শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

সীতাকুণ্ডে র‌্যাবের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ৩

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা : সীতাকুণ্ডে র‌্যাবের সাথে বন্দুক যুদ্ধে ৩ ডাকাত নিহত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ভোর রাতে উপজেলার কুমিরা বাইপাস মহাসড়কে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বন্দুকযুদ্ধে নিহত তিন ডাকাতের পরিচয় র‌্যাব অথবা পুলিশ জানাতে পারেনি।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার  ভোর রাতে ডাকাত দলের সদস্যরা কুমিরা এলাকায় গাড়ি ডাকাতি করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এই খবর জানতে পারে র‌্যাব-৭। এরপর র‌্যাবের দুটি টহল টিম ভোর রাতে অভিযান পরিচালনা করার সময় ডাকাত দলের সাথে বন্দুক যুদ্ধ শুরু হয়। এক পর্যায়ে তিন ডাকাত গুলীবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকে। সকালে সীতাকুণ্ড থানার পুলিশ লাশগুলো উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করে।
উল্লেখ্য, গত ১৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাতে ডা. শাহ আলম নিজ চেম্বার থেকে চট্টগ্রাম শহরে বাসায় ফেরার পথে সেইফলাইন গাড়িতে ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে। পরের দিন শুক্রবার সকালে কুমিরা বাইপাস এলাকা থেকে ডা. শাহ আলমের লাশটি উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করেন পুলিশ। এ বিষয়ে শনিবার নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় অজ্ঞাতনামা আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করে। বিষয়টি আমলে নিয়ে র‌্যাব-৭ ছায়া অভিযান শুরু করেন। এরপর অভিযুক্ত সেইফলাইন গাড়িটি উদ্ধার পরবর্তী চালক ফারুককে আটক করে। ফারুকের  ̄স্বীকারোক্তি মতে গত ২৩ অক্টোম্বর রাতেই ডা. শাহ আলম হত্যার মূল আসামী ডাকাত দলের প্রধান নজির আহমেদ সুমন ওরফে কালু ডাকাতকে ধরতে উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া এলাকায় গেলে ডাকাত দলের অপর সদস্য র‌্যাবকে গুলী করে। পরে গুলীবিনিময়ে ডাকাত দলের প্রধান কালু নিহত হন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সীতাকুণ্ড থানার ওসি তদন্ত মো. শামীম শেখ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “আমরা ঘটনাস্থল থেকে গুলীবিদ্ধ তিনটি লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ তিনটি চমেক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছি। তবে তিনটি লাশের পরিচয় এখনো পাইনি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে নিহত তিন ডাকাত ডাঃ শাহ আলম হত্যার সাথে জড়িত ছিল।”

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ