বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

ভোলার হত্যাকাণ্ড নিয়ে টালবাহানা সহ্য করা হবে না ---চরমোনাই

স্টাফ রিপোর্টার: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনুছ আহমাদ বলেন, ভোলায় তাওহীদি জনতার উপর হত্যাকাণ্ডের বিচার না হলে বিচারহীন হত্যাকাণ্ড চলতেই থাকবে । দ্রুত হত্যাকারী প্রশাসনের বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং তাওহীদি জনতার বিরুদ্ধে অজ্ঞাতনামা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে । তা না হলে জনতার আন্দোলন চলবেই।

গতকাল শুক্রবার বাদ জুমা বাইতুল মোকাররম উত্তরগেটে ভোলার হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ ও রাসূল সা. কে কটূক্তিকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ইসলামী যুব আন্দোলন ঢাকা মহানগের উদ্যোগে আয়োজিত নগর দ. সভাপতি মানসুর আহমদ সাকীর সভাপতিত্বে বিক্ষোভ পূর্বক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন ।

 এসময় আরও বক্তব্য রাখেন , ইসলামী যুব আন্দোলনের সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা নেছার উদ্দীন , ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী , ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা শেখ নুর-উন-নবী, হোসাইন মো. কাওছার বাঙালি , মাহবুব আলম , মোহাম্মাদ ইলিয়াস হাসান , মল্লিক ইশতিয়াক মো. আল-আমিন , মুফতি শরীফুল ইসলাম , নগর উত্তর সভাপতি মুফতি আবু তালহা প্রমুখ । 

অধ্যক্ষ ইউনুছ বলেন, আমরা বারবার রাজপথে আন্দোলন চাইনা। তাই ধর্ম অবমাননাকরীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের আইন পাশ করতে হবে। ভোলায় তাওহীদি জনতার উপর হত্যাকা-ের বিচার না হলে বিচারহীন হত্যাকাণ্ড চলতেই থাকবে । দ্রুত হত্যাকারী প্রশাসনের বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং তাওহীদি জনতার বিরুদ্ধে অজ্ঞাতনামা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে । তা না হলে জনতার আন্দোলন চলবেই।

তিনি আরও বলেন,অতীতেও এভাবে তৌহিদি জনতার ওপর হামলা হয়েছে। কিন্তু তার কোন বিচার হয়নি। আর বিচার না হওয়ার কারণেই এভাবে মুসলমানদের ওপর গুলী চালানো হয়েছে। আমাদের রাসুলকে(সাঃ) নানা ভাবে কটূক্তি করা হয়েছে। অথচ এর প্রতিবাদে মুসলমানরা বিক্ষোভ করতে পারে না।  কোন কারণ ছাড়াই তাদের ওপর গুলী চালানো হয়েছে। এজন্য প্রশাসকে জবাব দিতে হবে। এবং তাদেরকে আইনের অধীনে আনতে হবে।

কে এম আতিকুর রহমান বলেন, হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা ও গুলীবিদ্ধদের সুচিকিৎসা এবং ক্ষতিপূরণ দিতে হবে । তা না হলে পীর সাহেব চরমোনাইর নিতেৃত্বে যুব সমাজ কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবে ইনশাআল্লাহ ।

ইমতিয়াজ আলম বলেন, হত্যাকা-ের পর সরকার প্রধান যে বক্তব্য দিয়েছে তাতে তাওহীদি জনতার বিপরীতে দাড়িয়ে তিনি হত্যাকারী ও নবীর দুষমনদের পক্ষালম্বন করেছেন । তিনি কটুক্তিকারিকে না ধরে উল্টো প্রশাসনের লোক দিয়ে তৌহিদি জনতার ওপর গুলী চালিয়েছেন। এটি কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ