সোমবার ০১ মার্চ ২০২১
Online Edition

আল মাহমুদের কবিতায় রাসূল (সা.) প্রসঙ্গ

খোরশেদ মুকুল : আল মাহমুদ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি। গ্রামীণ শব্দ আর লোকজ উপাদানকে  নিপুণ পারঙ্গমতায় উপস্থাপন করে বাংলা কবিতায় তিনি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন। কলকাতার ‘কবিতীর্থ’ স¤পাদক উৎপল ভট্টাচার্যের মতে, ‘তিরিশের কবিদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ তথা আধুনিক বাংলা কবিতার জনকপুরুষ কবি জীবনানন্দ দাশের পরে মৌলিকতা এবং সাফল্যের দিক থেকে আল মাহমুদের কীর্তি সত্যিকার অর্থেই অতুলনীয়’। 

আবহমান বাংলার লোক-ঐতিহ্য, রোমান্টিক ভাবনা, শরীরগন্ধি প্রেম-চেতনা, নারী, গ্রামীণ এবং নাগরিক জীবনের সংযোগ স্থাপন, বাংলাদেশের রূপ-প্রকৃতি, স্বদেশপ্রেম, মানবীকতা, দ্রোহ, ইতিহাস চেতনা ও সচেতনতা, বিশ্ব পরিস্থিতি, বিশ্বমানবতা, ইসলামের ইতিহাস-ঐতিহ্য, পরাবাস্তব, নদী-ভাটি অঞ্চল, আদম-হাওয়ার সেমিটিক কাহিনী এবং আধ্যাত্মিকতার অপূর্ব শৈল্পিক সমন্বয় ঘটেছে তাঁর কবিতায়। তিনি প্রকৃতি বন্দনা করেছেন তবে জীবনানন্দ দাশ কিংবা জসীম উদ্দীনের মতো নয়, তিনি ইসলামের ইতিহাস ঐতিহ্য আর দ্রোহ প্রকাশ করেছেন তবে কাজী নজরুল ইসলাম কিংবা ফররুখ আহমদের মত নয়; নিজস্ব ভাষা ভঙ্গিতে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে যেমন বাংলা সাহিত্যে ছোট গল্পের স্রষ্টা বলা হয় ঠিক তেমনি আল মাহমুদকে বলা হয় বাংলা কাব্যে আধুনিক ভাষা ভঙ্গির নির্মাতা। 

মুহাম্মদ (সঃ) আল্লাহর প্রেরিত সর্বশেষ নবী ও রাসূল। পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব। একমাত্র অনুকরণীয় এবং অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব। সম্মোহনী ব্যক্তিত্বের কারণে সহজেই মানুষকে আকৃষ্ট করতে পারতেন। মৃত্যুর প্রায় সাড়ে চৌদ্দশত বছর পরও তার ব্যক্তিত্ব মানুষকে চুম্বকের মত টানে। এখন শুধুমাত্র তাঁর অনুসারীরাই নয় অনেক বিধর্মীও তাঁর প্রতি অনুরক্ত। তাঁকে নিয়ে আগ্রহের কমতি নেই। 

হাজার বছরের পুরোনো বাংলা কাব্যের ইতিহাসের সাথে জড়িয়ে আছে প্রিয় নবী (সা.)। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে তাও আবার এক অমুসলিম কবির কলম থেকে বেরিয়ে আসে এই ঝিলিক। ড. এস এম লুতফুর রহমান এ তথ্য পরিবেশন করতে গিয়ে বলেন: “আনুমানিক নয়, নিশ্চিতরূপেই ১০০০ থেকে ১০২০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যেই বৌদ্ধ কবি রামাই প-িত রচিত ‘কলিমা জাল্লাল’ নামক রচনায় পহেলা রাসুলে করিম (সা.)-এর তারিফ করা হয়েছে”। তাঁকে অমুসলিমদের ইলাহ (প্রভু বা উপাস্য) ব্রহ্মার সঙ্গে তুলনা করে গৌড়ে মুসলিম বিজয় অভিযানকে বেহেশতি রহমতরূপে বয়ান করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে : 

ব্রহ্মা হৈল মুহাম্মদ বিষ্ণু হৈল পেকাম্বর

আদম্ব হৈল মূল পানি

গণেশ হৈল গাজী কার্ত্তিকা হৈল কাজী 

ফকীর হৈল যত মুনি।

                [‘নিরঞ্জনের রুস্ম’, শূন্য পুরান]

আধুনিক ‘নিরঞ্জনের রুস্ম’ কবিতার মূল নামই ‘কলিমা জাল্লাল’ । মুসলিম কবি হিসেবে মধ্যযুগে প্রথম নবী বন্দনা করেন শাহ মুহাম্মদ ছগীর। সে যুগেই হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর দিগি¦জয়ের কাহিনী অবলম্বনে কবি জৈনুদ্দীন ‘রাছূল বিজয়’ কাব্য রচনা করেন। তারই ধারাবাহিকতায় মধ্যযুগের অন্যান্য কবি এবং আধুনিক যুগের কবিরা রাসুলের শৌর্য-বীর্য-মাহাত্ম্য প্রমাণ করে কবিতা লিখেছেন এবং এখনও লিখে যাচ্ছেন। চতুর্দশ শতাব্দী থেকে শুরু করে উনবীংশ শতাব্দী পর্যন্ত ছ’শ বছরে মুসলিম কবিরা রাসূল (সা.) এর উপর প্রায় পঁয়তাল্লিশটার মত কাব্য রচনা করেন। আধুনিক যুগে মোজাম্মেল হক (হযরত মোহাম্মদ), মীর মশাররফ হোসেন (মদিনার গৌরব), আবুল হোসেন ভট্টাচার্য (মরুর ফুল), কাজী নজরুল ইসলাম (মরুভাস্কর), ফররুখ আহমদ (সিরাজাম মুনীরা), শ্যামাপদ বর্মন কবিরতœ (রসূলনামা), সৈয়দ শামসুল হুদা (আলোর আলো) সহ আরও অনেক কবি নবী (সা.) কে নিয়ে কাব্য রচনা করেছেন। 

কাব্যাদর্শে এবং জীবনবোধে ‘মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো’র কাব্য থেকেই আল মাহমুদের বাঁক বদল শুরু হয়। বিশ্বাসী আদর্শে পদার্পণ করেন প্রিয় কবি। ইসলাম-ই একমাত্র শান্তির পথ বলে দৃঢ়তা পোষণ করেন। তাঁর লেখায়ও দেখা যায় বিশ্বাসের প্রতিফলন। আর একমাত্র আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করেন আখেরি নবী মুহাম্মদ (সা.) কে। তাই স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন কবিতায় উঠে আসে প্রিয় নবী (সা.) প্রসঙ্গ। ‘মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো’ কাব্যের নাম কবিতায় অতীত আর বর্তমানকে বেঁধেছেন একই সুতোয়। আর ‘অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না’ কাব্য শুরু-ই করেন “হযরত মোহাম্মদ” কবিতা দিয়ে। এই কবিতায় আল মাহমুদ আইয়্যামে জাহেলিয়াতে নবীজী (সা.)’র আগমন এবং ইহকালে শান্তি ও পরকালীন মুক্তির দিশারি হিসেবে তাঁর জীবনাদর্শের অবদানের কথা ব্যক্ত করেছেন। গেয়েছেন তাঁর মাহাত্ম্য। শতবাধা অতিক্রম করে বয়ে চলা বিচ্ছুরিত আলোর জয়গান করেছেন। কবির ভাষায়-

গভীর আঁধার কেটে ভেসে ওঠে আলোর গোলক,

সমস্ত পৃথিবী যেন গায়ে মাখে জ্যোতির পরাগ;

তাঁর পদপ্রান্তে লেগে নড়ে ওঠে কালের দোলক

বিশ্বাসে নরম হয় আমাদের বিশাল ভূভাগ। 

-------------------------------

লাঞ্ছিতের আসমানে তিনি যেন সোনালী ঈগল

ডানার আওয়াজে তার কেঁপে ওঠে বন্দীর দুয়ার;

ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় জাহেলের সামান্য শিকল

আদিগন্ত ভেদ করে চলে সেই আলোর জোয়ার।           

              [‘হযরত মোহাম্মদ’, অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না]

অন্ধকার যুগে তিনি ‘আলোর গোলক’ হয়ে আগমন করে নাড়িয়ে দেয় ‘কালের দোলক’। সমস্ত পৃথিবী  আলোকিত হয় তাঁর ‘জ্যোতির পরাগ’ গায়ে মেখে। শূন্য মানবতার যুগে প্রেরিত হয়ে লাঞ্ছনা-বঞ্চনা, বিশৃঙ্খলা ও অসীম পাপে নিমগ্ন জাতির ‘জাহেলের সামান্য শিকল’ ভেঙে ছড়িয়ে দেন ‘আলোর জোয়ার’।

অনেক নেককার বান্দা নবী (সা.) কে স্বপ্নে দেখেছেন। যেটি অত্যন্ত সৌভাগ্যের বিষয়। কারণ মানুষ স্বপ্নযোগে নানা কিছু দেখলেও শয়তান প্রিয় নবী (সা.)’র রূপ ধারণ করতে পারে না বলে হাদিস থেকে জানা যায়। আল মাহমুদেরও সেই সাধ জেগেছিলো। ‘বখতিয়ারের ঘোড়া’ কাব্যের “নাত” কবিতায় মুহাম্মদ (সা.) এর গুণগান করার পাশাপাশি তাঁকে স্বপ্নে দেখার বাসনাও প্রকাশ করেন তিনি। নবীজী (সা.)’র হাত থেকে খেতে চেয়েছেন হাউজে কাওসারের পানি। মুহাম্মদ (সা.) নামের মহিমায় যেমন নিপীড়িতরা মাথা তুলে দাঁড়ান ঠিক তেমনি অনেকেই তাঁর নামের তথা তাঁর আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়ে শহীদের খাতায় নাম লেখান। আশ্চর্য প্রেমের নিদর্শন। এই নামেই হৃদয়ে গোলাপ ফোটে, মাতাল হয় মন। রাসূল (সা.) প্রেমে মত্ত হয়ে ভেঙে দেয় সাম্প্রদায়িকতার সকল দেয়াল। এই যেনো আল্লাহর অফুরন্ত আয়োজন। 

কোনদিন আমি দেখবো কি কোনোকালে 

সেই মুখ সেই আলোকোজ্জ্বল রূপ? 

এই দুনিয়ায় কিংবা পেরিয়ে গিয়ে

--------------------

মোহাম্মদ- নামেই বাতাস বয়,

মোহাম্মদ- এ শব্দে জুড়ায় দেহ

মোহাম্মদ- এ প্রেমেই আল্লা খুশি

দোজক বুঝিবা নিভে যায় এই নামে। 

               [‘নাত’, বখতিয়ারের ঘোড়া]

স্বপ্নে প্রিয় নবী (সা.)’র ‘আলোকোজ্জ্বল রূপ’ দেখার বাসনা দিয়ে শুরু করার পর তিনি ‘মোহাম্মদ’ 

নামের মাহাত্ম্য ঘোষণা করেন। এই নামের মহব্বতেই পরিত্রাণ পেতে পারে দোজক থেকে। এমন 

পরিশীলিত ভাষায় মানবতার মুক্তির মহামানবের স্তুতি সত্যিই বিরল। 

 

১৯৮৯ সালে প্রকাশিত হয় আল মাহমুদের ‘একচক্ষু হরিণ’ কবিতাগ্রন্থটি। সেই গ্রন্থের “কদর রাত্রির 

প্রার্থনা” কবিতা তৎকালীন সময়ে খুব আলোড়ন তুলে। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট 

ব্যক্তিবর্গ। কারণ তিনি এই কবিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘ডাকাতের গ্রাম’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল আর বুয়েটের মাঝামাঝি এলাকার প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত যে ছিনতাই-মারামারি-ডাকাতি-রাহাজানির খবর প্রকাশিত হত সেই লুণ্ঠিত-লাঞ্ছিত-নিগৃহীত মানবতা পুনরুদ্ধারের জন্য কদর রাত্রে মহান আল্লাহ তা’য়ালার কাছে কবি প্রার্থনা জানাচ্ছেন “কদর রাত্রির প্রার্থনা” কবিতার মাধ্যমে। কারণ এই দৃশ্য দেখে কবির মনে পড়ে জাহেলিয়াতের কথা। যেই অন্ধকার দূর করার জন্য হেরা গুহায় নাজিল হয় আল কোরআন। কবির ভাষায়- 

হে আল্লাহ

হে সমস্ত উদয়দিগন্ত ও অস্তাচলগামী আলোকরশ্মির মালিক

আজকের এই পবিত্র মহাযামিনীর সব রকম বরকত আমাকে দাও।

আমাকে দাও উত্তেজক মুহূর্তের স্বর্গীয় পুলক যাতে 

একটি সামান্য গুহার প্রস্তরীভূত শিলাসহ কেঁপে উঠেছিলেন

       মহানবী মোহাম্মদ (সা:)

না, আমি তো পড়তে পারছি না এই অন্ধকারের অন্তস্তলে

বিদ্যুতের ঝলকানি কোন অক্ষর আর ইঙ্গিতময় বাণী ক্রমাগত লিখে যাচ্ছে 

শুধু আমার মাতৃভূমিকে পেঁচিয়ে আবর্তিত হচ্ছে 

             এক কুটিল অন্ধকার।

                   [‘কদর রাত্রির প্রার্থনা’; একচক্ষু হরিণ]

এই কবিতা যেনো অনেকটা সুরা কদরের-ই সম্প্রসারিত ভাব। প্রিয় নবী (সা.)’র উপর কোরআন 

নাজিলের সময় ও প্রেক্ষাপট অত্যন্ত সুন্দরভাবেই ব্যাখ্যা করেন সময়ের আলোকে। ‘কুটিল অন্ধকার’ 

এ ঘূর্ণায়মান দেশকে আলোর মুখ দেখানোর জন্য প্রয়োজন রাসূল (সা.) এর আদর্শের বাস্তবায়ন। তাই তো কবি ‘উত্তেজক মুহূর্তের স্বর্গীয় পুলক’ প্রত্যাশা করেছেন। 

 

‘নাত’ কবিতার মতই ‘নামের মহিমা’ কবিতায় প্রিয়নবী (সা.) এর মাহাত্ম্য প্রকাশ করেছেন আল মাহমুদ। ‘নাত’ কবিতায় কবি রাসূল (সা.) এর প্রশংসা করেছেন পরিবেশের বিভিন্ন উপাদানের বাহ্যিক ক্রিয়ার মাধ্যমে। আর ‘নামের মহিমা’ কবিতায় প্রিয়নবী (সা.)’র জীবনাদর্শ কবি জীবনে যে আত্মিক-আধ্যাত্মিক পরিবর্তন অনুভূত হয়েছে তার সচিত্র রূপায়ণ। 

তোমার নামেই হৃদয়ে জ্বলে আলোর তৃষ্ণা

চারদিক থেকে ছুটে আসে এক মহৎ ইচ্ছা

কেবল তোমার নামের মহিমা আমাকে জাগায়

আমি জেগে উঠি পুলকে ঝলকে কাঁপে দেহ মন। 

            [‘নামের মহিমা’, পাখির কথায় পাখা মেললাম]

রাসূল (সা.) জীবনাদর্শ কবি মনে যে ‘আলোর তৃষ্ণা’ জাগায় তার সচিত্র বাস্তবায়নের জন্য ‘চারদিক থেকে ছুটে আসে এক মহৎ ইচ্ছা’। কবির দেহ-মনে শিহরণ জাগে ‘পুলকে ঝলকে কাঁপে দেহ মন’। 

 

রাসূল (সা.) মানবজাতির জন্য রহমত হিসেবে প্রেরিত হয়েছেন। সংস্কৃতি-সভ্যতা বিনির্মাণের জন্য নাজিল হয়েছে আল কোরআন। আর রাসূল (সা.) কে বলা হয় সেই পথের নাবিক। তিনি আলো। তিনি ভালো। জগতের সকল অন্ধকার দূর করতে প্রয়োজন তাঁরই আলো। তবেই জগত হবে ভালো। হবে সুন্দর-শাশ্বত। ‘সাহিত্য সংস্কৃতি: সীরাতুন্নবী (সা.) সংখ্যা ২০১৫’- এ প্রকাশিত “আলো” নামক কবিতায় তিনি এমনই এক মনোভাব প্রকাশ করেছেন এভাবে-দূর হোক অন্ধকার 

দূর হোক কালো 

সামনে পেছনে জ্বালো 

আলো আর আলো।

আলোতে আলোর মেলা

তুমি নবী ভালো   

তোমার পরশে ভালো 

হয় আরও আলো। 

   [‘আলো’, সাহিত্য সংস্কৃতি: সীরাতুন্নবী (সা.) সংখ্যা ২০১৫]

সমাজে চলমান অন্যায়-অবিচার-অত্যাচার-অসঙ্গতিকে ‘অন্ধকার’ আর ‘কালো’ রূপেই চিত্রায়ণ করেছেন কবি। আর এটি দূর করার জন্যই প্রয়োজন ‘আলো’। জীবনের সকল পর্যায়ে এই ‘আলো’ প্রয়োজন। ‘সামনে পেছনে জ্বালো/আলো আর আলো’ বলেই কবি এদিকটা ইঙ্গিত করেছেন। 

 বাংলা ভাষায় যুগে যুগে অসংখ্য কবি সাহিত্যিক রাসূল (সা.)’র শানে রচনা করেছেন বহু সাহিত্যকর্ম। যা বাংলাভাষাকে করেছে সমৃদ্ধ। হযরত মুহাম্মদ (সা.) কে নিবেদিত কাব্য ও নাতে রাসূল (সা.) রচনা বর্তমান সময়েও অব্যাহত রয়েছে। 

তথ্যসূত্রঃ

১) কবিতাসমগ্র: ১,২- আল মাহমুদ 

২) আমি ও আমার কবিতা- আল মাহমুদ 

 ৩) আল মাহমুদের কবিতা: বিষয় ও শিল্পরূপ- ড. ফজলুল হক তুহিন 

৪) আল মাহমুদ: কবি ও কথাশিল্পী- কমরুদ্দিন আহমদ 

৫) মুসলিম রেনেসাঁয় নজরুলের অবদান- আবু ফাতেমা মোহাম্মদ ইসহাক  

৬) সাহিত্য সংস্কৃতি: সীরাতুন্নবী (সা.) সংখ্যা, ২০০১-২০১৫

৭) নোঙর- আল মাহমুদ সংখ্যা

৮) অবিনশ্বর- আল মাহমুদ সংখ্যা 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ