বৃহস্পতিবার ০১ অক্টোবর ২০২০
Online Edition

২০ টন পেঁয়াজ ডাস্টবিনে!

চট্টগ্রাম ব্যুরো : সংকটের মধ্যে চট্টগ্রাম নগরের ভোগ্যপণ্যের পাইকারী বাজার খাতুনগঞ্জের আড়ত থেকে ডাস্টবিন, খালের পাড়ে-নদীতে ফেলা হয়েছে অন্তত ২০ টন পেঁয়াজ। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত মসলা মার্কেট হিসেবে খ্যাত হামিদুল্লাহ মার্কেট, চাঁন মিয়া বাজার এবং মধ্যম চাক্তাই এলাকায় এসব পচা পেঁয়াজ ফেলে যায় আড়তদাররা।
 ফেলে দেয়া কয়েকশ’ বস্তা পেঁয়াজ রাতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মীরা বায়েজিদ বোস্তামি থানার আরেফিননগরে আবর্জনাগারে ফেলছেন। এছাড়া নদী ও এর পাড় থেকে অনেকে পচা পেঁয়াজ কুড়িয়ে রোদে শুকাতে দেখা গেছে।
নগরীর ৩৫ নম্বর বক্সিরহাট ওয়ার্ডের পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শক আহমদ ছফা বলেন, খাতুনগঞ্জের হামিদুল্লাহ মার্কেটে, সামনের রাস্তায়, চাঁন মিয়া বাজার ও মধ্যম চাক্তাই এলাকায় পচা পেঁয়াজ পেয়েছি। প্রায় ২০টন পেঁয়াজ চারটি ট্রাকে করে আমরা আরেফিননগরে ময়লার ভাগাড়ে ফেলেছি।
হামিদুল্লাহ মার্কেট কাঁচামাল আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ইদ্রিচ বলেন, মায়ানমার থেকে নৌকায় করে পেঁয়াজ আসছে। যেসব পেঁয়াজ নৌকার তলায় থাকে সেগুলো নষ্ট হয়ে যায়। গুদামে আসার পর সেগুলো ফেলে দিতে হচ্ছে। যেসব পচা পেঁয়াজ ফেলে দেওয়া হয়েছে, সেগুলো মায়ানমারের পেঁয়াজ।
ক্যাবের কেন্দ্রীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন বলেন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যথাযথ তদারকির অভাবে সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা মজুতদারির সুযোগ নিয়েছে। মজুদের মাধ্যমে বাজারে সরবরাহ সংকট তৈরি করে বাড়তি মুনাফা হাতিয়ে নিচ্ছে তারা। মজুদ করা যেসব পেঁয়াজ বিক্রি করতে পারেনি, পচে গেছে, সেগুলো এখন ভাগাড়ে ফেলা হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, মায়ানমার থেকে শুক্রবার ১৬৮ টন পেঁয়াজ খাতুনগঞ্জে এসেছে। শনিবার দুপুর পর্যন্ত এসেছে ৭০টন। শনিবার খাতুনগঞ্জের পাইকারী বাজারে প্রতিকেজি মায়ানমারের ভালো পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছিল ২২০ টাকায়। কিছুটা নিম্নমানের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ