বুধবার ৩০ নবেম্বর ২০২২
Online Edition

ক্রাইম রিপোর্ট

ছাত্রীর শ্লীলতাহানি
খুলনা অফিস : খুলনা মহানগরীর দৌলতপুরস্থ মুহসিন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৩) শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার বেলা ২টার দিকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে বিদ্যালয়ের খন্ডকালীন শিক্ষক মোহাম্মদ বেলাল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। স্কুলের একাধিক সূত্র জানায়, দৌলতপুর মহাসিন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সমাপনী দিন ক্লাস পার্টি ছিল। অনুষ্ঠানের সুযোগে বিদ্যালয়ের খন্ডকালীন ইংরেজি শিক্ষক মোহাম্মদ বেল্লাল হোসেন ওই ছাত্রীকে কৌশলে ফাঁকা রুমে নিয়ে যৌন নিপীড়ন করে। আতঙ্কিত ভুক্তভোগী ছাত্রীটির  অভিভাবকদের জানালে নির্যাতিতা ছাত্রীর অভিভাবক স্কুলে এসে ঘটনা প্রধান শিক্ষককে জানালে তিনি অনীহা প্রকাশ করেন পরে উত্তেজিত অভিভাবক স্কুলের বাইরে এসে অভিযুক্ত শিক্ষককে ধরে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করেন। অভিযুক্ত শিক্ষক বেল্লাল হোসেন বিবাহিত। গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরায়। সর্বশেষ অভিযুক্ত শিক্ষককে স্কুল হতে বরখাস্ত করা হয়েছে। আটককৃত শিক্ষককে খুলনা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রাসেলের জিম্মায় দেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে স্কুলের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত শিক্ষককে স্কুল থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ছাত্রীর অভিভাবককে থানায় মামলা দায়েরের জন্য বলা হয়েছে।

বাদীকে হুমকি, বাড়িতে হামলা
নেত্রকোণা সংবাদদাতা : নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার বাটলারা গ্রামে মামলার বাদী ও তার পরিবারের সদস্যদের  হুমকি, বাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও ও স্কুলের ছাত্র সহ মহিলাদের শারীরিক নির্যাতন করেছে সুবিচার চেয়ে গতকাল রোববার পুলিশ সুপার বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছেন রুকিয়া আক্তার। জেলার কেন্দুয়ার বাটলারা গ্রামের মৃত নবী নেওয়াজের ছেলে এমদাদুল হক আক্কাস, লিটনদের সাথে দীর্ঘদিন ধরে একই গ্রামের মো. দুলাল মিয়া ওরফে রূপা মিল গ্রাম্য বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে গত ৬ নভেম্বর এমদাদুল হক আক্কাস বাদী হয়ে দুলাল মিয়াসহ তার পরিবারের লোকজনের বিরুদ্ধে মামলা করে। পুলিশ ওই মামলায় দুলাল মিয়াকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়। এরই মধ্যে এমদাদুল হক ও তার লোকজন দুলাল মিয়ার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর, বাড়িতে রোপিত বিভিন্নপ্রজাতির  ৩০-৩২টি ফলের গাছ কেটে ফেলে। এতে তাদের প্রায় দুই লাখ টাকার সম্পদের ক্ষতি হয়। প্রতিপক্ষের হামলায়
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বাবুখালি ইউনিয়নের  শিবরামপুর গ্রামে জমাজমি সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতা ও সামাজিক বিরোধের জের ধরে মোক্তার মোল্যা (৬৫) নামে এক ব্যক্তি খুন হয়েছে। নিহত মোক্তার মোল্লা ওই গ্রামের জলিল  মোল্লার ছেলে, সে পেশায় একজন ইট ভাটা শ্রমিক, এবং স্থানীয় আওয়ামীলীগের দলীয় রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত।  এ ঘটনায় একটি বাড়িতে অগ্নি সংযোগসহ একাধিক বাড়িঘর ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে।

ধান কর্তন
কাজীপুর (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা : কাজীপুরের চালিতাডাঙ্গা ইউনিয়নের বরশিভাঙ্গা গ্রামের বরশিভাঙ্গা মজার একটি বিতর্কিত জমির ধান ইউ এন ও এর নির্দেশ উপেক্ষা করে কর্তন করা হয়েছে। ফলে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে আবারও উত্তেজনা বাড়ছে। প্রাপ্ততথ্যে জানা গেছে বরশিভাঙ্গা গ্রামের আঃ রহমানের স্ত্রী সাবিহা রহমান একই গ্রামের আঃ হাই বুদ্ধুর  থেকে ১৯৮৭ সালে একটি জমি কবলা রেজিস্ট্রি করে নেয়। সেই থেকে তারা ঐ জমিতে চাষাবাদ করে আসছিল। সম্প্রতি আঃহাই বুদ্ধুর স্বজনরা ঐ জমির অংশ বিশেষ  নিজেদের দাবি  করে অনধিকার প্রবেশের চেষ্টা করে। এতে সাবিহার লোকজন মীমাংসার লক্ষ্যে কাজীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর দরখাস্ত করে। নির্বাহী কর্মকর্তা বিতর্কিত জমির ধান কোন পক্ষকে না দিয়ে স্থানীয় মসজিদ কমিটির লোকজনকে কর্তন করে  নিজেদের হেফাজতে রেখে স্থানীয় মীমাংসার জন্য  আগামি ২৮ ডিসেম্বর উভয়পক্ষকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ উপস্থিত হওয়ার জন্য নির্দেশনা দেন। এদিকে সাবিহার অভিযোগ প্রতিপক্ষ ইউ এন ওর  নির্দেশ না মেনে বুদ্ধুর স্বজনরা যথাক্রমে আমানুল্লাহ, বিদ্যূৎ,জহুরুল সহ তাদের সহযোগিরা মিলে গত ২১ নভেম্বর সাবিহাদের  রোপিত জমির ধান কর্তন করে নিয়ে যায়।
এবিষয়ে সাবিহার লোকজন আবারও কাজীপুর থানা ও নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবগত করার পর নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে কাজীপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করে  অনাকাঙ্খিত ঘটনা রোধ কল্পে  উভয়পক্ষকে শান্ত থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন। তবে এঘটনায় এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ