শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

দুই ঈদ যাত্রায় দুর্ঘটনায় নিহত ৫২০॥ আহত ১৪৭০ জন

ঈদ যাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনার প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করে যাত্রী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার: চলতি বছরের ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার ঈদ যাত্রায় দুর্ঘটনায় ৫২০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে এক হাজার ৪৭০ জন। ঈদ যাত্রায় সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে সড়ক পথে।
গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে যাত্রী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ আয়োজিত ঈদুল আযহার দুর্ঘটনার প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ব্রিগেডিয়ার  জেনারেল (অব.) জি এম কামরুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন যাত্রী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের মোখলেসুর রহমান, ডি এম তায়েব, বুয়েটের সহকারী অধ্যাপক সাইফুন নেওয়াজ প্রমুখ।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, পবিত্র ঈদুল আযহার ঈদ যাত্রা শুরু হয় ৬ আগস্ট থেকে। কর্মস্থলে ফেরা শেষ হয় ১৮ আগস্ট। এ সময়ে ১৩ দিনে সড়ক, রেল ও নৌ পথে ২৫০টি দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটে। এতে নিহত হয়েছে ২৯৯ জন যাত্রী। আহত হয়েছে ৮১৮ জন। এর মধ্যে সড়ক পথে ১৯৯ টি দুর্ঘটনায় ২৫৩ জন নিহত ও ৭৬৫ জন আহত হয়েছে। নৌপথে ২১টি দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত, ৫১ জন নিখোঁজ ও ২৩ জন আহত হয়েছে। এ সময়ে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত হয়েছে ৩০ জন।
এর আগে পবিত্র ঈদুল ফিতরে যাত্রায় ১৮৫টি সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটে। এতে ২২১ জন নিহত হয়। আহত হয় ৬৫২ জন। ওই সময়ে নৌ-পথে নিহত হয় ৪ জন। ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত হয়েছিল ২২ জন। সে হিসাবে ঈদুল ফিতরের তুলনায় ঈদুল আযহায় দুর্ঘটনা, নিহত ও আহতের সংখ্যা সবই বেড়েছে।
যাত্রী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়, যানবাহনের অতিরিক্ত গতি, ওভারটেকিংয়ের মানসিকতা, নগর পরিবহনের ফিটনেসবিহীন বাস দূরবর্তী রুটে চলাচল, বৈধ ও দক্ষ চালক সংকট, নির্ঘুম অবস্থায় বিরামহীন গাড়ী চালানোসহ বেশকিছু কারণ তুলে ধরা হয়।
একই সাথে দুর্ঘটনা রোধে কিছু সুপারিশ তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহন, চালকদের সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান, চালকদের বিশ্রাম ও কর্মঘন্টার নির্দেশের বাস্তবায়ন, হালকা গাড়ি চালানোর লাইসেন্স নিয়ে ভারি গাড়ি চালানো, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, ঈদ যাত্রায় মনিটরিং ব্যবস্থা বৃদ্ধি, সকল টিকিটের সাথে বিমা ব্যবস্থা চালু করাসহ ১৭টি সুপারিশ করা হয়।   

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ