বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

বিপ টেস্টে ইমরুল-আল আমিন পাস অপেক্ষায় রাজ্জাক-আশরাফুলরা

স্পোর্টস রিপোর্টার : দ্বিতীয় দফায় ফিটনেস টেস্টে ১১ পেয়ে পাশ করেছেন জাতীয় দলের ওপেনার ইমরুল কায়েস ও জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া পেসার আল আমিন হোসেন। তবে অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে মোহাম্মদ আশরাফুল, আব্দুর রাজ্জাক ও নাসির হোসেনকে। জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) ২০১৯-২০২০ কে সামনে রেখে প্রথম দফার ফিটনেস পরীক্ষায় পাশ করেননি আব্দুর রাজ্জাক, নাসির হোসেন, আল আমিন হোসেন ও মোহাম্মদ আশরাফুলের মতো ঘরোয়া ক্রিকেটের নিয়মিত পারফর্মাররা। ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে বিপ টেস্টে বিসিবি’র বেধে দেওয়া পাশ মার্ক ছিল ১১। মোহাম্মদ আশরাফুল  সেখানে পেয়েছিলেন ৯.৭ ও আব্দুর রাজ্জাকের মার্ক ছিল ৯.৬। আর নাসির হোসেনের পুঁজি ছিল মাত্র ৯.২। কিন্তু অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে  মোহাম্মদ আশরাফুল, আব্দুর রাজ্জাক ও নাসির হোসেনকে। বিপ টেস্টে আশরাফুল পেয়েছেন ১০.৩। আব্দুর রাজ্জাক ও নাসির হোসেনের নম্বরও আশরাফুলের কাছাকাছি। টুর্নামেন্টে খেলতে এই ত্রয়ীকে নির্বাচক মন্ডলীর বিশেষ সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে। তবে নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন যে ইঙ্গিত দিলেন তাতে এই তিন জন উতরে যাবেন। এর পেছনে কারণ হলো, তারা সবাই ঘরোয়া ক্রিকেটের নিয়মিত পারফর্মার। পক্ষান্তরে যারা নিয়মিত পারফর্মার নন এবং দ্বিতীয় দফার বিপ টেস্টেও ১১ পাননি তাদের আসলে নির্বাচকদের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে থাকা ছাড়া  কোনো পথই খোলা নেই। গতকাল যারা যারা বিপ টেস্ট দিয়েছেন এবং পাশ নম্বর পাননি তাদের নম্বর শিট নিয়ে আজ এক সভায় বসবে বিসিবি’র নির্বাচক প্যানেল। সেই সভায় যদি তারা একমত হতে পারেন যে তাদের খেলতে দেওয়া উচিত তবেই তারা ১০ অক্টোবর থেকে অনুষ্ঠেয় লঙ্গার ভার্সনের এই ক্রিকেট খেলতে পারবেন। নির্বাচক হাবিবুর বাশার সুমন বলেন, ‘ওদের সবার নম্বরই হাতে পেয়েছি। আগের চাইতে ভালো করেছে। আমরা কালকে সিদ্ধান্তে নেব যে কাকে খেলাবো আর বিশ্রাম  দেব। তবে এটা ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হবে। আশরাফুল, নাসির, রাজ্জাকের সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় ফিটনেস টেস্ট দিয়েছেন ইমরুল কায়েস, আল আমিন হোসেন, সোহাগ গাজীর মতো পারফর্মাররাও। এদের মধ্যে ইমরুল ও আল আমিন ১১ পেয়ে ফিটনেস পরীক্ষায় উতরে গেছেন। আশানুরূপ স্কোর করতে না পারায় আটকে আছেন কেবল সোহাগ গাজী। তবে বিসিবির ফিটনেস ট্রেনার তুষার কান্তির দেওয়া তথ্য মতে, যারা দ্বিতীয় দফায়ও ১১ পাননি তাদের দুশ্চিন্তার কারণ নেই। আবারও তাদের ফিটনেস পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ আছে। পাঁচদিনের ব্যবধানে তাদের ফিটনেসে উন্নতি হয়েছে, এমনটাই দাবী বিসিবির ট্রেনার বিসিবি ট্রেনার তুষার কান্তি হাওলাদারের,‘আজ (গতকাল) ৩০/৩৫ জনের মতো বিপ  টেস্ট দিয়েছে। আগেরবার বিপ টেস্টে দেওয়া অনেকেই উন্নতি করেছে। তবে মানদণ্ড অনেকেই পূরণ করতে পারেনি। তাদের জন্য হয়তো জাতীয় দলের নির্বাচকরা চিন্তা করবেন। তাদের বয়স ও পারফরম্যান্স বিবেচনা করা যায় কিনা।’ বিশেষ বিবেচনায় রাজ্জাক এবার খেলার অনুমতি পেলেও পারফরম্যান্স মূল্যায়নের তাগিদ দিয়েছেন। তিনি বলেন,‘সবার আগে পারফরম্যান্স। আমার মনে হয় পারফরম্যান্স বিবেচনা করা উচিত সবার আগে। একজন ভালো খেলছে, ভালো আছে তখন তার জন্য বিশেষ বিবেচনা করা উচিত। তবে বিশেষ বিবেচনার মানে এই না যে ফিটনেস টেস্টের স্কোর খুব বাজে হবে। অবশ্যই একটা লেভেলে থাকতে হবে। নয়তো ছাড় পাওয়া যাবে না। আমার বিশ্বাস ওনারাও সেই ছাড় দেবেন না।’ পাশাপাশি ফিটনেসের প্রক্রিয়া গুছিয়ে আনার পরামর্শ তার,‘ফিট থাকার দরকার আছে।  খেলতে হলে ফিটনেস লাগবেই। পারফরম্যান্সের আগে ফিটনেস বলা ভুল হবে। 

যদি  খেলতে হয় তাহলে পারফর্ম করতেই হবে। ফিট না থাকলে পারফর্ম করতে পারবেন না। জাতীয় দলে যারা খেলছে এবং যারা খেলার জন্য পাইপলাইনে আছে তাদের জন্য ফিটনেস টেস্টটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। যারা পাইপলাইনে আছে আগের থেকে ফিটনেস টেস্টে সচেতন থাকলে ভালো। কারণ জাতীয় দলে ঢুকে ফিটনেস নিয়ে কাজ করার মতো পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায় না।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ