শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

জৈন্তাপুরে গোল মরিচের উপর প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ

ছবিতে গোল মরিচের পরিচর্যা করতে দেখা যাচ্ছে।

জৈন্তাপুর সংবাদদাতা : বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে গোল মরিচ সহ বিভিন্ন মসলা আমরা আমদানী করে থাকি। বাংলাদেশের মধ্যে সিলেট সহ ১৩ উপজেলায় গোল মরিচ চাষ হচ্ছে। গোল মরিচকে মসলার রাজা বলা হয়। কফ, ঠান্ডা জনিত সমস্যা, ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি ব্যহত করে এবং ক্যান্সার প্রতিরোধ ও গ্যাষ্ঠিকের সমস্যা দূর করা সহ বিভিন্ন রোগের প্রতিষেধক হিসেবে গোল মরিচ বিশেষ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশ সরকার প্রতিবছর প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার মসলা আমদানী করে থাকে। বর্তমান সরকার মসলা জাতীয় দ্রব্য আমদানী কমাতে বিশেষ উদ্দ্যোগ গ্রহন করেছে।
১৯৬১সাল থেকে জৈন্তাপুর সাইট্রাস গরেষণা কেন্দ্র থেকে গোল মরিচের চাষ ও চারা উৎপাদন করে আসছে। বারি গোল মরিচ-১ অধিক ফলন হয়ে থাকে। সারা দেশে গোল মরিচের চারা বিতরণ পরিচর্যা বেগবান করতে মসলা জাতীয় ফসলের জোরদার শীর্ষক প্রকল্পের অর্থায়নে সাইট্রাস গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট জৈন্তাপুর সিলেটের আয়োজনে দিনব্যাপি প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ আলমগীর হোসেন। আমন্ত্রিত অতিথির বক্তব্য সরেজমিন গবেষণা বিভাগ সিলেটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শাহ লুৎফুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ প্রেক্ষিত ও আধুনিক উৎপাদন ও কর্মকৌশল প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ইতিপূর্বে জৈন্তিয়া গোল মরিচ নামে বাংলাদেশ পরিচিত ছিল। আধুনিক গবেষণার মাধ্যমে জৈন্তিয়া গোল মরিচ কে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বর্তমানে বারি-১ গোল মরিচ হিসাবে নামকরন করা হয়েছে। মুলত জৈন্তাপুর সাইট্রাস গবেষণা কেন্দ্র জৈন্তাপুর সিলেট এই জাতের উদ্ভাবন করে।
বারি-গোল মরিচ-১ ফলের আধুনিক চাষাবাদ কলাকৌশল শীর্ষক দিন ব্যাপি কর্মশালা ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুর ১১টায় সাইট্রাস গবেষণা কেন্দ্রের প্রশিক্ষণ কক্ষে আয়োজিত কর্মশালায় জৈন্তাপুর সাইট্রাস গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মাহমুদুল ইসলাম নজরুলের সভাপতিত্বে ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ঝুটন চন্দ্র সরকারের সঞ্চালনায় বিশেষ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান হতে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জনকারী সহকারী বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এম.এইচ.বুরহান উদ্দিন, সহকারী বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ফয়সল আহমদ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ