মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

বিশ্ব এইডস দিবস আজ

স্টাফ রিপোর্টার : আজ ১ ডিসেম্বর, বিশ্ব এইডস দিবস। ১৯৮৮ সাল থেকে ১ ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবস পালন করা হচ্ছে। এইডস-এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিশ্ব সম্প্রদায় এ দিবসটি পালন করে থাকে। ইউএনএইডস-এর তথ্যমতে বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ৩৪ মিলিয়ন মানুষ এইডসে আক্রান্ত এবং এ পর্যন্ত প্রায় ৩৫ মিলিয়ন মানুষ এ মরণঘাতী রোগে মৃত্যুবরণ করেছে। ১৯৮১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম এ মরণঘাতী রোগ প্রকাশ পায় এবং একই বছরে দেশটির লস অ্যাঞ্জেলস রাজ্যের পাঁচ সমকামী এই রোগে আক্রান্ত হয়। প্রকাশিত ইউনিসেফের নতুন এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এইডস-সম্পর্কিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ২০১৮ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ৩ লাখ ৬০ হাজার কিশোর-কিশোরীর মৃত্যু হতে পারে। এর অর্থ হচ্ছে এইচআইভি প্রতিরোধ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা প্রকল্পে বাড়তি বিনিয়োগ করা না হলে প্রতিদিন ৭৬ জন কিশোর-কিশোরীর মৃত্যু হবে।
‘শিশু, এইচআইভি ও এইডস: ২০৩০ সালের বিশ্ব’ শীর্ষক  ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির বর্তমান ধারা বজায় থাকলে এইচআইভিতে আক্রান্ত ০-১৯ বছর বয়সীদের সংখ্যা ২০৩০ সালের মধ্যে আনুমানিক ২ লাখ ৭০ হাজারে পৌঁছাবে, যা বর্তমানের অনুমানের চেয়ে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কম।  প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এইডস-সম্পর্কিত কারণে মারা যাওয়া শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের সংখ্যা ভবিষ্যতে কমবে। বর্তমানের ১ লাখ ১৯ হাজার থেকে ২০৩০ সালে তা ৫৬ হাজারে নেমে আসবে।
তবে এই কমার হার খুবই ধীরগতির, বিশেষ করে কিশোর-কিশোরীদের ক্ষেত্রে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে জীবনের প্রথম দশকে নতুন করে এইচআইভিতে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা কমে অর্ধেকে নেমে আসবে। তবে নতুন করে এইচআইভিতে আক্রান্ত ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীর সংখ্যা কমবে মাত্র ২৯ শতাংশ। এইডস-সম্পর্কিত কারণে ১৪ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে মৃত্যুর হার ৫৭ শতাংশ কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যেখানে ১৫-১৯ বছর বয়সীদের মৃত্যুর হার কমবে ৩৫ শতাংশ। বাংলাদেশে জনসাধারণের মাঝে এইচ আই ভি -এর প্রাদুর্ভাব কম (<.০১%)। ২০১৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয় ৮৬৫টি নতুন সংক্রমনের ঘটনা তুলে ধরে যার মধ্যে ৫%-এর বেশী শিশু ও কিশোরকিশোরী, যাদের বয়স ১৮ বছরের নিচে, এবং ২৫% মহিলা। ইউনিসেফ বাংলাদেশ ও সরকারের জাতীয় এইচ আই ভি প্রোগ্রাম সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা কিশোরকিশোরীদের এইচ আই ভি রোধ, চিকিৎসা ও যত্ন; এইডস আক্রান্ত শিশুদের সুরক্ষা, যতœ ও চিকিৎসা কার্যক্রমগুলোকে আরও টেকসই ও প্রসারের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ