শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

ভোক্তা হিসাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে সহজে আইনী প্রতিকার

চট্টগ্রাম ব্যুরো : আইনী দীর্ঘসুত্রিতা ও জঠিলতার কারণে জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত ও হয়রানির শিকার হলেও সরকারি অফিস বা আদালতের দ্বারস্থ হতে তেমন আগ্রহী নয়। অনেক নৈরাশ্যবাদীরাও প্রায়শঃ বলে থাকেন এদেশে কিছু হবে না। জাতি হিসাবে অনেকের ধারনা অভিযোগ করলে প্রতিকার পাওয়া যায় না। কিন্তু অনেকেই জানেন না ভোক্তা হিসাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও ভোগান্তির শিকার হলে একজন ভুক্তভোগী ক্ষতিগ্রস্ত ও প্রতারিত হলে সরাসরি অতি সহজে বিনা কোর্ট ফিঃ ও অ্যাডভোকেট নিযুক্তি ছাড়াই মোবাইল, ফেসবুক, ইন্টারনেট, চিটির মাধ্যমে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ আইনে অভিযোগ দাখিল করে প্রতিকার পেতে পারেন। আর অভিযোগ প্রমাণিত হলে জরিমানারও ২৫ শতাংশ অভিযোগকারী পাবেন। প্রতি সপ্তাহে জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কেন্দ্রিয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়ে গণশুণাণী ও মাঠ পর্যায়ে বাজার তদারকির মাধ্যমে অভিযোগগুলি দ্রুত নিস্পত্তি করা হচ্ছে। কিন্তু সাধারণ জনগণের মাঝে এ বিষয়ে পরিষ্কার ধারনা না থাকায় জনগণ ভোক্তা অধিকার সুরক্ষায় সরকারের এই যুগান্তকারী উদ্যোগ থেকে তেমন সুবিধা পাচ্ছে না। তাই ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণে এই যুগান্তকারী আইন ও সুযোগ সম্পর্কে সর্বসাধারণকে জানানোর জন্য ব্যাপক গণসচেতনতা সৃষ্ঠির আহবান জানানো হয়েছে। ২৭ জুন চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁওস্থ ক্যাব চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর অধীনে অভিযোগ দাখিল ও নিস্পত্তি নিয়ে মতবিনিময় সভায় উপরোক্ত অভিমত ব্যক্ত করা হয়।
 কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) চট্টগ্রামের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় ক্যাব ফিল্ড অফিসার শম্পা কামরুন্নাহারের সঞ্চালনায় মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ হাসানুজ্জমান। মুখ্য আলোচক ছিলেন ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন। আলোচনায় অংশ নেন ক্যাব যুব গ্রুপের সভাপতি চৌধুরী কে এন এম রিয়াদ, যুব গ্রুপের সাধারন সম্পাদক নিপা দাস, অনিক রয়, তীর্থ নাথ, ক্যাব পাঁচলাইশের সেলিম জাহ্ঙ্গাীর, সেলিম সাজ্জাদ, ক্যাব ডিপিও জহুরুল ইসলাম, ক্যাব ফিল্ড অফিসার জেড এইচ শিহাব প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ