সোমবার ০১ মার্চ ২০২১
Online Edition

নজরুলের ‘খেলা শেষ হ’ল,  শেষ হয় নাই বেলা’ ‘পাঠান্তর’ প্রসঙ্গ

শফি চাকলাদার : নজরুলের অনেক কবিতা, গান নিয়ে আজও বিতর্কের সৃষ্টি হয়। যারা এই বিতর্ক করেন তারা কিসের ভিত্তিতে এমন কনফিউশন করেন তা তারাও জানেন না। মনগড়া? নয়তো কি? কারণ বিষয়টি যে ‘নজরুল’। কেউ হয়তো বাহাবা অর্জন (?) করতে চান আর কেউবা ‘নজরুল’ বিতর্কিত হোক, এমনটাই উদ্দেশ্য। নজরুলের এমনই একটা অসাধারণ কাজকে প্রশ্নবিদ্ধ করে বাজারে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। একটি গান। আমি প্রথমে নজরুলের মূল গানটি উদ্ধৃত করছি। 

খেলা শেষ হল, শেষ হয় নাই বেলা।

কাঁদিও না, কাঁদিও না-

তব তরে রেখে গেনু প্রেম-আনন্দ মেলা ।।

খেলো খেলো তুমি আজো বেলা আছে,

খেলা শেষ হলে এস মোর কাছে;

প্রেম যমুনার তীরে বসে রব

লইয়া শূন্য ভেলা ।।

যাহারা আমার বিচার করেছে-

ভুল করিয়াছে জানি;

তাহাদের তরে রেখে গেনু মোর

বিদায়ের গানখানি।

হই কলঙ্কী, হোক মোর ভুল,

বালুকার বুকে ফুটায়েছি ফুল;

তুমিও ভুলিতে নারিবে সে কথা-

হানো যত অবহেলা ।।

গানটি উদ্ধৃত করা হয়েছে নজরুল জন্ম শতবার্ষিকী সংস্করণ দশম খন্ড, জ্যৈষ্ঠ ১৪১৬ মে ২০০৯ থেকে ১১৪ নং গান পৃ. ২৫৫-৫৬। প্রথম অন্তরার দ্বিতীয় লাইনে আছে ‘হল’- হবে ‘হলে’। সামান্য ভুল কিন্তু হবে কেন? বিষয়টি তো জাতীয় কবি’র। সতর্কতা অপরিহার্য নয়কি? এটাই হচ্ছে মূল গান। যেটা কোলকাতা হরফ প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত নজরুল গীতি অখ- পুনর্মুদ্রণ জুলাই ১৯৯৩, পৃ. ৫৭ সঙ্গীত সংখ্যা ২৫৩।

নজরুল ইন্সটিটিউট থেকে একই পাওয়া যায় ১২৪৬ নং গান পৃ. ৩৭৮-এ কিন্তু এখানে এক নাম্বারে পাঠান্তরে পাওয়া যায় যেটা সেটা উদ্ধৃত করছি-

খেলা শেষ হল, শেষ হয় নাই বেলা।

কাঁদিও না, কাঁদিও না-তব তরে রেখে গেনু প্রেম-আনন্দ মেলা ।।

খেলো খেলো তুমি আজো বেলা আছে,

খেলা শেষ হলে এস মোর কাছে

 প্রেম যমুনার তীরে বসে রব লইয়া শূন্য ভেলা ।।

যাহারা আমার বিচার করেছে আর তাহাদের কেহ,

দেখিতে পাবে না কলঙ্ক কালিমাখা মোর এই দেহ।

হই কলঙ্কী, হোক মোর ভুল,

পৃথিবীতে আমি এনেছি গোকুল,

তুমিও ভুলিতে নারিবে সে কথা হানো যত অবহেলা ।।

(গানটি ১৯৬৫ সালে জগন্ময় মিত্রের কণ্ঠে রেকর্ডের সময় প্রশিক্ষক কমল দাশগুপ্ত বাণীর কিছু পরিবর্তন করেছিলেন। যথা :

১। খেলা শেষ হলে যেয়ো, যেয়ো মোর কাছে

২। হোক অপরাধী হোক মোর ভুল।)

উদ্ধৃত করা হয়েছে ‘নজরুল সঙ্গীত সংগ্রহ’ গ্রন্থ থেকে যা নজরুল ইন্সটিটিউট থেকে প্রকাশ পায় কার্তিক ১৪১৩/ অক্টোবর ২০০৬। ১২৪৬ সংখ্যক গান পৃ. ৩৭৯ এবং প্রথম সংস্করণ মাঘ ১৪১৭/ ফেব্রুয়ারি ২০১১। ১২৪৬ সংখ্যক গান পৃ. ৩৭৮-৭৯ তাল দাদরা।

গানটির অন্তরা দুটি, সঞ্চারীসহ অস্থায়ী বা মুখরা রয়েছে। কমল বাবু পরিবর্তন করেছেন সঞ্চারীর প্রথম লাইনের শেষ অর্দ্ধেক এবং দ্বিতীয় লাইন এবং দ্বিতীয় অন্তরার দ্বিতীয় লাইনের ‘এস’র স্থলে ‘যেয়ো’ পরিবর্তিত হয়েছে। কমল বাবু নেই। তাই তাকে জিজ্ঞাসা করার সুযোগ নেই। তিনি নজরুলের গানের বাণী পরিবর্তন করার সাহস দেখিয়েছেন ১৯৬৫ সালে। আর এখন চলছে ২০১৯Ñঅর্দ্ধ শতাব্দী অতিক্রম হয়েছে। এত দেরি করে বিষয়টিতে কেন হাত দিলাম? হয়তো দেরি হয়ে গেছে কিন্তু আলোচনা করতে অসুবিধে তো নেই তাই করছি। আমার কাছে ফিরোজা বেগমের একটি ক্যাসেট আছে সেখানে এই গানটি আছে। ওখানে তিনি প্রথম অন্তরার দ্বিতীয় লাইনে ‘এস’র স্থলে ‘যেয়ো’ করেছেন যেটা নোটের ১নং লাইনের পরিবর্তন করণে রয়েছে। অপর একটি ধীরেন্দ্র চন্দ্র মিত্র’র কণ্ঠে ক্যাসেট আমার আছে। সেখানে ধীরেন বাবু প্রথম অন্তরায় ‘এস’র স্থলে ‘যেয়ো’ এবং সঞ্চারীর কমল বাবু কর্তৃক পরিবর্তিত সবটুকুই কণ্ঠে ধারণ করেছেন। এখন কথা হচ্ছে কমল বাবু সঞ্চারীতে যে কথাগুলো বসিয়েছেন তা কিন্তু চাট্টিখানি বিষয় নয়? “যাহারা আমার বিচার করেছে আর তাহাদের কেহ/ দেখিতে পাবে না কলঙ্ক কালিমাখা মোর এই দেহ।” এই লাইনগুলো নজরুলের জন্য মারাত্মক নয়কি? কমল বাবু কি পড়েননি নজরুল নিজ সম্পর্কে কি বলে গেছেন-“আল্লাহ লা-শরীক, এক মে বা দ্বিতীয়ম। কে সেখানে ‘দ্বিতীয়’ আছে যে আমার বিচার করবে? কাজেই কারও নিন্দাবাদ বা বিচারককে আমি ভয় করি না। আল্লাহ আমার প্রভু, রাসূলের আমি উম্মত, আলকোরান আমার পথ প্রদর্শক।) আমার লীগ কংগ্রেস।”

এটা লক্ষণীয় যে নজরুল অসুস্থ হবার অনেক দিন পর নজরুল সম্পর্কীত আলোচনার গ্রন্থ প্রকাশ পায়। নজরুল এতদিনে প্রায় হারিয়ে যাবার অবস্থায়। নজরুল বর্তমানে কিন্তু অনেকটাই প্রকাশিত। যদিও আরও বৃহত্তর পথে তার অবস্থান প্রয়োজনীয়। ১৯৬৫ সালে কমল দাশগুপ্ত যে কাজটি করেছেন তাতে বিস্মিত না হয়ে উপায় কী বলুন। ‘আমার লীগ কংগ্রেস’ নিবন্ধে নজরুল যা বলেছেন কমল বাবু তা যে পড়েননি এটা ভাবা মুশকিল অথচ তিনি বিশাল কনফিউশন তৈরি করতে মূল গানের লাইন বদল করেন মূল লাইনটি ‘বালুকার বুকে ফুটায়েছি ফুল’ স্থলে ‘পৃথিবীতে আমি এনেছি গোকুল’। গোকুল হচ্ছে কৃষ্ণ লীলাস্থান বৈষ্ণবদের পবিত্র তীর্থ স্থান। নজরুল এমন কি অপরাধ করেছেন যার কারণে কমল বাবু এক অবিশ^াস্য লাইন যুক্ত করেন ‘দেখিতে পাবে না কলঙ্ক কালিমাখা মোর এই দেহ’- নজরুল এক আল্লাহর বিচারকেই শিরোধার্য মেনেছেন অথচ ‘যাহারা আমার বিচার করেছে’ পর্যন্ত রেখে ‘-ভুল করিয়াছে জানি’ স্থলে ‘আর তাহাদের কেহ’ যুক্ত করেন। ১৯৬৫ সালে কমল বাবু জগন্ময় মিত্র’র কণ্ঠে তার এই অদ্ভূত লাইনগুলো যুক্তকরণ লাইনগুলো সম্বলিত গানটি রেকর্ড করেন। সে রেকর্ডটি আমি পাইনি তবে গানটি পেলাম ধীরেন্দ্র চন্দ্র মিত্র’র কণ্ঠে রেকর্ডকৃত। প্রশ্ন দাঁড়ায় কমল বাবুকে কে এমন অথোরিটি দিল যে তিনি অনায়াসে এমন গর্হিত কাজটি করে বসলেন। ১৯৬৫ আর এখন ২০১৯-৫৪ বছর ধরে এমন লাইনগুলো চলে আসছে- কোন প্রতিবাদ তেমন হয়েছে কি? হয়নি। নজরুল ইন্সটিটিউট থেকে প্রকাশিত ‘নজরুল-সঙ্গীত সংগ্রহ)’ (২০০৬) এবং যা ২০১১-তেও প্রকাশ পায় দু’টো গ্রন্থতেই এই গানটি রয়েছে কমল বাবুর লিখিত কিম্বা যুক্তকৃত অংশগুলোসহ। কিন্তু কেন প্রতিষ্ঠানটি এটা ছাপাল। আর যদি ছাপালই তবে একটি প্রতিবাদ লিপিও যুক্ত করা কি যেত না? বাণীর পরিবর্তন করা যেমন ঠিক হয়নি এটা প্রতিবাদ লিপি ছাড়া প্রকাশ করাও ঠিক হয়নি। কমল বাবু নজরুলের সৃহৃদ এটা প্রশ্নবিদ্ধ তো বটেই। নজরুলের অসুস্থতার সুযোগে বেশকিছু রেকর্ড সুরকার হিসেবে তার নাম যুক্ত হয়। যেগুলোর প্রতিবাদ হয়নি। নজরুল বলতেন তার গান তৈরি হয় সুরটা তার মাথায় আগে খেলা করে এবং সেই সুরের মাঝে তিনি বাণী সাজাতেন। নজরুলের এমন কথার গবেষণা নজরুল পরবর্তীরা কখনোই মূল্যায়ন করেনি। প্রণব রায় তো পুরো গানই মেরে দিয়ে নিজের নাম বসিয়ে চালিয়ে গেছেন সাথে আরো আরো গীতিকাররাও এ সুযোগের সদ্ব্যবহার রীতিমত করেছেন। এসব মূল্যায়ন করা হয়নি বলেই কনফিউসন তৈরি হয়েছে। এর একটা প্রধান কারণও এই যে কারা মূল্যায়ন করবে? মুসলমান সমাজে তো সুরের সাথে যুক্ততা ছিল না। নজরুলই তো মুসলমান সমাজকে সাংস্কৃতির পথ দেখাল যার ফলে সুর নিয়ে গবেষণা করা এ সমাজে হয়ে ওঠেনি। যার ফলে নজরুলের গানের ‘গায়কী’র বিশাল অঙ্গনে সুরের খেলা আয়ত্তে আসেনি। যাদের কথা বলা হয় যে এ গানের সুর অমুকে করেছেন। তখন সেই সুরকারের করা অন্য গীতিকারের গানগুলো আর নজরুলের যে গানে সুরের কথা বলা তা মিলিয়ে গভীরভাবে অনুসরণ করলে বুঝা যাবে গানটি নজরুলেরই সুর করা। কেউ গবেষণা করেনি। যাদের নাম এসেছে নজরুলের গানে সুর করেছে তাদেরই প্রতি দুর্বলতা এসেছে। মোট কথা আশেপাশে নজরুলের যারা ছিলেন রিহার্সাল রুমে তারা ছিলেন নজরুলের এ্যাসিসটেন্ট অর্থাৎ এ্যাসিসটেন্ট মিউজিক ডিরেক্টর। নজরুলের ঐ রিহার্সাল রুমে সকল সময় নানান শিল্পীদের উপস্থিত থাকত। একই সময় প্রত্যেকের জন্য গান লেখা ও সুর নজরুলের করতে হত। ব্যস্ততার মাঝে মূল সুরটা অমূক শিল্পীর জন্য ঠিক করে হারমনিয়মে তুলে এ্যসিসটেন্টদের কাউকে নজরুল নির্দেশ দিলে এই সুটা অমুকের জন্য তাকে তুলে দাও। প্রচুর ব্যস্ততার মাঝে হয়তো কোন কোন গান রেকর্ড করা হয়নি আর হঠাৎ করে নজরুলের অসুস্থতায় অসংখ্য গান রেকর্ড হতে পারেনি এবং এ্যসিসটেন্টরা এই সুযোগ ভালোভাবেই গ্রহণ করে নিজেদের নামেই ‘সুরকার’ হিসেবে রেকর্ডে লিখতে সহজ করে নেয়। বাণীর পরিবর্তন সুরের পরিবর্তন এরা এভাবে করেছেন এবং নিজেদের নাম বসিয়েছেন। এখানে অদ্বিতীয় নজরুল সঙ্গীত শিল্পী মানবেন্দ্র’র উক্তি প্রণিধানযোগ্য। তিনি বলেন, “আমি নাকি সুর বিকৃতি ঘটাচ্ছি। এটা ঠিক নয় ... “মালা গাঁথা শেষ না হতে তুমি এলে ঘরে’ নজরুলের বিখ্যাত গান। উনি নিজে সুর দিয়েছিলেন ‘পিলু বারোয়াঁ’ রাগে। কিন্তু পাটনা থেকে এক বৃদ্ধ ভদ্রলোক এসেছিলেন আমার কাছে। দেখালেন গানটি জমিরুদ্দিন খাঁ সাহেব ‘পরমেশ^রী’ রাগে গেয়ে ছিলেন। আমার পছন্দ হলো। ‘পরমেশ^রী’ রাগেই মনে হয় বৈঠকী মেজাজটা খোলে। জমিরুদ্দিন নজরুলের গুরু। আমি গানটি ‘পরমেশ^রী’ রাগেই গেয়েছি। এটিতো সুর বিকৃতির উদাহরণ।” নজরুলের অসাধারণ 

বিস্তৃত মহাসমুদ্রে সদ্য শুরু করা সংস্কৃত সমাজ বৈঠকী, গায়কী, শিল্পী স্বাধীনতার উদার ময়দানে বিচরণ করার মতো সাংস্কৃতিক অঙ্গন তৈরি হয়নি তখনো। অর্থাৎ নজরুলকে বুঝার মতো সাংস্কৃতিবানদের অভাব বিশাল একটা গ্যাপ তৈরি হয়, যা আজও লক্ষণীয়। আমরা সিম্পলি আধুনিক সরল গান বুঝার মানুষ। এখনো নজরুল সঙ্গীত শিল্পীদের বিশাল অংশ রাগ-রাগিনীর গানে তান জুড়তে অক্ষম আর নজরুলের গান রাগশ্রেয়ী। তান আসতেই পারে। আর তান যুক্ত হতে শুনলেই ‘গেল গেল’ চিৎকার শুরু করে সুরের অঙ্গনটাতে উচ্ছৃঙ্খলতা শুরু করে দেয়। এই গানে তান ছিল না অথচ তান এল কি করে? অর্থাৎ নজরুলের উপস্থিতি এমন অঞ্চলে হয়েছে যে স্থানে ‘নজরুল’কে গ্রহণ করার নজরুলের বিশালতাকে বরণ করার মতো মানসিকতার জন্ম হয়নিÑ এখনো এর অভাব লক্ষণীয়। সাধারণভাবে সাধারণ গানই বুঝা কঠিন সেখানে রাগাশ্রয়ীর বিশালতা কি করে হজম হবে? রয়েছে নজরুলের আশি-পঁচাশি ধরনের গান যার মধ্যে বিশালতা রয়েছে ‘প্রবর্তন’ প্রচলনের গান। নজরুলকে বুঝতে হলে রীতিমত শিক্ষিত হতে হবে। তার মানে এই নয় যে ডিগ্রিওয়ালা হতে হবে। অর্থাৎ নিজেকে নিষ্ঠার সুর জ্ঞানী হতে হবে। ‘প্রজাপতি প্রজাপতি’ বুঝতে হবে আবার ‘আজ বাদে কাল আসবে কিনা’, ‘শূন্য এ বুকে’, বুঝতে হবে, গজল, ঠুংরি, খ্যয়াল বুঝতে হবে দেশাত্মবোধকসহ ‘নজরুল’কে বুঝতে হবে। ‘নায়কী’ আবর্তের গান বুঝা সহজ কিন্তু নজরুলকে গ্রহণ করতে বুঝতে হবে সুর বৈচিত্র্য, গায়কী, শিল্পী স্বাধীনতা, বৈঠকীর সুর বিন্যাস। ‘নজরুল’কে বুঝতে হলে ‘ফাঁকিবাজী’ থেকে দূরে থাকতে হবে। 

নজরুল-এর আশেপাশে গ্রামোফোন কোম্পনীর রিহার্সাল রুমে যারা থাকতেন তাদের মধ্যে হাত সাফাই করে ‘নজরুল’ থেকে নিয়ে নেয়া, সহজ পদ্ধতিতে নিজের নামকে ‘নজরুল’নাম বাদ দিয়ে কি করে যুক্ত করবে সেই বিদ্যার মানসিকতা এদের মধ্যে কাজ করত বিধায় নজরুলের গানে বাণী পরিবর্তন করে এমন নি¤œমানে নজরুল উপস্থাপনা এদের কাছে সহজ হয়েছে যা নজরুল অনুরাগীদের কাছে বিশাল আঘাত স্বরূপ এমন বাণী পরিবর্তন কি জঘন্য অপরাধ নয়? নজরুল-ইন্সটিটিউট কর্তৃপক্ষর কাছে অনুরোধ করছি ১২৪৬ নং সঙ্গীতের ‘পাঠান্তর’ অংশটি পরবর্তী সংস্করণের থেকে বাদ রাখে। ইতিমধ্যেই বর্জন করা উচিত নয় কি? আর এটিতো পাঠান্তর পর্যায়ের নয়। (চলবে)

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ