সোমবার ০৩ আগস্ট ২০২০
Online Edition

জানতাম না আবার ক্রিকেট খেলব-স্মিথ

অ্যাশেজের উদ্বোধনী টেস্টের প্রথম দিনে ১৪৪ রানের অবিশ্বাস্য ইনিংস খেলার পর স্টিভেন স্মিথ স্বীকার করলেন, নিষিদ্ধ থাকার সময়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। গত বছর কেপটাউন টেস্টে বল টেম্পারিংয়ের ঘটনার পর ক্রিকেট থেকে একেবারে সরে যাওয়ার কথা চিন্তাও মাথায় এসেছিল অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়কের। বিশেষ করে ১২ মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে মাঠে ফেরার পর কনুইয়ের চোট স্মিথের ক্যারিয়ারকে সংশয়পূর্ণ করে তোলে। জীবনে প্রথমবার ক্রিকেটের প্রতি টান কমতে থাকে তার। শাস্তি থেকে ফিরে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে পাওয়া ইনজুরিটা এই ব্যাটসম্যানকে বেশ ভুগিয়েছিল। কিন্তু সুস্থ হতেই আবার ঘুরে দাঁড়ান। এরপর বিশ্বকাপ দিয়ে জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তন হয়। আর বৃহস্পতিবার বার্মিংহামে নিষেধাজ্ঞা শেষে প্রথমবার খেলেন টেস্ট। দলকে ধ্বংসস্তুপ থেকে টেনে তোলেন তিনি। ১২২ রানে ৮ উইকেট হারানো অজিদের স্কোরবোর্ড সমৃদ্ধ করেন ২৮৪ রানে। চোখ ধাঁধানো এক ইনিংস খেলার পর স্মিথ বলেছেন, ‘গত ১৫ মাসের মধ্যে এমন একটা সময় এসেছিল, যখন আমার মনে সংশয় জেগেছিল যে আবার কখনও ক্রিকেট খেলতে পারবো কিনা। একটা সময় আমি এর প্রতি ভালোবাসা হারিয়ে ফেলেছিলাম, বিশেষ করে আমার কনুইয়ের অস্ত্রোপচারের সময়। এটা ছিল সত্যিই অদ্ভুত।’ হঠাৎ করে আবার ক্রিকেটের প্রতি ঝোঁক তৈরি হলো স্মিথেল মনে, ‘কিন্তু যেদিন কনুইয়ে শক্তি ফিরে পেলাম, ওইদিন আবার ক্রিকেটে ভালোবাসা খুঁজে পেলাম। আবারও একটা তাড়না এসেছিল মনে। আমি খেলতে চাই, আবারও অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলতে চাই। দেশবাসীকে গর্বিত করতে এবং আমি যেটা ভালোবাসি সেটা করতে উন্মুখ হয়ে ছিলাম।’ পিটার সিডলের সঙ্গে ৮৮ ও নাথান লায়নকে নিয়ে শেষ উইকেটে ৭৪ রানের জুটি গড়েন স্মিথ। অ্যাশেজে হাঁকান নিজের নবম সেঞ্চুরি, কিন্তু এটা ছিল খুবই বিশেষ, ‘আমি মনে করি এটা আমার সেরা সেঞ্চুরিগুলোর একটি, অবশ্যই। আমি জানি না ওই মুহূর্তে আমার কী করা উচিত ছিল, আমি ভাষা হারিয়ে ফেললাম।’ ইন্টারনেট।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ