বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

খুলনায় প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বাস্তবায়নে ধীরগতি

খুলনা অফিস : খুলনায় প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে হাজিরা বাস্তবায়নে ধীরগতি। স্লিপ ফান্ডের অর্থ ব্যবহার করে জুন মাসের মধ্যে বাস্তবায়নের কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। নির্দেশনা দেরিতে পাওয়ায় এই পদ্ধতি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন হয়নি। পদ্ধতি বাস্তবায়নের সকল কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।
জানা গেছে, চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি-৪ এর আওতায় স্লিপ ফান্ড ব্যবহারের হালনাগাদ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নির্দেশনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীদের বায়োমেট্রিক হাজিরা নিশ্চিতকরণের জন্য ডিভাইস ক্রয়ের বিধানও রয়েছে। জুন মাসের মধ্যে এই কার্যক্রম সম্পন্ন করার কথা থাকলেও তা সম্পন্ন করা হয়নি। এদিকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীরা বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালীন সময়ে বাইরে অবস্থান করাসহ শিক্ষা অফিসে ভিড় করার সংস্কৃতি রয়েছে। কয়লাঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সোনিয়া ইসলাম বলেন, অনেক স্কুল কিংবা অফিসে এই পদ্ধতিতে হাজিরা হয় বলে তিনি শুনেছেন। এই পদ্ধতিতে হাজিরা হলে যে সকল শিক্ষার্থীরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসে না তারাও ক্লাসে আসতে আগ্রহী হবে। হ্যানে রেলওয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাঈম হাসান বলেন, নতুন পদ্ধতিতে হাজিরা দেওয়ায় খুবই মজা পাওয়া যাবে। ডিজিটাল যুগে এসে খাতায় হাজিরা আর ভাল লাগে না। এপিসি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক সোনিয়া খাতুন বলেন, এমনিতেই শিক্ষার্থীরা টিফিন পিরিয়ড কিংবা পরের ক্লাসে কোথায় থাকে তার খোঁজ থাকে না। আর বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে স্কুলে এসে একবার হাজিরা দিলে পরে আর খোঁজ থাকবে না। খুলনা মহানগরের সফিকুর রহমান নামের এক শিক্ষক বলেন, মেশিন কেনার জন্য একটি কমিটি করার কথা রয়েছে। কিন্তু তা এখনও সম্ভব হয়নি।
খুলনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ এস এম সিরাজুদ্দোহা বলেন, জুন মাসের মধ্যে বিদ্যালয়ে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে হাজিরা নিশ্চিতকরণের কার্যক্রম শেষ করতে হবে। উপজেলা শিক্ষা অফিসাররা ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে এ কাজ বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছেন। এই কাজের সরঞ্জাম সরবরাহের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে উপজেলা শিক্ষা অফিসাররা কথা বলছেন। যে প্রতিষ্ঠান থেকে অধিক সেবা পাওয়া যাবে সেই কোম্পানি থেকে এই সরঞ্জাম নেওয়া হবে। কিন্তু রোববার একই কর্মকর্তা জানান, নির্দেশনা পেতে দেরি হওয়ায় এই কার্যক্রম সম্পন্ন করা যায়নি। এ পদ্ধতি বাস্তবায়নের সকল কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ