শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১
Online Edition

ফটিকছড়ি নাজিরহাট-কাজিরহাট সড়কে চলাচলে দুর্ভোগ

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, ফটিকছড়ি : ফটিকছড়িতে কাজিরহাট-নাজিরহাট সড়কটির বেহাল অবস্থা পরিণত হয়েছে। চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে এলাকাবাসী।

জানা যায়, এলজিইডি আওতাধীন কাজিরহাট-নাজিরহাট সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের (বাগান বাজার দাঁতমারা, নারায়নহাট, ভূজপুর, হারুয়ালছড়ি, সুয়াবিল) দেড় লক্ষাধিক মানুষ যাতায়াত করেন। প্রতিদিন চলাচল করে শত শত যাত্রীবাহী বাস, ট্রাক, অটোরিক্সা ও রিকশা। এছাড়া ঢাকা চট্টগ্রাম সড়কের প্রয়োজনে বিকল্প সড়ক হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। অত্যান্ত গুরতর্পূন সড়ক হওয়া সত্ত্বেও সড়কটি দীর্ঘদিন যাবৎ সংস্কারহীন অবস্থায় রয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমান সড়কটির বিভিন্ন স্থানে খনাখন্দকে ভরা। এসব স্থানে পিচ ও ইট উঠে গিয়ে ইট উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ছোট বড় অসংখ্য গর্ত। কিছু স্থানে গর্ত ছোট খাটো জলাশয়ে রূপ নিয়েছে। একটু বৃষ্টি হলে গর্তে জমে থাকা কাঁধা পানি গাড়ি চলাচলের সময় আশাপাশের পথচারীদের গাঁেয় ছিটকে পড়ছে।

 জানা গেছে,২০০৬-০৭ অর্থ বছরে নাজিরহাট হতে কাজিরহাট পর্যন্ত সড়ক ও ১৫ টি কালভার্ট র্নিমাণে ১৫ কোটি টাকা বরাদ্দে কাজ করে ৫টি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। অভিযোগ উঠে নামে মাত্র ও নিুমান সামগ্রী দিয়ে সংস্কারের ফলে সড়কটি সংস্কারের পরপরই ভাঙ্গন সৃষ্ঠি হয়। তবে ভাঙ্গনের অধিকতর কারন হিসেবে জানা যায়, সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন অবিরিক্ত ইট বোঝাই,গাছ বোঝাই,বালু বোঝাই অসংখ্য জীপ, ট্রাকের অবাধ চলাচল।  এছাড়া গত বছরের বন্যায়ও সড়কটির ব্যপক ক্ষতি হয় বলে জানা যায়।

সড়কটি দিয়ে চলাচলকারী শিক্ষার্থী হামিদ, আজম, বাবু ক্ষোভের সাথে বলেন, হেঁটে গেলে পোহাতে হয় ধুলো বালি আর কাঁদাপানির বিড়ম্বনা। প্রায় সময় জামা-কাপড় নষ্ট হয়ে যায়। আর গাড়িতে উঠলে বুক কাঁপে। পুরো রাস্তায় গাড়ি দুলতে থাকে। কখন উল্টে যায় সেই ভয়ে থাকি। সড়কের দুরবস্থার কারণে এখন আধা ঘন্টার পথ যেতে সময় লাগছে আড়াই ঘন্টার বেশি। এ কারণে দ্বিগুন ভাড়া হাঁেকন সিএনজি চালিত অটোরিক্সা ও রিক্সা চালকরা। এ দূর্ভোগের কত দিন সইতে হবে জানি না।’ 

অটোরিক্সা চালক মোঃ মানিক বলেন, এই সড়কে দিনে দুই থেকে তিন বার আসা-যাওয়া করলে গাড়ির কোনো না কোনো যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়। তাই ভাড়া কিছুটা বাড়তি নেওয়া ছাড়া আমাদেরও উপায় নেই। 

এ প্রসঙ্গে উপজেলার এলজিইডি অফিসার মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, সড়কটি সংস্কারের জন্য বরাদ্দ চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে খুব শীঘ্রই সংস্কার কাজ শুরু হবে। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ