রবিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

এক দিনে প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে ৩০ টাকা

এইচ এম আকতার : আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কম হলেও নিয়ন্ত্রণহীন দেশের পেঁয়াজের দাম। খোলা বাজারে সরকার পেঁয়াজ ৪৫টাকা কেজি দরে বিক্রি করলেও ঝাঁঝ কমছে না। এক দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজি পেঁয়াজে দাম বেড়েছে ৩০ টাকা। মন্ত্রীর বক্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ক্রেতাসহ সাধারণ মানুষ। তাদের অভিযোগ মিশর এবং তুরস্কের পেঁয়াজ আসলে দাম হবে ৮০ টাকা- মন্ত্রীর এমন বক্তব্যের পরেই পেঁয়াজের বাজারে আগুন লেগেছে। ক্রেতারা বলছেন,সিন্ডিকেট ভাঙতে না পারলে পেঁয়াজের দাম কমবে না। উল্টো আরও বাড়বে।
 পেঁয়াজের দাম যে হারে বেড়েছে, তাতে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। এতে অস্বস্তিতে পড়েছে দেশের নিম্ম আয়ের মানুষ। তাদের দাবি এখন সমস্যা সমাধান করা না গেলে, ভবিষ্যতে বড় ধরনের সংকট দেখা দিবে।
এদিকে, পেঁয়াজ নিয়ে আশার বাণী শুনিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সি। তিনি বলছেন, পেঁয়াজের সংকট বেশি দিন থাকবে না, এই সংকট সমাধানে মিশর থেকে পেঁয়াজ আমাদানি করবে সরকার। তা বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
যদিও বাণিজ্যমন্ত্রীর এই আশার কথায় আশ্বাস্ত হতে পারছেন না সাধারণ মানুষ। তারা বলছেন, সমাধানের আশ্বাস দিয়ে বার বার দায় এড়িয়ে যাচ্ছেন বাণিজ্যমন্ত্রী। কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না।  তার বক্তব্যের পরেই দাম বেড়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। ভারতীয় পেঁয়াজ ১২০ টাকা ও মিয়ানমারের পেঁয়াজ ১১৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাড়তি দামে কেনার কারণেই দাম বেশি। ধানমন্ডির নতুন বাজার কাঁচা বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, সেখানে পাইকারি পেঁয়াজ ১৩০-১৩৫ টাকা দরে বিক্রি হলেও খুচরা বিক্রি হচ্ছে ১৪৫-১৫০ টাকা দরে।
এই মুহূর্তে আন্তর্জাতিক বাজারেও পিয়াজের দাম বেশ কম। আবার যেসব পেঁয়াজ দেশে আমদানি হচ্ছে সেগুলোর আমদানিমূল্যও কম। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে শিগগিরই রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। কিন্তু কোনভাবেই সরকার বাজার নিয়ন্ত্রন করতে পারছে না।
এদিকে, বাজারে কার্যকর নজরদারি নেই। খোলাবাজারে পেঁয়াজ বিক্রি করেও দাম কমাতে পারছে না সরকারি সংস্থা টিসিবি। অবশ্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দাবি, পেয়াজের বাড়তি দাম ঠেকাতে বেশ কিছু অভিযান পরিচালনা করেছে তারা। অন্তত দুই হাজার বিক্রেতাকে শাস্তি দিয়েছে তারা। কিন্তু এর পরও মিলছে না সুফল। অতিরিক্ত দামে পেঁয়াজ কিনতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে ভোক্তাসাধারণ।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, ভারত রপ্তানি বন্ধ করার পর পেয়াজের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। এরপর সরকারের তৎপরতায় মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে। এতে বাজারে সরবরাহ বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে নতুন করে দাম বাড়ার কোনো কারণ নেই। তা হলে বোঝা যাচ্ছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীই ইচ্ছা করে দাম বাড়াচ্ছেন। সরকারকে সেই জায়গায় নজরদারি করতে হবে। তারা মনে করেন, আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের কারসাজির কারণে বাজারে এমন অযৌক্তিক মূল্য অব্যাহত রয়েছে।
বাজারে দেখা গেছে, ভারত রপ্তানি বন্ধ করলেও মিয়ানমার ও মিসর থেকে আসছে পেঁয়াজ। এরপরও দাম কমছে না। উল্টো দফায় দফায় বাড়ছে। বৃষ্টির অজুহাতে শুক্র ও শনিবার দুই দফায় পেয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ৩০ টাকা পর্যন্ত। গতকাল মঙ্গলবার পাইকারি বাজারে দেশী পিয়াজের প্রতিকেজি ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকা বিক্রি হতে দেখা গেছে। খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, শ্যামবাজারের পাইকারি ব্যবসায়ীদের কারসাজির কারণে পেয়াজের দাম বাড়ছে।
এদিকে, চট্টগ্রামে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, আমি আশাবাদী এক সপ্তাহের মধ্যে মিশরের পেঁয়াজ চলে আসবে। যদি আসে তা হলে হয়তো আমরা ৮০ টাকার মধ্যে পেঁয়াজ সরবরাহ করতে পারবো। তবে কষ্টটা বোধ হয় আমাদের আরো একটা মাস করতে হবে। কারণ আমাদের নিজেদের পর্যাপ্ত পেঁয়াজ মজুদ নেই।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন,সরকারের কাছে কোন মজুদ নেই মন্ত্রীর এমন বক্তব্যে সুযোগ নিচ্ছে সিন্ডিকেট। আর এ কারনেই এক দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিতে ৩০ টাকা। এ দাম আরও বাড়তে পারে। এখন আমদানি করা আর দেশি পেঁয়াজের দাম প্রায় সমান।
ঢাকার বড় পাইকারি বাজার শ্যামবাজারে মিসর থেকে আসা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা, যা শুক্রবার ছিল ৮০-৯০ টাকার মধ্যে। শুক্রবারের আগে ছিল ৬০-৭০ টাকা কেজি। মিসরের পেয়াজের পাশাপাশি বেড়েছে দেশি ও ভারতীয় পেয়াজের দাম। দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকা, যা শুক্রবার ছিল ১০০-১১০ টাকা। শুক্রবারের আগে ছিল ৭৫-৮০ টাকা। শুক্রবারের আগে ৬০-৬৫ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া ভারতীয় পেয়াজের দাম বেড়ে হয়েছে ৮০-৮৫ টাকা।
 পেয়াজের আমদানিকারক ও শ্যামবাজার পেঁয়াজ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক  মো. মাজেদ বলেন, আমরা যত কথাই বলি, ভারতের পেঁয়াজ আমদানি শুরু না হলে দাম কমবে না। কারণ আমরা অন্যান্য দেশ থেকে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ পাচ্ছি না। আবার আমদানিও করতে হচ্ছে চড়া দামে।
তবে আরেক আমদানিকারক বলেন, বাজারে কিছু সমস্যা হচ্ছে। যেমন, মিসরের পেঁয়াজ আমদানিকারকরা ৮০-৮২ টাকার মধ্যে বিক্রি করছেন। সেটা খুচরা বাজারে ৯০ টাকা থাকার কথা। তবে এ পেঁয়াজও ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মিয়ানমারের পেঁয়াজ ১২৫-১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে আড়তে। অস্থিরতার বাজারে এ সুবিধা বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা নিচ্ছেন বলে মনে করেন তিনি। তার মতে, আগে দিনে ভারত থেকে সাড়ে ছয় হাজার টন পেঁয়াজ আসত। এখন সেখানে মিয়ানমার থেকে দিনে ২৫০-৩০০ টন পিয়াজ আসছে। অন্যান্য দেশ থেকে আরো কিছু পেঁয়াজ আসছে। তবে সেটা পর্যাপ্ত নয়।
 পেঁয়াজের দাম কেন কমছে না জানতে চাইলে আড়তের বিক্রেতা লোকমান হোসেন বলেন, পিঁয়াজ আমদানি কমে গেছে। দেশি পিয়াজের মজুদও কম। সব মিলিয়ে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম। যে কারণে দাম বাড়তি। আরেক আড়তদার বলেন, বাজারে যারা প্রভাব বিস্তার করছেন, তারা অনেক বড় ব্যবসায়ী। তাদের ধরা উচিত।
এদিকে, খুচরা বাজারে দেখা গেছে, প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৪৫-১৫গ টাকায়। তবে একদিনের ব্যবধানে কেজিতে ৩০ টাকা বেড়েছে আমদানি করা পেঁয়াজ। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত কয়েক দিনে মিয়ানমার থেকে যে পিয়াজ আমদানি হচ্ছে, সেগুলোর দাম পড়ছে প্রতি কেজি ৪২ টাকা। একই পেঁয়াজ খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায়। এর আগে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে ৭২ টাকা কেজি দরে। তাও গতকাল বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। মিসরের পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে ২৫ টাকা কেজি দরে,তাও গতকাল বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়।
আমদানি তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ২৯শে সেপ্টেম্বর ভারত সরকার কর্তৃক পেঁয়াজ রপ্তানি নিষিদ্ধ করা হলেও ৩০শে সেপ্টেম্বর থেকে ১৯শে অক্টোবর পর্যন্ত ২০ দিনে ভারত থেকে আমদানি হয়েছে ৮ হাজার ৫৬৮ টন পেঁয়াজ। এ সময়ে মিয়ানমার থেকে ১২ হাজার ৮৪৯ টন, মিসর থেকে ৫৬২ টন এবং চীন থেকে ৫২ টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। সব মিলিয়ে ২০ দিনে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে ২২ হাজার টন।
মগবাজার-মধুবাগ কাঁচাবাজারে দেখা গেছে, ওই বাজারে ৮ থেকে ১০ জন বিক্রেতা। তাদের মধ্যে ৫ জনের কাছে পেঁয়াজ আছে। আর বাকিদের কাছে পেঁয়াজ নেই। তাদের একজন জানালেন, ‘দাম বেশি, গ্রাহকরা ঝামেলা করে, তাই বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছি। পেঁয়াজ বিক্রেতা সুমন মিয়া বলেন, পাইকারি বাজারে পেয়াজের অভাব নাই। দামটা বেশি, এটাই সমস্যা।
গ্রাহকরা জানান, ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে দাম বাড়াচ্ছে। দাম যখন বেড়ে যায় তখনই সব দোকানদার একসঙ্গে বাড়ায়। এটা সম্ভব তখনই, যখন বিক্রেতারা একজোট থাকে। কাওরানবাজারে আসা মতিন বলেন, বাজারে সরকারের নজরদারি নেই বললেই চলে। নজরদারি হলে অন্তত দিনে দিনে দাম বাড়তে পারে না।
এদিকে, রাষ্ট্রায়ত্ত বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) খোলাবাজারে ৪৫ টাকা কেজি দরে পিয়াজ বিক্রি করছে। কিন্তু তাতেও বাজারে কোনো প্রভাব পড়ছে না। প্রতিষ্ঠানটি এখন ঢাকার ৩৫টি স্থানে ট্রাকে করে পেঁয়াজ বিক্রি করছে। প্রতিটি ট্রাকে প্রতিদিন ১ হাজার কেজি করে পেঁয়াজ বিক্রির জন্য দেয়া হচ্ছে বলে জানান টিসিবির তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির।
বাজার মনিটরিং প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, মজুদকারীদের বিরুদ্ধে শক্ত ব্যবস্থা নিচ্ছি। সমস্যাটা হচ্ছে হঠাৎ করে চাপ দিলে তারা বিগড়ে গেলে মানুষের কষ্ট আরো বাড়বে। এদিকে, চাপের কারণে কিছু পেঁয়াজ পচেও গেছে। আমরা বাজার মনিটরিং করতে যাই। কিন্তু কাউকে জেলখানায় নিয়ে ভরবো সেই রকম মানসিকতা নেই। আমরা তাদের প্রোঅ্যাকটিভ করতে চাই, বোঝাতে চাই। তাতে কিছু কাজ হয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা, সমস্যাটা আরো এক মাস থাকবে। মিশরের পেঁয়াজ ঢুকলে দাম কমে আসবে।
উল্লেখ্য, পেয়াজের বাজারের এ অস্থিরতার শুরু হয়েছিল ২৯শে সেপ্টেম্বর ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের ঘোষণার মধ্য দিয়ে। সে সময় পেয়াজের দাম কেজি ১৩০ টাকায় উঠেছিল। কিন্তু এটি আবার কমে ৭০-৯০ টাকার মধ্যে আসে। কিন্তু তা খুব বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। গতকাল তা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। এতে সাধারন মানুষ নানাভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে দেশের বেশ কয়েকটি বড় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মিসর ও তুরস্ক থেকে পেঁয়াজ আমদানি করছে। দুই-একদিনের মধ্যে এই দুই দেশ থেকে পেঁয়াজের বড় চালান দেশে পৌঁছবে। এছাড়া, নভেম্বরে উঠবে দেশের নতুন পেঁয়াজ। এসব পেঁয়াজ এসে পৌঁছলেই মূল্য কমে আসবে। সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ বকসী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, পেঁয়াজের সরবরাহ ও মূল্য স্বাভাবিক রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। মূল্য কম হওয়া ও সহজ পরিবহনের কারণে ভারত থেকে প্রয়োজনীয় পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। তবে, গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয় ভারত। এরপর মিয়ানমার থেকে এলসি ও বর্ডার ট্রেডের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরু করা হয়। পাশাপাশি মিসর ও তুরস্ক থেকেও এলসি’র মাধ্যমে পেঁয়াজ আমদানি শুরু করেন ব্যবসায়ীরা। সম্প্রতি মিয়ানমারও পেঁয়াজের মূল্য বাড়িয়েছে। এরও প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আমদানিকারকদের উৎসাহিত করতে পেঁয়াজ আমদানি ক্ষেত্রে এলসি মার্জিন এবং সুদের হার কমানোর পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। স্থল ও নৌ-বন্দরগুলোতে আমদানি পেঁয়াজ দ্রত ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খালাসের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। সে অনুযায়ী অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এলসির মাধ্যমে মিয়ানমার, মিসর ও তুরস্ক থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ বন্দরে খালাস করা হচ্ছে। এছাড়া মিয়ানমার থেকে বর্ডার ট্রেডের মাধ্যমে টেকনাফ বন্দর দিয়ে আমদানি করা পেঁয়াজসহ দেশের বিভিন্ন জেলার পাইকারি হাটে বিক্রি করা পেঁয়াজ দ্রত সারাদেশে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দুই-একদিনের মধ্যে আমদানি করা পেঁয়াজের বড় চালান দেশে পৌঁছাবে। আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। পেঁয়াজের মূল্য দ্রত স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলেও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ