বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

১২ ডিসেম্বরে নির্বাচন আহ্বান করলেন বরিস জনসন

২৫ অক্টোবর,  রয়টার্স : ব্রেক্সিটে অচলাবস্থা এড়াতে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ১২ ডিসেম্বরে সাধারণ নির্বাচন আহ্বান করেছেন। এমপি’রা এ নির্বাচন মেনে নিলেই কেবল তাদেরকে ব্রেক্সিট নিয়ে বিতর্কের জন্য সময় দেবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

বিবিসি কে জনসন বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ৩১ অক্টোবরে ব্রেক্সিটের সময়সীমা বাড়াবে বলেই ধারণা করছেন তিনি। যদিও তিনি সময় বাড়ানোর পক্ষপাতি না।

বিরোধীদল লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিনকে এক চিঠিতে জনসন বলেছেন, তিনি পার্লামেন্টকে ব্রেক্সিট চুক্তি অনুমোদনের জন্য আরো সময় দেবেন। কিন্তু এমপি’দেরকে এর জন্য ডিসেম্বরে আগাম নির্বাচন অনুষ্ঠানকে সমর্থন দিতে হবে।

আগামী সপ্তাহে পার্লামেন্টের ভোটেই এ প্রস্তাবে সমর্থন দেওয়ার জন্য লেবার পার্টিকে আহ্বান জানিয়েছেন জনসন।

তবে লেবার পার্টির বক্তব্য হচ্ছে, তারা নির্বাচনে সমর্থন দেবে কেবল তখনই যখন জনসনের চুক্তিহীন ব্রেক্সিট করার ঝুঁকিটা আর থাকবে না।

ইইউ নেতারা ব্রেক্সিটে তিনমাস দেরি করার সিদ্ধান্ত শুক্রবারই জানাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আর ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউজ অব কমন্সের নেতা জ্যাকব রেস মগ এমপি দেরকে বলেছেন, সরকার সোমবারই সাধারণ নির্বাচনের ডাক দিয়ে একটি প্রস্তাব পেশ করবে।

২০১১ সালের ফিক্সট-টার্ম পার্লামেন্ট অ্যাক্ট এর অধীনে নির্বাচন হওয়ার আগে দুই-তৃতীয়াংশ এমপি কে অবশ্যই নির্বাচনের পক্ষে ভোট দিতে হবে।

লেবার পার্টির নেতার কাছে লেখা চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী জনসন বলেছেন, তিনি খুব সল্প সময়ের জন্য- ১৫ বা ৩০ নভেম্বর- পর্যন্ত ব্রেক্সিট পিছাতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে তিনি চাইবেন লেবারের সমর্থন নিয়ে আবার পার্লামেন্টে তার ব্রেক্সিট চুক্তি পাস করানোর চেষ্টা নিতে।

ব্রেক্সিট নিয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে গত মঙ্গলবার আরেক দফা ধাক্কা খেয়েছেন জনসন। ওইদিন ব্রেক্সিট চুক্তির সর্বশেষ খসড়া নিয়ে আলোচনার জন্য তিনদিনের সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার জনসনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর হতাশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

এখন ইইউ নেতারা বিবেচনা করে দেখছেন ব্রেক্সিটের সময় ৩১ অক্টোবর থেকে পিছিয়ে দেওয়া যায় কিনা বা সময় কতদিন বাড়ানো যায় সেটি। কিন্তু সময় বাড়লে বড়দিনের আগেই সাধারণ নির্বাচন ডাকার ঘোষণা জনসন আগেই দিয়েছিলেন।

 বিচারমন্ত্রী রবার্ট বাকল্যান্ডও বিবিসি ব্রেকফাস্ট টিভি প্রোগ্রামে বলেছিলেনন, সাধারণ নির্বাচনই এ অচলাবস্থা থেকে বের হওয়ার একমাত্র উপায় বলে মনে করছেন তিনি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ