সোমবার ০৩ আগস্ট ২০২০
Online Edition

সারাদেশে ডেঙ্গু রোগী ৫৩ হাজার ১৮২ জন

# নোয়াখালী এবং সিরাজগঞ্জে ২ জনের মৃত্যু  # সচিবালয়ের ক্লিনিকেও ডেঙ্গু মশার লার্ভা
ইবরাহীম খলিল : ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৭০৬ জন রোগী। এই হিসাব গতকাল শনিবার সকাল আটটা থেকে রোববার বিকেল পর্যন্ত। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সর্বশেষ তথ্য এটি।
নিয়ন্ত্রণকক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত জানুয়ারি থেকে গতকাল রোববার পর্যন্ত হাসপাতালগুলোতে সর্বমোট ডেঙ্গু আক্রান্ত ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৫৩ হাজার ১৮২ জন। তার মধ্যে চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র নিয়ে চলে গেছে ৪৫ হাজার ৯৭৪ জন। সরকারী হিসেব মতে এখন পর্যন্ত এ রোগে মারা গেছে ৪০ জন। মিডিয়াতে আসা খবর অনুযায়ী এই সংখ্যা কয়েকগুণ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, সারাদেশের হাসপাতালগুলোতে ৭ হাজার ১৬৮ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৩ হাজার ৬৬৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন আক্রান্ত ১ হাজার ৭০৬ জন ডেঙ্গু রোগীর মধ্যে শুধু ঢাকা শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭৩৪ জন।
ডেঙ্গু রোগের বিস্তারের মধ্যেও এর বাহক এডিস ইজিপ্টি মশার সম্ভাব্য বেশ কিছু প্রজননক্ষেত্র এখনো অরক্ষিত পড়ে আছে। এডিসের প্রজননক্ষেত্রে ধ্বংসে অভিযানের মধ্যেও সম্ভাব্য এসব আস্তানা পরিচ্ছন্ন করার কোনো উদ্যোগ নেই। এরই মধ্যে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা ৫৩ হাজার ছাড়িয়েছে। গত ২০ দিন ধরে প্রতিদিনই রোগীর সংখ্যা রেকর্ড হচ্ছে। মৃতের সংখ্যাও গণমাধ্যমের হিসাবে একশ ছাড়িয়েছে। 
এই পরিস্থিতিতে এডিস মশা নির্মূলে এর লার্ভা ধ্বংসের ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ কীটতত্ত্ববিদরা। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের প্রধান কীটতত্ত্ববিদ ভুপেন্দর নাগপাল ঢাকায় এক সেমিনার করে বাড়িঘরের পাশাপাশি বাইরের বেশ কিছু সম্ভাব্য প্রজনন স্থলের কথা বলে গেছেন।
গতকাল রোববার নোয়াখালীতে ডেঙ্গুতে আরেক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে নোয়াখালীতে সরকারি হিসেবে দুই হলেও বেসরকারিভাবে তিনজন মারা গেছেন। মৃত যুবকের নাম নাজিম উদ্দিন। তার বাড়ি জেলার বেগমগঞ্জের চৌমুহনী পৌর এলাকার ৫নং ওয়ার্ডের গনিপুর গ্রামে। রোববার বিকেলে পারবিারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে। নাজিম ওই গ্রামের মনির মিয়ার বাড়ির রুহুল আমিনের ছেলে। তিনি ঢাকা-নোয়াখালী রুটের হিমাচল পরিবহনে সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
নাজিমের চাচা সহিদ উদ্দিন জানান, বেশ কয়েকদিন যাবত গায়ে জ্বর নিয়ে নাজিম হিমাচল পরিবহনে কাজ করে। শনিবার ছুটিতে জ্বর নিয়ে বাড়িতে এসে মাকে বলে তার শরীর ব্যথা ও জ্বর। এক পর্যায়ে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তাকে দ্রুত স্থানীয় বেসরকারি রাবেয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করালে তার ডেঙ্গু ধরা পড়ে এবং রক্তে প্লাটিনাম কমে যাওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার বেসরকারি ইউনিভার্সাল হাসপাতালে রাত ১১টার দিকে ভর্তি করানো হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিউতে নেয়ার পর সেখানে ভোর রাত ৪টা ৪৫ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।
একইদিনে সিরাজগঞ্জে ডেঙ্গুজ¦রে আক্রান্ত হয়ে মেহেদী হাসান তালুকদার (১৮) নামে এক কলেজছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার রাত সোয়া ১০টার দিকে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। কামারখন্দ উপজেলার হালুয়াকান্দি গ্রামের আমিরুল ইসলামের ছেলে নিহত মেহেদী হাসান চলতি বছর হাজী করপ আলী ডিগ্রী কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেছেন। হাসপাতালের আরএমও ডা. ফরিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরও বলেন, ঈদের দিন মেডিকেল পরীক্ষার পর ডেঙ্গু রোগ ধরা পড়ে মেহেদী হাসানের। এরপর ১৪ই আগষ্ট তিনি বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। গতরাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হঠাৎ তিনি রাতে মারা যান।
সচিবালয়ে ক্লিনিকে ডেঙ্গুর লার্ভা 
সচিবালয়ের ৯ নম্বর ভবনের ক্লিনিকে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা শাহ আলম। তিনি গণ মাধ্যমে পাঠানো এক মেইলে জানিয়েছেন তার অভিজ্ঞতা কথা। তিনি জানান, জ্বর, পাতলা পায়খানা ও শরীর ব্যথার চিকিৎসার জন্য কর্মস্থল বাংলাদেশ সচিবালয়ের ৯ নম্বর ভবনের ক্লিনিকে গেলাম। সাথে ছিল ছোটমেয়েও, তার চোখের সমস্যা। তার চশমা পরিবর্তনের জন্য ডাক্তার পরামর্শ লিখে দেয়ার পর আমি নিজের চিকিৎসার জন্য ৭ নং কক্ষে সিরিয়ালে দাঁড়ালাম।
চেয়ারে বসতে গেলে দেখি পাশের চেয়ারে একটি খালি বালতি। ক্লিনিকের একজন কর্মচারী এসে চেয়ারে বসতে মানা করলেন এবং আরেকটা চেয়ারে জমা কিছু পানির ঢাকনা খুললেন। তার ও লোকজনের কথাবার্তায় বুঝলাম, সেই পানিতে এডিস মশার লার্ভা আছে।
তখন চেয়ারের ওপরে দেয়ালে তাকিয়ে একটি পানির ফিল্টার আবিস্কার করলাম। ৭ নং রুমের একজন ডাক্তার এসিআই এরোসেল নিয়ে সেই পানিতে অনেকবার স্প্রে করতে-করতে বলতে থাকেন, ‘দেখি মরে কি না?’
আমি তখন অতি উৎসাহী হয়ে পানির দিকে তাকিয়ে দেখি, অনেকগুলো লার্ভা লাফাচ্ছে। আমিও জীবনে এডিসের লার্ভা দেখিনি। বাসীপানিতে যেমন পোকা হয় এবং তিড়িংবিড়িং লাফায়, দেখতে তেমনই। আমি ডাক্তারকে বললাম, ‘এই অ্যারোসোল তো আমিও ব্যবহার করি, তাই আমিও দেখতে চাই লার্ভা মরে কি না।’ মেয়েকেও ডেকে এনে দেখালাম এবং ফিল্টারের নিচে জমা পানি থেকে সাবধান করলাম।
আমার ডাক পড়ায় ডাক্তারের চেম্বারে ঢোকার কিছুক্ষণ পর স্প্রেকারী ডাক্তারও সেই চেম্বারে এসে বসলেন। তারা দুজন ডাক্তার একই চেম্বারে বসেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, লার্ভাগুলো কি মরল? ‘নাহ’, তিনি হতাশার সুরে বললেন। ‘তাহলে কী করলেন?’- জিজ্ঞেস করলাম। অ্যারোসোলে না মরায় আমরাই মেরে ফেললাম।
কীভাবে মারলেন বলেন তো, আমরাও পেলে যাতে মারতে পারি। ‘কাগজ দিয়ে ঘষেই মেরেছি’ পাশের আরেকজন রোগী বললেন, পানিতে লার্ভা বেড়ে উঠলেও এভাবে মারলেও মরে না। আপাত মৃত লার্ভা ১০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে তাপ দিলেই শুধু মরে। তখন সেই ডাক্তার আমার ব্যবস্থাপত্র লিখতে ব্যস্ত ডাক্তারকে বলতে থাকেন, আমাদের তো মশা কামড়ালো, এখন কী হবে?
সচিবালয়ের মত এলাকায় আবার ক্লিনিক বা হাসপাতালেই যদি লার্ভা থাকে, তাহলে আমরা কতটা অরক্ষিত ভাববার বিষয়। আমি ডেঙ্গুর টেস্ট করতে চাইলেও ডাক্তার বললেন, এখানে সে ব্যবস্থা নেই। তাহলে সচিবালয়ের লোকদের ডেঙ্গু হলে উপায় কী?
সচিবালয়ের মত ভিআইপিদের এলাকার ক্লিনিক বা হাসপাতালেই যদি এডিসের লার্ভা থাকে, তাহলে আমরা কতটা অরক্ষিত ভাববার বিষয়। রাজশাহী মেডিক্যালের আবাসিক এলাকাতেও অনেক লার্ভা পাবার খবর গণমাধ্যমে এসেছিল, যা আমাদের জন্য লজ্জার! তাই এডিস মশার ওষুধের চেয়ে এখন বেশি দরকার এর জন্মস্থান ও লার্ভা ধ্বংসের। আর সেজন্য দরকার পবিত্র ইসলামের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার গুরুত্বের আলোকে আমাদের আবাসস্থলসহ সর্বত্র ধারাবাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং জনসচেনতামূলক ব্যাপক কাউন্সেলিং  এজন্য সরকার ও জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ অতিজরুরি।
আমাদের জনগণ শিক্ষিত-অশিক্ষিত নির্বিশেষে অধিকাংশই পথেঘাটে পানি ও ড্রিংকসের বোতল, ডিম বা ডাব-নারকেলের খোসা, পলিথিন ইত্যাদি ফেলে যেমন পরিবেশ দূষিত করে, তেমনই এডিস মশার বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে। অথচ বিদেশে এমনটি নেই। কেননা তারা স্কুল-কলেজের পাঠ্যেই ছাত্রছাত্রীদের পরিবেশ-সচেতনতা, পরিষ্কারপরিচ্ছন্নতা, আইনকানুন, মানবতা ইত্যাদির শিক্ষাই শুধু নয়, মাঠে-ময়দানে নিয়ে গিয়ে ট্রাফিক আইন, ফুতপাতে চলার নিয়ম, অন্ধদের রাস্তাপারাপ্াের সহায়তা, গাড়িপার্কিং ইত্যাদি হাতেকলমেও শিখিয়ে অভ্যস্ত করে তোলে।
জাপানিরা এদিক থেকে বিশ্বে অধিক অগ্রসর। রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত গত ফুটবল বিশ্বকাপে তার হারলেও উচ্ছৃঙ্খলতা-প্রদর্শনের বদলে তারা তাদের টেন্টের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করে নজির স্থাপন করেছিল। এজন্য চাই সুনাগরিকসৃষ্টির লক্ষাভিসারী পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষাব্যবস্থা। ধর্মীয় শিক্ষাও এক্ষেত্রে ফলপ্রসূ হবে বলে আমি মনে করি।
যা হোক, আমি ক্লিনিকে ডেঙ্গুর টেস্ট করতে চাইলেও ডাক্তার বললেন, এখানে সে ব্যবস্থা নেই। তাহলে সচিবালয়ের মতন ভিআইপি এলাকার লোকদের ডেঙ্গু হলে উপায় কী হবে? তাই সচিবালয় ক্লিনিকে ডেঙ্গুরোগীর ভর্তির আবাসিক ব্যবস্থা না থাকলেও অন্তত ডেঙ্গু-সনাক্তের যাবতীয় সুযোগসুবিধা থাকা উচিত নয় কি?
রাজধানীতে এমন কিছু জায়গা রয়েছে যেগুলো এডিসের আবাসস্থল হতে পারে। মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধের তিন রাস্তার মোড়ের বছিলা নতুন রাস্তার পাশে রয়েছে বেশ কিছু ‘ঢাকাই মেশিন’। ভবন নির্মাণের ঢাকাই সামগ্রী মেশাতে এ মেশিন ব্যবহার হয়। তবে এগুলো প্রতিদিন ব্যবহার হয় না। তাই মালিকরা জড়ো করে রাখেন।
স্থানীয়দের মতে, মাসে তিন থেকে চারবার একেকটি মেশিন সরানো হয়। বাকি সময় মেশিনগুলো এভাবেই থাকে। আর বৃষ্টির পানি জমে এর ভেতরে মশার লার্ভার জন্ম নেয়ার বিষয়টি খালি চোখেই দেখা যায়। জমে থাকা পানিগুলো পরিষ্কার ও স্বচ্ছ। আর এই পরিবেশ এডিস মশার পছন্দের- জানাচ্ছেন কীটতত্ত্ববিদরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকার বিভিন্ন অংশে মশক নিধন কর্মীরা ওষুধ ছিটালেও এদিকে তাদের দৃষ্টি নেই। বাবুল হোসেন নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘পানি তো এখানে সব সময় জমে থাকে। মশাও হয়। কিন্তু কেউ এখানে ওষুধ দেয় নাই।’ স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল কাদির বলেন, ‘ওষুধ দেয় মেইন রাস্তায়। বাসার সামনে। কিন্তু যে গাড়িগুলা, মেশিনগুলা রাস্তার পাশে পইরা আছে, এগুলার মধ্যে প্রচুর পানি। কেউ এই দিনে তাকায় না। কিন্তু মশা কিন্তু এইসব জায়গা থেকেই হয়।’
একই অবস্থা দেখা গেছে বেড়িবাঁধে হোসেন মার্কেটের বিপরীতে। বিভিন্ন ধরনের মেশিনপত্র এবং গাড়ি পড়ে থাকতে দেখা গেছে গাবতলীর দ্বীপনগর এলাকায়। সেখানে জমাটবদ্ধ বৃষ্টির পানি। বেড়িবাঁধের গাবতলী থেকে বাবুবাজার পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে দেখা মিলেছে এডিসের প্রজনন উপযোগী পরিবেশের। দেখা মিলেছে গাড়ির টায়ারের স্তূপ। বিশাল বিশাল স্তুপের মধ্যে রয়েছে জমাট পানি। আর সেখানেও বিপুল পরিমাণ জমার লার্ভা।
স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম সুজন বলেন, ‘টায়ারের দোকানগুলো সরকারি জায়গার ওপরে। সরকার চাইলে এগুলো উচ্ছেদ করতে পারে। কিন্তু তারা তা করছে না। বরং এদের এখানে বসিয়ে রেখে ডেঙ্গু সংক্রমণের আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে তুলছে।’ এই ব্যাংক কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘বেড়িবাঁধের ওপাড়ে যে এলাকাগুলো গড়ে উঠেছে সেখানে প্রচুর মানুষ বসবাস করে। এখানে যদি এডিসের সংক্রামণ কমানো না যায়। তাহলে এসব এলাকার হাজার হাজার মানুষ বিপদে পড়বে। সিটি করপোরেশনের সদয় দৃষ্টি কামনা করছি।’ ঈদের ছুটি থাকার কারণে টায়ার বিক্রি সবগুলো দোকানই বন্ধ। কিন্তু বেড়িবাঁধেই দুই পাড়ে পড়ে আছে হাজার হাজার টায়ার। আর প্রতিটি টায়ারের মধ্যেই পানির জমে আছে।
স্থানীয়দের থেকে পাওয়া তথ্যমতে, হকাররা বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে টায়ার কিনে আনে। এক সপ্তাহ থেকে ১৫ দিন জমা করে টায়ারগুলো বিক্রি করা হয় পাইকার, আলকাতরা কারখানা এবং ইটভাটায়। কিন্তু এই দীর্ঘ সময় এক জায়গায় টায়ার পরে থাকার কারণে বিপদের মুখোমুখি বেড়িবাঁধ পাড়ে বসবাসকারীরা।
এসব সম্ভাব্য প্রজননস্থল দৃষ্টি এড়িয়ে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইমদাদুল হক বলেন, ‘ কিছু জায়গা বাদ পড়লেও সেসব স্থানেও মশার ওষুধ ছিটানো হবে।’ ‘আমরা আমাদের মশক নিধন কর্মীদের এই ধরনের জায়গাগুলো, নির্মাণাধীন ভবন, বাসার ছাদে যেতে বলছি। হয়ত তারা এখানে যাবে, বাদ পড়েছে...যে কোনোটাই হতে পারে।’
বাদ পড়া সব স্থানে মশক নিধন ওষুধ ছিটানোর প্রতিশ্রুতি জানিয়ে এই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, ‘যে জায়গাগুলোতে তারা যায়নি, আমরা তাদের সেসব জায়গায় পাঠাব। যেন কোনো জায়গা বাদ না যায়।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ