বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট ২০২০
Online Edition

এনায়েতপুরে যমুনার তীর সংরক্ষণ কাজের ৩০ মিটার এলাকায় ধস

বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা : প্রবল স্রোত ও ঘূর্ণাবর্তে স্কাউরিংয়ের ফলে নিচ থেকে মাটি সরে গিয়ে তাঁত শিল্প সমৃদ্ধ এনায়েতপুরে যমুনা তীর সংরক্ষণে জরুরি কাজ সংলগ্ন ৩০ মিটার এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। বুধবার ভোরে ব্রাহ্মণগ্রাম তারা মসজিদের পাশে এ ধস নামে। ধসের কারণে এলাকাবাসী আতঙ্ক ও হুমকির মধ্যে পড়ে ঘর-বাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। পাউবো ও স্থানীয় সূত্র জানায়, চিকিৎসা, শিক্ষা ও তাঁতশিল্প নগরী এনায়েতপুর থানার ব্রাহ্মণগ্রামে যমুনার ভাঙন রোধে সম্প্রতি ২ কোটি ২৯ লাখ টাকা ব্যয়ে জরুরিভিত্তিতে ৫শ’ মিটার এলাকায় তীর সংরক্ষণে কাজ করা হয়েছে। এছাড়া কাজ সংলগ্ন উত্তরে তারা মসজিদ এলাকায় ভাঙন ঠেকাতে জরুরিভিত্তিতে আরও ৫ হাজার জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছিল। বুধবার ভোরে সেখানেই আকস্মিক ভাঙন দেখা যায়। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ভাঙন আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

তারা মসজিদটি বর্তমানে যমুনা নদী থেকে মাত্র ৮ মিটার দূরে রয়েছে। যে কোনো সময় নদীতে বিলীন হয়ে যাবে। এদিকে সংরক্ষণ কাজের দক্ষিণে আড়কান্দিচর এলাকায় গত তিন দিনে প্রায় ১৫টি বসতভিটা নদীতে চলে গেছে। দ্রুত সেখানে জিও ব্যাগ ফেলা না হলে বিলীন হবে বিস্তীর্ণ এলাকা। স্থানীয়দের অভিযোগ, আড়কান্দি এলাকায় ভাঙন রোধে কোনো কাজ করা হয়নি। এছাড়া খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের দক্ষিণে ব্রাহ্মণগ্রাম থেকে পাচিল পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে চলছে নদী ভাঙন। এ কারণে দেশের সর্ববৃহৎ কাপড়ের হাট, এনায়েতপুর-সিরাজগঞ্জ আঞ্চলিক সড়ক, ৮০০ শয্যার খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয়সহ বহু তাঁত কারখানা এবং অসংখ্য ঘর-বাড়ি ভাঙন ঝুঁকিতে পড়েছে। এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ পাউবো’র এসও মাসুদুল হক জানান, ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকা পরিদর্শন করে দ্রুত জিও ব্যাগ ফেলে সংস্কারের ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া আড়কান্দিচর এলাকার ভাঙন ঠেকাতে কার্যকরী উদ্যোগ নিতে ঊর্ধ্বতন মহলকে জানানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে কাজ শুরু 

করা হবে। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ