মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

মঙ্গলে প্রাণের খোঁজ করেছে নাসা

১১ অক্টোবর, আনন্দবাজার পত্রিকা : মহাকাশযান কিউরিওসিটির তোলা ছবি ও ভিডিওতে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার চওড়া প্রাচীন এক হ্রদের প্রমাণ মিলেছে। লাল গ্রহ মঙ্গলে পানির অস্তিত্বের অনুমানের সপক্ষে আবারও প্রমাণ নিয়ে হাজির মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা। তারা বলছে, প্রায় ৩৫০ কোটি বছর আগে সেখানে জলাশয় ছিলো। শুকিয়ে যাওয়া সেই হ্রদের পাশে পাওয়া গেছে খনিজ লবণের পাহাড়ের অস্তিত্বও। 

এ বছরের অক্টোবরের শুরু থেকে ফের মঙ্গলে প্রাণের খোঁজ শুরু করেছে নাসা। রোভার কিউরিওসিটির ক্যামেরায় ধরা পড়া পাহাড়টির উচ্চতা প্রায় ৫০০ ফুট। বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস, খনিজ লবণের ওই পাহাড়ের খাঁজে এখনও রয়েছে প্রচুর পানি। গেইল ক্রেটার এলাকায় ওই পাহাড়ের পাশেই থাকা হ্রদটি ছিলো দক্ষিণ আমেরিকার আল্টিপ্ল্যানোতে অবস্থিত লবণাক্ত কুইসকুইরো হ্রদের মতো। নাসার বিজ্ঞানীদের গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে নেচার জিওসায়েন্স-এ।

নাসার কিউরিওসিটি মিশনের প্রজেক্ট সায়েন্টিস্ট অশ্বিন ভাসাভাড়া বলেন, মঙ্গলের এই সুপ্রাচীন হ্রদটি সময়ের সঙ্গে বারবার শুকিয়ে যায়। তারপর আবার সেটি স্বচ্ছ পানিতে ভরে ওঠে। ক্রেটারের ওই এলাকা ছিলো অত্যন্ত রুক্ষ। হ্রদটি ছিলো সেখানে মরূদ্যানের মতো। হ্রদের লবণাক্ত পানি শুকিয়ে যাওয়ার পরই তৈরি হয়েছিলো লবণের পাহাড়। আমাদের মাউন্ট এভারেস্টের মতোই মঙ্গলের গেইল ক্রেটার এলাকায় রয়েছে সুউচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট শার্প।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ