বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২০
Online Edition

গোমতি নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে দাউদকান্দির বিস্তীর্ণ এলাকা

গোমতি নদীর ভাঙ্গণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা -সংগ্রাম

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) সংবাদদাতা : কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত গোমতি নদীর করাল গ্রাসে প্রতি বছরই হাজারো বসত ভিটা নদী গর্ভে বিলীন করে পথে বসিয়েছে সাধারণ মানুষকে। আজো সেই গোমতি নদী তার ভাঙ্গনে বিলিন করে নিয়ে যাচ্ছে জনপদ, সহায় সম্পদ, মসজিদ-মন্দির, স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা, হাট-বাজারসহ বসত ভিটা। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের অনুরোধ ভাঙ্গনরোধে প্রকৃত ব্যবস্থা গ্রহণে শতভাগ না কেটে বরাদ্দের পুরোটা কাজে লাগানোর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশু ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। একদিকে নদীতে সহায় সম্পদ বিলীন হচ্ছে অন্যদিকে আনন্দ উৎসবেরও কমতি নেই এই গোমতিতে। প্রতিদিন-ই ট্রলার ও ছোট লঞ্চে আনন্দ উৎসবে নৌ-ভ্রমণে বের হয় নানা বয়সি মানুষ। তারা মাইক ও সাউন্ডবক্সে দেশী-বিদেশী সঙ্গীতের তালে-তালে নেচে গেয়ে বিনোদনের তৃষ্ণা মিটায়।
কখনো নদী তীরবর্তী মসজিদ গুলোতে নামাজরত মুসল্লীর নামাজের ব্যঘাত ঘটায় এসব উৎসাহী মানুষের আনন্দ। কেউ-কেউ বিয়ের অনুষ্ঠান, সোনারগাঁও, চাঁদপুরের তিন নদীর মোহনা, মেঘনা-দাউদকান্দি সেতু ভ্রমণে এই গোমতিকেই ব্যবহার করে। এমনও দেখা যায় চরমোনাই-আটরশিতেও বড় লঞ্চে ভক্ত মুরিদানরা এই নদী পথ ব্যবহার করেন। বিশেষ করে নদী ভাঙ্গণে গৌরীপুর বাজার, জিয়ারকান্দি, গোপচর, লক্ষিপুর, গৌরীপুর পশ্চিম বাজার (রিভারভিউ আবাসিক এলাকা) মৌলভী খাল পাড়, চরমাহ্মুদ্দি, পাঁচানী, নুরপুর ললপুর বাজারসহ গরুত্বপূর্ণ জনপদ চরম হুমকির মুখে। গৌরীপুর বাজার-পাঁচানী নুরপুর সড়কের মৌলভী খাল পাড় অংশে পাকা সড়ক ভেঙ্গে যাচ্ছে। এছাড়া সন্নিকটে জামে মসজিদের মুসল্লিরা উদ্বেগ-উৎকন্ঠায় রয়েছে কখন যে এই জামে মসজিদটি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এখানকার ভাঙ্গন রোধ ও সড়ক এবং মসজিদটি সু-রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু সু-দৃষ্টি কামনা এলাকাবাসীর।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ