মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

শিরোপা অবশ্যই ভাগাভাগি করা উচিত ছিলো-----কিউই কোচ

স্পোর্টস ডেস্ক : এবারের ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে ফাইনালে ওঠেছে স্বাগতিক দল ও নিউজিল্যান্ড। এই দুই দল এর আগে কয়েকবার বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠে শিরোপার মুখ দেখেনি। গত রোববার সেই ম্যাচটি বিশ্বের ইতিহাসের সেরা ফাইনাল ম্যাচ ছিলো বলে অনেক ক্রিকেট বিশ্লেষকরা মনে করেন। মূল ওভার ও সুপার ওভারেও যখন ফলাফল নির্ধারণ করা যায়নি তাই শিরোপাটি দুই দলের মধ্যে ভাগ করে দেয়া উচিত ছিলোবলে নিউজিল্যান্ডের কোচ গ্যারি স্টিড মনে করেন। তিনি বলেন, ‘আপনি যখন টানা সাত সপ্তাহ ক্রিকেট খেলেন এবং ফাইনাল পর্যন্ত শিরোপা জয়ী দল নির্ধারণ করতে না পারেন, তাহলে এটা (বিশ্বকাপ ভাগাভাগি করা যায় কিনা) অবশ্যই ভেবে দেখা উচিত। বিশ্বকাপে আলোচিত অনেক ঘটনার মতো এটাও একটি বড় ঘটনা। সবকিছু পুনরায় দেখা উচিত।’ এর আগের দিন ম্যাকমিলানও বলেছিলেন এমনটা। পঞ্চাশ ওভারের ম্যাচে দুই দলই সমান ২৪১ রান করায় সুপার ওভারে গড়ায় ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ডের ফাইনালটি। সুপার ওভারেও দুই দল করে সমান ১৫ রান করে। এরপর বাউন্ডারির সংখ্যা বিবেচনায় জয়ী ঘোষণা করা হয় ইংল্যান্ডকে। 

টাই হওয়ার পরেও বাউন্ডারি বেশি থাকায় বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। সমানে সমান লড়াই করেও এমন হার মেনে নিতে পারছেন না নিউজিল্যান্ড কোচ গ্যারি স্টিড। ভগ্ন হৃদয়ে তিনি জানালেন এমন নিয়মের পুনর্বিবেচনা হওয়া উচিত। চাইলে কিউই কোচ বললেন, ‘১০০ ওভারে লড়াইয়ের পরও সমানে সমান ছিল দুই দল। এমন অবস্থার পর রানার্স আপ হওয়ায় ভেতরটা শূন্য বোধ করছি।’

ইংল্যান্ডের বাউন্ডারি ছিল ২৬টি, কিউইদের ১৭টি। পুরো বিষয়টির সমালোচনা করে ম্যাকমিলান বলেছিলেন, ‘ফাইনালের ফলাফল পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। সাত সপ্তাহ পর যখন শিরোপা জয়ী দল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না এবং সুপার ওভারেও যখন টাই হল তখন বিশ্বকাপ ভাগাভাগির কথা বললে ভুল হবে না। শিরোপা অবশ্যই ভাগাভাগি করা উচিত ছিল।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ