রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

বাংলাদেশের এবার বিশ্বকাপ বাছাইয়ের চ্যালেঞ্জ

অরণ্য আলভী তন্ময় : জমজমাট আয়োজনের মধ্যদিয়ে শেষ হয়েছে এবারের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) খেলা। আবির্ভাবেই শিরোপা জিতে সবাইকে চমকে দিয়েছে বসুন্ধরা কিংস। টপকে গেছে আবাহনী লিমিটেডকে। এই লিগ থেকে বেশকিছু তরুণ ও প্রতিশ্রুতিশীল খেলোয়াড় খুজে বের করেছে জাতীয় দলের প্রধান কোচ জেমি ডে। যাদেরকে আগামী বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে কাজে লাগানো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। কারণ প্রাক বাছাই পর্ব শেষে এখন মূল বাছাইপর্বে খেলার অপেক্ষা এখন বাংলাদেশের। বাংলাদেশের ফুটবলে এখন নতুন দিনের জয়গান হচ্ছে। মাঠের ফুটবলে দারুণ লড়াই করে এখন ফিফা বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে জায়গা করে নিয়েছে জামাল ভুইয়ার দল। যেখানে গত দুই মৌসুম বাংরাদেশের অবস্থান ছিল প্রাক মৌসুম পর্যায়ে। এবার সেখান থেকে প্রমোশন পেয়ে বাংলাদেশের জায়গা হয়েছে মূল বাছাইপর্বে। বাংলাদেশ এখন এশিয়ার ৪০টি দেশের একটি। ২০১৬ সালের ৩১ অক্টোবর ভুটানের কাছে ৩-১ গোলে পরাজয়ের পর একরকম কাদের কিনারে পৌছে গিয়েছিল বাংলাদেশের ফুটবল। এরপর টানা তিন বছর ফিফা ও এএফসি থেকে কোন প্রকার ম্যাচ খেলার ুসযোগ পায়নি লাল সবুজ পতাকাধরীরা। এবার প্রাক বাছাইয়ের খেলায় লাওসকে হারিয়ে এই কৃতিত্ব অর্জন করে জেমি ডে’র শীষ্যরা। লাওসের মাটিতে ১-০ ব্যবধানে জয়ের পর ঘরের মাঠে গোলশুন্য ড্র করে বাংরাদেশ। এরপরই একবুক পাথর নেমে যায় বাংলাদেশের উপর থেকে। বিশ্বকাপ খেলার ুসযোগ না হোক অন্ততঃপক্ষে এশিয়ার সেরা দলের সাথে তো খেলার ুসযোগ মিলবে। এটাই বাংলাদেশের ফুটবলের সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ পুরুষ জাতীয় দলের কথা হিসাব করলে। কারন সাম্প্রতিক সময়ে তো যা সাফল্য তার প্রায় সবই বয়সভিত্তিক দলের। ছোট করে বললে ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের সাফল্যই বেশি। সেখান থেকে ব্যাটনটা অনেক বছর পর পুরুষ জাতীয় দলের হাতে এসেছে। গত ৩ বছর যে ম্যাচগুলো থেকে বঞ্চিত হয়েছিল বাংলাদেশ, এবার সেই ম্যাচগুলো খেলার সুযোগ মিলতে যাচ্ছে। এরই মধ্যে তৈরি করা হয়েছে ফিকশ্চার। এদিকে মাঠে জয়ের স্বীকৃতি হিসেবে র‌্যাংকিং এ বেশ উন্নতি হচ্ছে বাংলাদেশের। বড় ধরনের পরিবর্তন না হলেও ফিফা র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে। চলতি বছরে ঘোষিত র‌্যাংকিংয়ে প্রতিবারই কিছুটা উন্নতি হয়েছে। সর্বশেষ গত ২৫ জুলাই ঘোষিত র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ এগিয়েছে এক ধাপ। বাংলাদেশের র‌্যাংকিং এখন ১৮২। গত ১৪ জুন ঘোষিত র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ ছিল ১৮৩ নম্বরে। গত ৬ মাসে ফিফা র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি হলো ১০ ধাপ। বাংলাদেশের ফুটবলে নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে এবার বিশ্বকাপের প্রাক বাছাই পর্বের খেলার পর। লাওসের মাটিতে তাদেরকে পরাজিত করার পর নিজদেশে ড্র করে এখন মূল বাছাইয়ের দল বাংলাদেশ। মানে এশিয়ার সেরা ৪০টি দেশের একটি এখন পতাকাধারীরা। এবার নতুন চ্যালেঞ্জে রয়েছে জামাল ভুইয়ার দল। এশিয়ার সেরা সেরা দলের সাথে মোকাবেলা করতে হবে ঘর এবং পরের মাঠে। মূল বাছাইয় বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হিসেবে এবার রয়েছে ভারত, ওমান, কাতার ও আফগানিস্তান। পাঁচ দলের মধ্যে র‌্যাংকিং এ সবার নিচের দলটির নাম আবার বাংলাদেশ। প্রাক বাছাইয়ের কঠিন এক পথ পাড়ি দিয়ে এখণ মূল বাছাইয়ে মাঠে নামার অপেক্ষা। বাছাইপর্ব থেকে যেহেতু মূল বিশ্বকাপের দল নির্ধারিত হয় সেহেতু এখানে বাংলাদেশও বিশ্ব আসরে খেলার সম্ভাবনায় রয়েছে। গ্রুপে র‌্যাংকিংয়ের বিচারে সবার চেয়ে এগিয়ে ২০২২ বিশ্বকাপের স্বাগতিক দেশ কাতার। ৫৫ নাম্বারে থেকে সবার উপরে রয়েছে দেশটি। ৮৬ নাম্বারে থেকে এরপরই রয়েছে ওমান। ভারত রয়েছে ১০১ নাম্বার নিয়ে। আর বাংলাদেশের উপরে থাকা আফগানদের অবস্থান ১৪৯ নাম্বারে। বর্তমানে লাল সবুজ প্রতিনিধি দলটির র‌্যাংকিং ১৮৩ তে। যেখানে গত কয়েকমাস আগে ১৯৭ তে অবস্থান করছিল জামাল ভুইয়ার দল। সে কারণে এবার নতুন চ্যালেঞ্জ ফুটবল দলের সামনে।  সবগুলো দলই পরিচিত বিধায় একটা সুবিধা রয়েছেই। পাশাপাশি কোচ জেমি ডে মূল বাছাইয়ের প্রতিপক্ষ হিসেবে কাতারকে চাইছিলেন। তার সে আশা পূরণ হয়েছে। অর্থাৎ এদের সবার সঙ্গে খেলার অভিজ্ঞতা আছে বাংলাদেশের। এখন হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে পদ্ধতিতে সবার সাথেই দুটি করে ম্যাচ খেলার সুযোগ থাকছে বাংলাদেশ দলের। কারণ এবার এশিয়া থেকে বিশ্বকাপে খেলবে চারটি দেশ। আট গ্রুপের ৪০ দল লড়াই করবে শেষ চারে পা রাখার জন্য। আট গ্রুপের আট চ্যাম্পিয়ন ও সেরা চার রানার্সআপ মিলে ১২ দল পৌঁছাবে বাছাইপর্বের তৃতীয় রাউন্ডে। কাতার সরাসরি বিশ্বকাপ খেলায় তারা থাকবে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের হিসাবের বাইরে। অর্থাৎ কাতার যদি নিজেদের গ্রুপ থেকে শীর্ষস্থান অর্জনও করে এই গ্রুপ, এরপরও ‘ই’ গ্রুপ থেকে দ্বিতীয় হওয়া দল সরাসরি উঠে যাবে পরের রাউন্ডে। রানার্সআপ হয়ে খেলার সুযোগ থাকছে বাংলাদেশের সামনে। ১২ দলের ২০২৩ চীন এশিয়ান কাপেও খেলা নিশ্চিত করবে। আর তৃতীয় পর্বের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে শীর্ষ ৬ দলকে ভাগ করা হবে দুটি গ্রুপে। দুটি গ্রুপের শীর্ষ চার দল খেলবে বিশ্বকাপে। এখন চলছে নানা সমীকরণের হিসাব নিকাশ। স্বভাবতই প্রশ্ন জাগতে পারে, যদি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে তৃতীয় রাউন্ডে বাংলাদেশ যেতে না পারে তাহলে কি হতে পারে? কারণ এটি কাতার বিশ্বকাপের পাশাপাশি এশিয়ান কাপেরও বাছাইপর্ব। সে কারণে কোনভাবেই গুরুত্ব কম নয় বাংলাদেশের জন্য। দ্বিতীয় পর্ব পার হয়েই তৃতীয় পর্বে খেলার সুযোগ থাকবে। আর দ্বিতীয় পর্ব পেরুতে না পারলে এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বের অন্যান্য ধাপে খেলার সুযোগ থাকবে বাংলাদেশের সামনে। আট গ্রুপের চতুর্থ হওয়া সেরা চার দল অংশ নেবে তৃতীয় রাউন্ডের এশিয়া কাপ বাছাই পর্বে। আর বাকি চার চতুর্থ হওয়া দল ও পঞ্চম হওয়া দলগুলো একে অপরের বিপক্ষে খেলবে এশিয়া কাপের বাছাই পর্বের প্লে-অফে। সব মলিয়ে কঠিন এক সমীকরণ সামনে আসলেও এতে রোমাঞ্চিত বাংলাদেশ কোচ জেমি ডে। কঠিন সময় পার করে বাংলাদেশের ফুটবলকে একটি অবস্থানে নিয়ে আসতে পারাটাই তার কাছে বড় সাফল্য মনে হচ্ছে, ’আমি যখন দায়িত্ব নিউ তখন থেকেই উন্নতির চেষ্টা করে আসছি। বিশ্বকাপ বাছাইয়ের মূল পর্বে জায়গা করে নিয়ে তার কিছুটা হলেও পূরণ করতে পেরেছি বলে মনে। আর এখানে কাতার ও ভারতকে পেয়ে আমি খুব খুশি হয়েছি। কাতারের সঙ্গে বাংলাদেশের আগে খেলার পাশাপাশি ভাল ফলের সুখস্মৃতি আছে বলেই এমনটা বলে থাকতে পারেন জেমি। ইন্দোনেশিয়ায় ২০১৮ এশিয়ান গেমসে কাতারকে হারিয়েই বাংলাদেশ ইতিহাসের প্রথমবার জায়গা করে নিয়েছিলো নক আউট পর্বে। যদিও সেই লড়াইটা ছিল অনুর্ধ্ব-২৩ দলের। কিন্তু বাংলাদেশের এই দলটাই যে এখন পুরোপুরি জাতীয় দলে পরিণত হয়েছে। সেই আত্মবিশ্বাসটা কাজে লাগানোর চেষ্টা করবেন কোচ, সেটা সর্বোচ্চ যতটা সম্ভব ঠিক ততটাই। ২০১৮ সালের মে মাসে বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব গ্রহন করেন জেমি ডে। হাই প্রোফাইল কোচ হিসেবে তাকে বলা যাবেনা। কারণ উয়েফা প্রো লাইসেন্সই তার ছিলনা। তবে শুরু থেকে এই ইংলিশ ম্যানের কিছু কার্যক্রম সবার মনযোগ আকর্ষনে যথেষ্ট ছিল। তার আগে কাজ করে যাওয়া এন্ড্রু অর্ড যে পথটা তৈরি করে দেওয়া হয়েছিল সেটাই শক্ত হাতে বাস্তবায়িত করে যাচ্ছেন জেমি। ২০১৬ সালের ১০ অক্টোবর ভুটানের বিপক্ষে পরাজয়ের পর যে কালো অধ্যায় রচিত হয়েছিল সেখান থেকে ঘুড়ে দাড়িয়েছে বাংলাদেশ। প্রায় তিন বছর আগে বিশ^কাপ ও এশিয়ান কাপের বাছাইয়ের খেলায় ৩-১ গোলে পরাজয়ের পর তিন বছর ফিফা ও এএফসি থেকে কোন ম্যাচ খেলার সুযোগ পায়নি লাল সবুজ প্রতিনিধিরা। রাশিয়া বিশ^কাপ বাছাইপর্বে ব্যর্থতার পর এই সময়ে কাতার বিশ^কাপ নিয়ে নিজেদেরকে প্রস্তুত করে বাংলাদেশ। সেখানেই লাওসকে হোম এন্ড অ্যাওয়ে ম্যাচে পরাজিত করে আপাতত নতুন শুরু করেছে বাংলাদেশ। ঘড়ের মাঠে গোলশুন্য ড্র করার আগে তাদের মাটিতে ১-০ গোলের জয়ই আপাতত নির্বাসনে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করেছে খেলাটিকে। যার ফল হাতে নাতে পেয়েছে র‌্যাংকিং এ নামতে নামতে একেবারে ১৯৭ নাম্বারে নেমে যাওয়া বাংলাদেশ। ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে পাঁচ ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। সবশেষ র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ অবস্থান করছে ১৮৩ নাম্বারে। একমাস আগে মাসে বাংলাদেশ ছিল ১৮৮তম অবস্থানে। বাংলাদেশের বর্তমান পয়েন্ট ৯২২। পাঁচ ধাপ উন্নতি হওয়ার পেছনে রয়েছে লাওসের বিপক্ষে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ এর প্রাক-বাছাইপর্বের প্রথম লেগে জয়। যদিও ফিরতি লেগে ড্র করেছে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে দুর্দান্ত খেলে গোলের দেখা পায়নি জামাল ভুঁইয়ার দল। এই ম্যাচে জয় পেলে র‌্যাঙ্কিংয়ে আরো এগোতে পারত বাংলাদেশ। এদিকে এশিয়ার মধ্যে ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে রয়েছে ইরান। তারা রয়েছে ২০তম অবস্থানে। এদিকে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে ভালো অবস্থঅনে আছে ভারত। তারা রয়েছে ১০১তম অবস্থানে। শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান রয়েছে যথাক্রমে ২০১ ও ২০৫তম অবস্থানে। তাই বলা যায় উন্নতির রাস্তায় রয়েছে বাংলাদেশ। আর যার নেতৃত্বে রয়েছেন জেমি ডে। ২০১৮ সালের মে মাসে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের দায়িত্বযখন ইংলিশ ম্যান জেমি ডে’র হাতে দেওয়া হয় তখন ১৯৭ নাম্বারে পৌছে গিয়েছিল। এত পেছনে কখনোই যায়নি লাল সবুজ পতাকাধারীরা। তাঁর অধীনে এখন ১১ ধাপ উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের। প্রধান কোচ হিসেবে বাংলাদেশের দায়িত্ব পাওয়াটাই তাঁর প্রথম জাতীয় দলের হয়ে দায়িত্ব পাওয়া। অনেকের কাছই একজন নামহীন কোচ কিভাবে খাঁদের কিনারায় দাঁড়িয়ে থাকা বাংলাদেশ দলকের কতটা উন্নতির রাস্তায় নিতে পারবেন সেই সন্দেহ থেকেই গিয়েছিল। এর উপর দায়িত্ব নেওয়া তিন মাসের মাথায় প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেছিল শ্রীলংকার বিপক্ষে। সেখানে ১-০ গোলের পরাজয় যেন ভাবনাটা আরো গভীর করে তুলছিল। নীলফামারীর শেখ কামাল ষ্টেডিয়ামে লংকানদের বিপক্ষে জয়টাও উপহার দিতে পারেননি খেলোয়াড়রা। অনেকে হতাশ হলেও হননি জেমি। জেমির অধীনে জাতীয় দল ১০টি ম্যাচ খেলেছে। যাতে বাংলাদেশের জয় ৫ টি, ৪ হার ও একটি ম্যাচ ড্র করেছে। পরিসংখ্যান আহামরি বলা যাবেনা। তবে বাংলাদেশের জন্য শেষ দশ ম্যাচে ৫ ম্যাচ জেতাটা বড় অর্জণ হিসেবেই দেখতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা এর মধ্যে আবার শেষ তিন ম্যাচে কোনো গোল হজম করেনি বাংলাদেশ। তিন ম্যাচে বাংলাদেশের জয় দুইটি, দুটিই বিদেশের মাটিতে। জাতীয় দল নয়, জেমি মূল ঝলক দেখিয়েছেন এশিয়ান গেমস ফুটবলে। সেখানে কাতারকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো জায়গা করে নিয়েছিল এশিয়াডের দ্বিতীয় রাউন্ডে। গ্রুপ পর্বের এক ম্যাচে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে ছিল ১-১ গোলে ড্র করাটাও ছিল সাফল্যের মধ্যে। এরপর গেল বছরেই বাহরাইনে এএফসি অনূর্ধ্ব-২৩ বাছাইপর্বে দারুণ খেলে জেমির হাতে গড়া তরুণ দলটি। স্বাগতিক বাহরাইন ও ফিলিস্তিনের কাছে ১-০ গোলের নূন্যতম ব্যবধানে পরাজিত হলেও খেলেছে দারুণ ফুটবল। আর অন্য ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়টি। এরপর থেকেই মূলত ইংলিশ এই কোচকে নিয়ে স্বপ্ন দেখা শুরু করে বাংলাদেশর মানুষ। উন্নতিটা এবার র‌্যাংকিং এ দেখাতে চান কোচ জেমি ডে, ’আমার এক বছরের মেয়াদে বাংলাদেশ কেমন ফুটবল খেলেছে তা বিবেচনার ভার দর্শকদের উপর ছেড়ে দিয়েছি। তবে খেলোয়াড়দের মধ্যে একটা পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছিলাম, এখন মনে হচ্ছে সেখানে কিছুটা হলেও সফল হয়েছি। বিশেষ করে জামাল ভুইয়ারা এখন ১২০ মিনিট খেলার মতো ফিট রয়েছেন। আর ২০১৯ সাল র‌্যাংকিং এ আমি বাংলাদেশকে ১৬০ এর মধ্যে রাখতে চাই। যাতে করে বাংলাদেশ দলের যে উন্নতি হয়েছে সেটা মানুষ দেখতে পারে’। তবে যে পরিবর্তনটা দেশের ফুটবলে এই ইংলিশম্যান নিয়ে এসেছেন সেটাকেও লেটার মার্ক দিতেই হবে। এবার তার সামনে চ্যালেঞ্জ হয়ে এসেছে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের খেলা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ