মঙ্গলবার ১৯ জানুয়ারি ২০২১
Online Edition

ধর্মীয় চেতনার ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের ডাকসুর প্রস্তাব ধর্মহীন নাস্তিক্যবাদকে উসকে দিবে -মুসলিম ছাত্র লীগ

তদানীন্তন পূর্ব বাংলার পশ্চাৎপদ ও শিক্ষা বঞ্চিত মুসলমান জনগোষ্ঠীর উচ্চ শিক্ষায় নবাব সলিমুল্লাহ বর্ণবাদী হিন্দুদের প্রচণ্ড বিরোধিতা সত্ত্বেও শত শত বিঘা জমিদান করে যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সে বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে ধর্মীয় চেতনাভিত্তিক ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব গ্রহণ করার মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ও গৌরবকে উদ্দেশ্যমূলক ভাবে ধ্বংস করার সুগভীর চক্রান্ত করা হচ্ছে বলে দেশের ছাত্র সমাজের কাছে অনুভূত হচ্ছে। গতকাল সোমবার বাংলাদেশ মুসলিম লীগের ছাত্র সংগঠন, মুসলিম ছাত্রলীগের আহ্বায়ক এস.এইচ খান আসাদের সভাপতিত্বে সংগঠনের পল্টনস্থ কার্যালয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মীয় চেতনার ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের প্রতিবাদে আয়োজিত এক সভায় নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত মন্তব্য করেন। আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক নূরে আলম ও শফিকুল ইসলাম, কাওছার আহমেদ, নুরুজ্জামান, আবদুর রহমান প্রমুখ। নেতৃবৃন্দ বলেন, ডাকসু কর্তৃক ধর্মীয় চেতনার ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের প্রচেষ্টা ধর্মহীন নাস্তিক্যবাদকে উস্কে দেয়া ছাড়া আর কোন কল্যাণ বয়ে আনতে পারবে না। ঢাবির স্বপ্নদ্রষ্টা নবাব স্যার সলিমুল্লাহর মৃত্যুর পর বাংলার অবহেলিত মুসলমান ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চ শিক্ষার পথ সুগম করতে নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী, শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হকদের মত মুসলিম জাতিসত্তায় বিশ্বাসী নেতৃবৃন্দের জান-মাল বাজি রেখে প্রতিষ্ঠা করা বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মীয় চেতনার ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের অপচেষ্টার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও ধিক্কার জানাচ্ছে বাংলাদেশ মুসলিম ছাত্রলীগ।
নেতৃবৃন্দ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান কর্তৃক গত ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ তাজউদ্দীন সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত এক যৌথ সভায় জয় হিন্দ বলে বক্তব্য শেষ করায় তীব্র নিন্দা ও অবিলম্বে তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়ার জোর দাবী জানিয়ে বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের একজন দায়িত্বপূর্ণ নাগরিক হয়ে যিনি এধরনের বিজাতীয় শ্লোগান দিয়ে দেশের স্বাধীনতাকে অবমাননা করতে পারেন তার এরকম গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল থাকার কোন অধিকার নেই, বরং রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে তার বিচার হওয়া উচিত। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ