শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

ইসলাম ও দেশকে বাঁচাতে ঐক্যবদ্ধ হোন -আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী

হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতাঃ হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেছেন, নরওয়েতে কুরআন অবমাননা, ভারতে বাবরি মসজিদের জায়গায় রাম মন্দির নির্মাণের রায়, দেশে বিদেশে আল্লাহ ও রাসুলের অবমাননাসহ সকল অপকর্মে  ইসলাম বিরোধী শক্তিগুলো ঐক্যবদ্ধ। আমাদের অনৈক্যের সুযোগে ইসলাম বিরোধীরা মুসলমানদের উপর যত নির্যাতন নিপীড়ন চালিয়ে যাচ্ছে। ইসলাম ও দেশকে বাঁচাতে ঈমানের দাবি ঐক্যবদ্ধ হোন। গত (২৮ ডিসেম্বর) বৃহস্পতিবার উত্তর চট্টলার ঐতিহ্যবাহী দীনি ও সেবামূলক সংগঠন আল আমিন সংস্থার ৩ দিনব্যাপী তাফসীরুল কুরআন মাহফিলের ২য় দিবসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
হাটহাজারী পার্বতী মডেল সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিকাল দুইটা থেকে  মাওলানা আনাস মাদানী ও মুহাম্মদ আহসান উল্লাহর যৌথ সঞ্চালনায় ও ১ম, ২য়, ৩য় ও  ৪র্থ অধিবেশনে হাফেজ তাজুল ইসলাম, মুফতী জসীমুদ্দীন, মাওলানা নোমান ফয়জী ও মাওলানা সোলাইমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত তাফসীর মাহফিলের দ্বিতীয় দিবসে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন মাওলানা আহমদ দীদার কাসেমী।
 মাহফিলে জুনায়েদ বাবুনগরী আরো বলেন, নরওয়েতে কুরআন অবমাননা করে বিশ্বমুসলিমের কলিজায় আঘাত করা হয়েছে। পবিত্র কুরআনের অবমাননা অগ্রহণযোগ্য, কিছুতেই এই সীমালঙ্ঘন মেনে নেয়া যায় না। এর কারণে মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। বিশ্বের কোথাও ইসলামের বিরুদ্ধে কোনো ধরণের উস্কানি ও ষড়যন্ত্র মেনে নেয়া হবে না। পবিত্র কোরআন অবমাননা মানবাধিকার লংঘন এবং বিশ্ব মানবাধিকার ঘোষণার লংঘনের শামিল।
আল্লামা বাবুনগরী বলেন, কট্টর হিন্দুত্ববাদী মোদি সরকার গায়ের জোরে বাবরি মসজিদের জায়গায় রাম মন্দির নির্মাণের রায় ঘোষণা করে বিশ্ব মুসলিমের কলিজায় আঘাত করেছে। বিশ্ব মুসলিম এ রায় প্রত্যাখান করেছে।
কাদিয়ানী ইস্যুতে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ৯০% মুসলিম অধ্যুষিত দেশ। আকিদায়ে খতমে নবুওয়াত অস্বীকারকারী কাদিয়ানীরা মুসলিম পরিচয়ে বাংলাদেশে থাকতে পারবে না। আমাদের কথা স্পষ্ট, নাগরিক অধিকারে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান এ দেশে বসবাস করছে। কাদিয়ানীরাও এ দেশের নাগরিক হিসেবে বসবাস করতে পারে এতে আমাদের কোন আপত্তি নেই। তবে মুসলমান হিসেবে কাদিয়ানিরা এদেশে থাকতে পারবে না। কাফের হিসেবে থাকতে হবে। সংখ্যাগরিষ্ঠ হিসেবে নয় সংখ্যালঘু হিসেবে কাদিয়ানীরা এদেশে বসবাস করতে পারে।
তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে আরো আলোচনা পেশ করেন, মাওলানা আব্দুল বাসেত খান সিরাজী, মাওলানা হাসান জামিল, মাওলানা নজরুল ইসলাম কাসেমী, ড. মাওলানা নুরুল আবছার আযহারী, মাওলানা মুফতি সিরাজুল্লহ, মুফতি রাফি বিন মুনীর, মাওলানা আবু সাঈদ প্রমুখ ওলামায়ে কেরাম।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ