শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

স্বৈরতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার উপসর্গ

সম্প্রতি দেশের তিন জায়গায় ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা ঘটেছে।  বিশেষ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রেল দুর্ঘটনায় অনেক লোক নিহত হয়েছে। এসবকে রাষ্ট্র কর্তৃক হত্যাকান্ডই বলা যায়। কারন ভোটবিহীনভাবে ক্ষমতায় বসা বিদেশি তাবেদারী এই সরকার রাষ্ট্রের অর্থ ভয়ানকভাবে লুট করেছে। রেলের উন্নয়নের টাকা তাদের পকেটে। রেল লাইনে বাঁশও দেখা গেছে। রেল লাইনের উন্নয়ন না করে তারা টাকা লুট করছে। রেলের কর্মচারীরাও চরম দুর্নীতিতে লিপ্ত হয়েছে। রেল কর্মচারীরা জানে আমরা যত অনিয়ম করি না কেন, এসবের জবাব দিতে হবে না। তাইতো রেলগাড়ি চালক-মাস্টার ঘুমিয়ে ছিল।  ভোটবিহীন এই সরকারের রেলমন্ত্রী বলেন, বিএনপির আমলে নাকি রেলে দুর্নীতি ছিল। এ কারনেই নাকি এমন দুর্ঘটনা ঘটে!
একেক বার মানুষ এরকম হত্যার শিকার হচ্ছে। আর  তখনই তাদের লোকজন নানান বাজে কথা বলে। এটা শুধু বাংলাদেশের চিত্র নয়। যেই যেই দেশে গণতন্ত্র উপস্থিত নেই। বিদেশি তাবেদারী সরকার ক্ষমতায় থাকে। সেখানের চিত্র এরকমই থাকে। ইতিহাস তালাশ দিলে সেটার প্রমান মিলবে। এছাড়া এখনো বিশ্বের অনেক রাষ্ট্রে এমন কিছু দেখা যায়। নির্বাচিত সরকার থাকলে রেল দুর্ঘটনায় এমন হত্যাকাণ্ডের জন্য জবাব দিতে হত। এখন এসব জবাবের প্রশ্নই ওঠেনা। কেউ কেউ এই হত্যাকাণ্ডের জন্য রেল মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বলে!! এটা মারাত্মক হাস্যকর কথা! কি তাদের সরকার! কি তাদের বৈধতা! তাদের আবার পদত্যাগ চাওয়া!! এতে তারা প্রাউড ফীল করে! এতে পদত্যাগ শব্দটিরও সম্মান নষ্ট করা হয়! শুধু মাত্র রেল দুর্ঘটনাই নয়। দীর্ঘ ১১ বছরে দেশের  প্রায় লাখো মানুষের জীবন চলে গেছে। এর জবাব তাদের দিতে হয় নি। প্রতিনিয়তই নানান ভাবে মানুষ হত্যার শিকার  হচ্ছে। ধর্ষনের ঘটনা নিয়মিত হয়ে উঠেছে। পুরো বাংলাদেশকে যদি একটি রেলগাড়ি ধরা হয়- তাহলে দেখা যাবে এই রেল গাড়িটি আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে!! এটির পুড়ে যাওয়া ইঞ্জিন, বগি ওয়াশ করে, মেরামত করে ব্যবহার করতে হলে বহু শ্রম দিতে হবে!
-সাইফুল ইসলাম তানভীর

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ