বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২০
Online Edition

একটি সেতু হলে দুঃখ ঘুচবে দশ গ্রামের মানুষের

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম): হালদা নদীর উপর বাঁশের সাঁকো।

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা : একটি সেতুর দীর্ঘদিনের দাবী এলাকাবাসীর। আর এ সেতুটি হলেই যাতায়াতের দুঃখ ঘুচাবে দশ গ্রামের প্রায় দশ হাজার মানুষের। চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির নারায়ণহাট ইউনিয়নের নারায়ণহাট বাজার সংলগ্ন হালদা নদীর উপর একশ’ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু নির্মাণ করা অবহেলিত মানুষের দীর্ঘদিনের দাবী । একটি সেতু হলেই দশ গ্রামের প্রায় দশ হাজার মানুষের জীবন যাত্রার মানও উন্নতি হবে বলে মনে করেন সচেতন মহল। সরেজমিনে দেখা যায়, ফটিকছড়ি উপজেলা হতে প্রায় ১৭কি.মি. উত্তরে ৩নং  নারায়ণহাট ইউনিয়নকে দ্বিখন্ডিত করেছে উত্তাল প্রমত্তা হালদা নদী। নদীর পূর্ব পাড়ে রয়েছে সুন্দরপুর, হাপানিয়া, সন্দীপ পাড়া, পিলখানা, সুন্দর শাহ ছিলাই সহ বেশ কয়েকটি গ্রাম। নারায়ণহাট ফরেষ্ট রেঞ্জ অফিস, নারায়ণহাট আলিম মাদ্রাসা, অন্যতম আউলিয়া হযরত শাহ সুন্দর (রাঃ) এর আস্তানা শরীফ। আর পশ্চিম পাড়ে রয়েছে নারায়ণহাট বাজার, নারায়ণহাট ইউনিয়ন ভূমি অফিস, বাস স্টেশন, নারায়ণহাট কলেজ, নারায়ণহাট মহিলা মাদ্রাসা, নারায়ণহাট কলেজিয়েট উচ্চ  বিদ্যালয়, নারায়ণহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সহ বেশ কটি কিন্ডারগার্টেন ও  প্রাথমিক বিদ্যালয়। আর এই নদী পারাপারের জন্য গ্রামবাসীকে ব্যবহার করতে হয় পুরোনো সেই ধান, চাউলের চাঁদার বিনিময়ে বানানো ৩০০ফুট  দীর্ঘ নড়বড়ে কাঠের সাঁকোটি। এই ইউনিয়নের বাসিন্দা নোমান বিন খুরশিদ জানান, ব্যবসা- বাণিজ্য, চিকিৎসা, শিক্ষা সহ প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ কাজে প্রতিদিন কাঠের সাঁকো ব্যবহার করে স্কুল কলেজ মাদ্রাসার ছাত্র ছাত্রী সহ আশ পাশের প্রায় ১০ হাজার মানুষ। শুধু তাই নয়, ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হয় সিএনজি, রিক্সা, ভ্যান, মোটরসাইকেলের মতো যানবাহনকে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ