মঙ্গলবার ১১ আগস্ট ২০২০
Online Edition

রূপসা সেতুর টোল ঘরে দুদকের অভিযান অনিয়ম প্রমাণিত

খুলনা অফিস : খুলনার রূপসা খানজাহান আলী সেতুর টোল ঘরে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা অভিযান চালায়। এ সময় ট্রাকের টোল আদায়ে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় টোল আদায়কারী কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেছেন দুদক কর্মকর্তারা। দুদক খুলনার উপ-পরিচালক মো. নাজমুল হাসান জানান, সেতু পারাপারের ক্ষেত্রে বড় ট্রাকের টোল (খাজনা) ২৭৫ টাকা। কিন্তু ডাটা এন্ট্রি অপারেটররা ২৫০ টাকা নিয়ে মাঝারি ট্রাকের রশিদ কাটতো। মাঝারি ট্রাকের টোল ১৮০ টাকা। বাকি ৭০ টাকা তারা আত্মসাৎ করতো। এভাবে প্রতিদিন ২২০/২৫০টি ট্রাকের টোলের টাকা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিতো আদায়কারীরা। তিনি আরও বলেন, প্রথমে তারা সেতুর কাছে দাঁড়িয়ে ট্রাকের রশিদ যাচাই করেছেন। কিন্তু কোনো ট্রাক চালকের কাছে রশিদ পাওয়া যায়নি। চালকরা বড় ট্রাকের জন্য কেউ ২৫০ টাকা, কেউ ২৪০ টাকা করে দিয়েছে বলে স্বীকার করেন। অথচ বড় ট্রাকের টোল ২৭৫ টাকা। টাকা কম দেয়ার কারণে তাদের রশিদ দেয়া হয় না বলে চালকরা জানান। পরে টোল ঘরে অভিযান চালালে দেখা যায়, সেখানে ছোট ট্রাকের টোল কাটা হয়েছে। এ সময় সিসি ক্যামেরা চেক করে দেখা যায়, প্রতিটি বড় ট্রাকের টোল মাঝারি ট্রাক হিসেবে আদায় করা হয়েছে।
নাজমুল হাসান বলেন, এই অনিয়মের সঙ্গে সবাই জড়িত। আটক করলে সবাইকে করতে হবে-সেতুতে গাড়ি পারাপার বন্ধ হয়ে যাবে, তাই কাউকে আটক করা হয়নি। তবে বিষয়টি লিখিতভাবে সড়ক বিভাগকে জানানো হয়েছে। দুদকের উপ-পরিচালক মো. নাজমুল হাসানের নেতৃত্বে অভিযানে অংশ নেন উপ-সহকারী পরিচালক নীল কমল পাল, কোর্ঁ পরিদর্শক বিজন কুমার রায় ও সহকারী পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ