শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

রাজধানীতে ‘অস্ত্র চোরাকারবারি’ গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার : অস্ত্র চোরাকারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে রাজধানীর মিরপুর থেকে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। সোমবার রাতে মো. হাফিজুর রহমান নামে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার সময় তার কাছ থেকে একটি পিস্তল, দুটি রিভলবার এবং একটি শ্যুটারগান উদ্ধার করা হয়।
গোয়েন্দা পুলিশে ঢাকা উত্তর বিভাগের উপ কমিশনার মশিউর রহমান গতকাল মঙ্গলবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “হাফিজুর রহমান তার সহযোগী মো. হাবিবুর রহমান বিশ্বাস ও জিল্লুরের মাধ্যমে বেনাপোল দিয়ে চোরাই পথে অবৈধ অস্ত্র ও গুলি আনত বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে।”
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, হাফিজুর রহমান এর আগে গরু ও মাদক চোরাকারবারে জড়িত ছিলেন। মাস সাতেক আগে তিনি অস্ত্রের কারবারে নামেন। ভারতের তৈরি অন্তত ২০টি অস্ত্র তিনি এর মধ্যে বাংলাদেশে এনে বিক্রি করেছেন। একজনের ‘চাহিদা অনুযায়ী’ সোমবারের চালানটি তিনি দেশে আনেন।
উপ কমিশনার মশিউর বলেন, এই চক্রটি বিহার থেকে কলকাতার অস্ত্র ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় অস্ত্র ও গুলি এনে গোপন স্থানে রাখে। পরে বাংলাদেশি অস্ত্র ব্যবসায়ীদের সাথে দর কষাকষি করে।“দর চূড়ান্ত হলে তারা কলকতার উত্তর চব্বিশ পরগনার আংরাইল সীমান্তবর্তী গ্রাম এবং বাংলাদেশের বেনাপোলে পুটখালী গ্রামের নদীর তীরে গোসল করার কৌশলে অস্ত্রের চালান নিয়ে বাংলাদেশে ঢোকে। পরে ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে দেয়।”
এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, চক্রটিকে দীর্ঘদিন অনুসরণ করার পর সোমবার রাত ১০টার পর মিরপুর মডেল থানাধীন কোরিয়া কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সামনে থেকে হাফিজকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছে চারটি অস্ত্রের সঙ্গে ১৭ রাউন্ড গুলিও পাওয়া যায়।
হাফিজ প্রতিটি অস্ত্র মোটামুটি ৩০ হাজার টাকায় কিনে সন্ত্রাসী ও জঙ্গিদের কাছে চড়া দামে বিক্রি করত জানিয়ে উপ কমিশনার মশিউর বলেন, “তার সাথে আরও কয়েকজন আছে, তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”অস্ত্রসহ গ্রেপ্তারের ঘটনায় হাফিজের বিরুদ্ধে মিরপুর মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ