বুধবার ২০ জানুয়ারি ২০২১
Online Edition

চাকরি স্থায়ীর দাবিতে ২৩ দিন ধরে অবস্থান বিআরডিবি’র কর্মচারীরা

স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (বি আরডিবি) ১৫টি প্রকল্প/কর্মসূচির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চাকরি স্থায়ী করার দাবিতে ২৩ দিন ধরে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে লাগাতার এ অবস্থান কর্মসূচি চলছে। চাকরি স্থায়ী ছাড়াও শতভাগ বেতন-ভাতা এবং বঙ্গবন্ধু পল্লী উন্নয়ন অধিদফতর’র দাবিতেও তারা এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। রাজধানীর কারওয়ানবাজারে অবস্থিত পল্লী ভবনের সামনে তারা এ কর্মসূচি পালন করছেন বিআরডিবি প্রকল্প কর্মকর্তা-কর্মচারি ঐক্য পরিষদ।
গতকাল সোমবার দুপুরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, পল্লী ভবনের সামনে ও ভবনের ভেতরে অর্ধশতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী অবস্থান করছেন। উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম, শারমিন সুলতানা, আব্দুল ওয়াহেদ, কানিজ ফাতেমা, মুজাম্মেল হোসেন, ফারজানা ইসলাম প্রমুখ।
আন্দোলনকারীরা বলছেন, বি আরডিবির ১৫টি প্রকল্প/কর্মসূচির আওতায় প্রায় ৮ হাজার জনবল রয়েছে। বি আরডিবি উদ্ভাবিত নীতি আয় থেকে দায় অর্থাৎ দারিদ্র্য বিমোচনে ক্ষুদ্র ঋণের সুদ থেকে আয় করে বেতন-ভাতা পদ্ধতি, প্রকল্প/কর্মসূচির নাম পরিবর্তন করে বা পর্যায় পরিবর্তন করে চাকরির ধারাবাহিকতা ক্ষুণœ করা এবং অনুমোদিত ডিপিপির (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা) বিধান মোতাবেক বি আরডিবির মূল বেতন কাঠামোতে বা রাজস্ব বাজেটে স্থানান্তর না করে চাকরির অনিশ্চয়তা তৈরি করা হয়েছে। তাই কেউ কেউ ২৬/২৭ বছর চাকরি করেও জীবন-জীবিকায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তারা আরও বলেন, মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) বি আরডিবির একক অবদান ১ দশমিক ৯৩ শতাংশ।
বিআরডিবি প্রকল্প কর্মকর্তা-কর্মচারি ঐক্য পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, বি আরডিবির বাস্তবায়নধীন ১৯৯৭ সালের পূর্ব গৃহীত প্রকল্প প্রায় ৮ হাজার জনবল রয়েছে। যারা মাসের পর মাস বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না।
তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছিলাম। এটা বঙ্গবন্ধুর নিজ হাতে গড়া প্রকল্প। ইতোমধ্যে আমরা ১৫টি প্রকল্পের কাজ শেষ করেছি। আমাদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল একটি প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর পূর্ণাঙ্গ বেতন ও চাকরি স্থায়ী করা হবে কিন্তু আজও তা করা হয়নি। বরং এর বিপরীতে আমরা প্রায় ২ বছর ধরে কোনো পূর্ণাঙ্গ বেতন-বোনাস পাইনি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ