বুধবার ১২ আগস্ট ২০২০
Online Edition

সাফল্য গাঁথা হোমনা টিউলিপ প্রশাসন ইনস্টিটিউট

মোহাম্মদ হানিফ খান: কুমিল্লার হোমনা উপজেলা প্রশাসন প্রতিষ্ঠিত সাবেক টিউলিপ কিন্ডারগার্টেন বর্তমানে টিউলিপ প্রশাসন ইনস্টিটিউট এক সাফল্য গাথা প্রতিষ্ঠানের নাম। আনুমানিক ৬২ শতক জাগায় স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৪ সালে, তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ছিলেন মোহাম্মদ জয়নুল বারী। ওই সময় এই স্কুলের ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক মন্ত্রী মরহুম এমকে আনোয়ার। প্রতিষ্ঠকালীন অধ্যক্ষ ছিলেন খন্দকার সামছুল আলম এর পর সানাউল্লাহ, জসিম উদ্দিন, মোঃ আবদুল বাতেন, মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম ও বর্তমানে হাসনা  হেনা তার পদ অলংকৃত রেখে চলেছেন। দিন দিন শিক্ষকদের কঠোর পরিশ্রমে শিক্ষার্থীরা বরাবরই সাফল্য বয়ে আনছেন। শুধু মেধায়ই নয় খেলা ধুলা ও সাংস্কৃতিতে রয়েছে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের অসামান্য অবদান।
প্রতিষ্ঠাকাল থেকে হোমনায় কর্মরত থাকাকালীন এই স্কুলের উন্নতি সাধনে পরিচালনা কমিটি, অভিভাবক ও শিক্ষকদের পাশাপাশি অসামান্য ভূমিকা রাখেন তৎকালীন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ শামসুজ্জামান। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে প্লে থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থী রয়েছে ৪শ ৫৭ জন। বর্তমান পরিচালনা কমিটির সভাপতি হলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার পদাধিকার বলে। এছাড়া সদস্যবৃন্দরা হলেন, সহকারী কমিশনারী (ভূমি), পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা প্রকৌশলী, পৌরসভা মেয়র, এ্যাড. নজরুল ইসলাম, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জহিরুল হক জহর, সহকারি পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা সাহিদুল হক দেওয়ান, দাতা সদস্য মুজিবুর রহমান ও সুলতানা রাজিয়া এবং সদস্য সচিব হাসনা হেনা প্রধান শিক্ষক।
১৪জন শিক্ষকের মধ্যে প্রধান শিক্ষক হলেন হাসনা হেনা, সিনিয়র শিক্ষক সেলিনা আক্তার, সহকারি শিক্ষক ফারজানা জুইঁ, তাসলিমা আক্তার, শীলা রানি সাহা, নূর আক্তার পারভীন, রীনা আক্তার, সুলতানা রাজিয়া, ডলী রানী রায়, সুফিয়া বেগম, নাসিমা খাতুন, আইরিন আক্তার, কুলসুম আক্তার ও রহিমা দাউদ। কর্মচারীবৃন্দ হলেন, করনিক মনিরুল ইসলাম, পিওন মোঃ হানিফা ও আয়া নাসিমা আক্তার। পরিচালনা কমিটি সদস্য এবং অভিভাবক পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন জানান, এখানে স্কুলের উন্নয়নে এবং শিক্ষার্থীদের মেধা আহরনে সকলের প্রানান্তকর প্রেচেষ্টায় আজ এই প্রতিষ্ঠান স্বমহিমায় উত্তরোত্তর সাফল্য বয়ে আনছে। জানা গেছে স্কুল ফান্ডে যথেষ্ট অর্থ জমা রয়েছে। তবে শিক্ষকদের বেতন আরো বৃদ্ধি হওয়া দরকার এমন অভিমত শিক্ষকদের।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ