শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

চট্টগ্রামে বাম গণতান্ত্রিক জোটের গণসমাবেশ

চট্টগ্রাম ব্যুরো: আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে মৌলিক কোনো পার্থক্য নেই মন্তব্য করে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবি’র কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম বলেছেন, ‘বাইরে আওয়ামী লীগ আর বিএনপি সরকারি দল আর বিরোধী দল, কিন্তু ভেতরে তারা এক। শেয়ার মার্কেট লুটের সময়, ব্যাংক লুটের সময় তারা একই দল। একসময় ছিল হাওয়া ভবনের লুটপাট, এখন হচ্ছে ক্যাসিনো লুট। গুলশান ক্লাব আর চট্টগ্রাম ক্লাবের ভেতরে তারা এক, বাইরে শুধু সরকারি দল আর বিরোধী দল।’ গত শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে নগরীর পুরাতন রেলস্টেশন চত্বরে আয়োজিত এক গণসমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। বুয়েট ছাত্র আবরার হত্যার দ্রুত বিচার ও শিক্ষাঙ্গনে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করা, ভারতের সঙ্গে অসম চুক্তি বাতিল এবং চলমান দু:শাসন রুখে দাঁড়ানোর দাবিতে এই গণসমাবেশ হয়েছে।
সমাবেশে বাম জোটের শীর্ষ নেতা শাহ আলম আওয়ামী লীগ-বিএনপি বাদ দিয়ে বাম গণতান্ত্রিক জোটের পতাকাতলে সমবেত হওয়ার জন্য দেশের জনগণের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘এরশাদের পতন হয়েছে ৩০ বছর। এরপর তো আওয়ামী লীগ-বিএনপিকে দেখেছেন। আর কত দেখবেন ? আওয়ামী লীগকে হটিয়ে বিএনপিকে আনলে কি হবে ? একই তো হবে। আওয়ামী লীগের জায়গায় বিএনপি আসলে আর বিএনপির জায়গায় আবার আওয়ামী লীগ আসলে তো সাধারণ মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হবে না। জনগণের মুক্তির জন্য গরীব-কৃষক-মেহনতি মানুষের দল বাম গণতান্ত্রিক জোটের পতাকাতলে আসতে হবে।’
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বজলুর রশীদ ফিরোজ, বাসদ (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় নেতা মানস নন্দী, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য আনছার আলী, সিপিবি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অশোক সাহা, বাসদ চট্টগ্রাম জেলার সমন্বয়কারী অপু দাশগুপ্ত, ছাত্রফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল কাদেরী জয়। গণসংহতি আন্দোলন, চট্টগ্রামের সমন্বয়ক হাসান মারুফ রুমির সভাপতিত্বে গণসমাবেশ পরিচালনা করেন বাসদ নেতা শফিউদ্দিন কবির আবিদ। গণসমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বামজোটের নেতাকর্মীরা নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ