মঙ্গলবার ১৩ এপ্রিল ২০২১
Online Edition

এটিএম আজহারের আপিলে রাষ্টপক্ষের যুক্তিতর্ক অব্যাহত

স্টাফ রিপোর্টার: মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের খালাস চেয়ে আপিল আবেদনের ওপর শুনানিতে তার বিপক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন অব্যাহত রয়েছে। গত বুধবার শুনানী মুলতবি করার পর গতকাল আবারও যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়। আজ মঙ্গলবার আবার শুনানি হবে।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের চার বিচারপতির বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তিনি ট্রাইব্যুনালের রায় থেকে সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জেরা থেকে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন।
এর আগে আসামি পক্ষের আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন ও জয়নাল আবেদীন তুহিন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। তাদের সহযোগিতা করেন এডভোকেট শিশির মোহাম্মদ মনির। রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি তর্ক উপস্থাপন শেষ হলে আসামী পক্ষে আবার জবাব দেয়া হবে বলে তারা জানান।
যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছিলেন, আজহারকে রাজনৈতিক কারণে আসামি করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ১৯৫ জন পাকিস্তানি সেনাকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে তদন্তের মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়েছিল। তাদের ক্ষমা করে দিয়ে সহযোগী আসামিদের বিচার করা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।
এটিএম আজহারের আইনজীবীরা বলেন, এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা স্বীকার করেছেন ’৭১ সালের গণহত্যা, ধর্ষণ নির্যাতন, লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগের সাথে এটিএম আজহার জড়িত মর্মে কোনো তথ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
গত ১৮ জুন এটিএম আজহারুল ইসলামের আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়। আসামি পক্ষে অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড জয়নুল আবেদীন পেপারবুক উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে এ শুনানি শুরু হয়েছিলো। এর আগে গত ১০ এপ্রিল শুনানির জন্য এ দিন ধার্য করেন আদালত।
২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর এটিএম আজহারকে মৃত্যুদন্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি ১১৩ যুক্তিতে এটিএম আজহারকে নির্দোষ দাবি করে খালাস চেয়ে আপিল করেন তার আইনজীবীরা। আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় ৯০ পৃষ্ঠার মূল আপিলসহ ২৩৪০ পৃষ্ঠার আপিল দাখিল করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ