয়র অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার আবুল কালাম আজাদের কক্ষে। সেই কক্ষে একটি মনিটর এবং একটি সিপিইউ ছিল। কিন্তু ডাকসু ভবনে নুরুল হকের ওপর হামলার ঘটনার পর সেই মনিটর এবং সিপিইউয়ের কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না।

আবুল কালাম আজাদ বলেন, রোববার দুপুরে যখন ডাকসু ভবনে ভিপি নুরুলের ওপর হামলা হয়, তখন তিনি বিষয়টি জানাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর গোলাম রব্বানীর কার্যালয়ে যান। সেখানে প্রক্টর অফিসের একজন কর্মকর্তা তাকে জানান, ডাকসুর প্রধান ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর কিছুক্ষণ পরে ডাকসুর সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) সাদ্দাম হোসাইন এবং ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সনজীত চন্দ্র দাসকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে আসেন। সেখানে গিয়ে তারা ডাকসু ভবনের গেট খুলতে বলেন। কিছুক্ষণ পর গেট খুলে দিলে কিছু অনুসারীদের সঙ্গে নিয়ে তারা ভবনের ভেতরে ঢোকেন। আবুল কালাম আজাদ আরও জানান, দুই পক্ষ যখন দোতলায় মুখোমুখি অবস্থান করছিল, তখন তিনি আবার প্রক্টরের কার্যালয়ে গিয়ে বিষয়টি জানান। 

প্রক্টর জানান, বিষয়টি তিনি দেখছেন। এরপর প্রক্টরের কার্যালয় থেকে বের হয়ে পরিস্থিতি জানানোর জন্য তিনি ডাকসুর কোষাধ্যক্ষ ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলামের কার্যালয়ে যান। তাকে কার্যালয়ে না পেয়ে মুঠোফোনে চেষ্টা করেন। কিন্তু শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম ফোন ধরেননি। এরপর তিনি নিজের কক্ষে এসে দেখেন, তাঁর কক্ষের তালা ভাঙা এবং ভেতরে মনিটর ও সিপিইউ নেই। কে বা কারা সেগুলো নিয়ে গেছে, তা তিনি জানেন না।

রোববার দুপুরে ডাকসু ভবনের নিজ কক্ষে নুরুলের ওপর হামলা চালান বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের একাংশের নেতা-কর্মীরা। এ সময় নুরুলের সঙ্গে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও কয়েকটি কলেজের কয়েকজন ছাত্রসহ অন্তত ১৮ জন আহত হন। এদের মধ্যে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতা তুহিন ফারাবীকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। আজ সোমবার তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ার পর তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নিয়ে আসা হয়।

আজও বিক্ষোভ করবে শিক্ষার্থীরা : ডাকসুতে ভিপি নুরুল হক নুর ও তার সহযোগীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে আজ মঙ্গলবার রাজু ভাস্কর্যের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করবে শিক্ষার্থীরা। দাবি মানা না হলে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলেও জানায় সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্র ঐক্যের ব্যানারে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

এর আগে গতকাল দুপুরে একই দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সমাবেশে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানান তারা। এ সময় ঢাবি প্রক্টোরসহ জড়িতদের বহিষ্কারেরও দাবি জানায় শিক্ষার্থীরা। সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্র ঐক্য’র ব্যানারে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

সমাবেশে ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক আকতার হোসেন বলেন, সনজিত-সাদ্দামের নেতৃত্বে হত্যার উদ্দেশ্যে এই হামলা করা হয়েছে। তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনতে হবে। তাদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও তাদের বহিষ্কার করতে হবে। এই হামলায় মদদ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তারাও এর দায় এড়াতে পারে না।

বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে আকতার হোসেন বলেন, আজ মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় রাজু ভাস্কর্যের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ হবে। দাবি মানা না হলে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। সমাবেশে শিক্ষার্থীসহ সকলকে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানানো হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ