মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

খুলনায় পিইসিতে ভাড়া করা সেই ৮১ পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা বাতিল

খুলনা অফিস : খুলনায় প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ভাড়া করা সেই ৮১ পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। অন্য প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত থাকার কারণে পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে সুপারিশ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।

জানা গেছে, খুলনা জিলা স্কুল কেন্দ্রে পিইসি’র অন্যান্য পরীক্ষার্থীদের সাথে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করা আনন্দ স্কুলের শিক্ষার্থীরাও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। গত ২৪ নবেম্বর শেষ পরীক্ষার দিনে কারিগরি শিক্ষা নিকেতনের প্রধান শিক্ষকের লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রথমে পাঁচজনকে এবং পরে তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মোট ৮১ জনকে চিহ্নিত করা হয়। ওই সময় এসব পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা বাতিলের সুপারিশ করা হয়।

খুলনা জিলা স্কুল কেন্দ্রের হল সুপার ও উদয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্তের মাধ্যমে তাদের চিহ্নিত করা হয়। পরে তাদের পরীক্ষা বাতিল করে থানা শিক্ষা অফিসে দেওয়া হয়। খুলনা সদর থানার সহকারী শিক্ষা অফিসার ফিরোজা সুলতানা বলেন, ওই কেন্দ্রে তার কোনো দায়িত্ব ছিল না। তবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে কেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষার্থীদের স্বীকারোক্তির পাশাপাশি কিছু শিক্ষার্থীকে দেখাও যায়। খুলনা সদর থানা শিক্ষা অফিসার শেখ মো. নুরুল ইসলাম বলেন, এরা সব ভাড়া করা শিক্ষার্থী। প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। প্রধান শিক্ষকরা যেভাবে পরীক্ষার্থীদের তালিকা দেন সেভাবেই প্রবেশপত্র সরবরাহ করা হয়। কোনো যাচাই বাছাই করা হয় না। এছাড়া আনন্দ স্কুল নিয়ে তার কোনো নির্দেশনা নেই। খুলনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এএসএম সিরাজুদ্দোহা বলেন, ওইসব পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। কেননা তারা অন্য প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত। পরীক্ষা বাতিলের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ