শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

খুলনা রেলওয়ে কাচারীতে রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড

খুলনা অফিস : খুলনা রেলওয়ে কাচারীতে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ বেড়েই চলছে। ব্যবসায়ী ও রেলভূমি ব্যবহারকারীরা উৎসবমুখর পরিবেশে রাজস্ব প্রদান করেছেন। গত অর্থবছরের চেয়ে এ বছর পৌণে তিন কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে। এ বছর আদায়ের পরিমাণ শতকরা ৬২ শতাংশ। যা গত বছর ছিল ৩৯ শতাংশ।
সূত্র জানান, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ ছিল ১১ কোটি ৯৬ লাখ ২৭ হাজার ২৮০ টাকা। আদায় হয়েছিল ৪ কোটি ৯৮ লাখ ৭৪ হাজার ৬৮১ টাকা। ২০১৮-১৯ চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১২ কোটি ৪২ লাখ ৯৫ হাজার ১১৬ টাকা। আদায় করা হয়েছে পৌণে ৮ কোটি টাকা। যা গত বছরের তুলনায় পৌণে ৩ কোটি টাকা বেশি।
বাংলাদেশ রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি বিভাগের খুলনা ১৮নং কাচারীর সূত্র জানায়, রূপসা থেকে বাগেরহাট ও খুলনা থেকে ফুলতলা পর্যন্ত খুলনা, জংশন, দৌলতপুর কলেজ, দৌলতপুর, শিরোমণি, ফুলতলা, কর্ণপুর, সামন্তসেনা, মুলঘর, যাত্রাপুর, ষাটগম্বুজ, বাগেরহাট, বাগেরহাট কলেজ ও পূর্ব রূপসা এ ১৪টি স্টেশন এলাকা থেকে রাজস্ব আদায় করা হয়েছে। এর মধ্যে রূপসা থেকে বাগেরহাট ও খুলনা থেকে ফুলতলা পর্যন্ত ৩ হাজার ৮১ জন লাইসেন্সধারী রয়েছেন। এদের আওতায় ২৭৩ একর ভূমি রয়েছে। এর মধ্যে বাণিজ্যিক লাইসেন্সধারী রয়েছেন ২ হাজার ৩৭৩ জন। ভূমি রয়েছে ১৬ দশমিক ৯৫ একর। কৃষি লাইসেন্সী রয়েছেন ৬৭৩ জন। ভূমি রয়েছে ২৩৪ দশমিক ৬২ একর এবং জলাশয় (মৎস্য) লাইসেন্সী রয়েছেন ৩৩ জন ও ভূমি রয়েছে ২১ দশমিক ৪৬ একর। এসব লাইসেন্সের বিপরীতে ডিডির মাধ্যমে রাজস্ব আদায় করা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে লাইসেন্স ফি পরিশোধ করছেন। রেলভূমি ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে ৫০ টাকা হতে ১৫টাকা পর্যন্ত প্রতি বর্গফুট লাইসেন্স ফি নেওয়া হচ্ছে। নগরীর রেলওয়ে হাসপাতাল রোডের কয়েকজন ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, কানুনগো অফিসে অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করায় ব্যবসায়ীরা উৎসব মুখর পরিবেশে খাজনা পরিশোধ করছেন। ফলে রাজস্ব বেশি আদায় হয়েছে।
১৮নং কাচারীর কানুনগো মো. মনোয়ারুল ইসলাম বলেন, খুলনার ব্যবসায়ীরা যথেষ্ট আন্তরিক, তারা নিজেরা এসে পাওনা পরিশোধ করে যাচ্ছেন। তাদের সহযোগিতায় রাজস্বের পরিমাণ বেশি হয়েছে। তবে, যারা বকেয়া পরিশোধ করেনি তাদের লাইসেন্স বাতিলসহ রেলের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করছেন। এদিকে, কাচারী সংলগ্ন বেদখল থাকা কোটি টাকা মূল্যের ২০ শতক রেলভূমি গত ৩০ জুন উদ্ধার করা হয়েছে। একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে রেলভূমি অবৈধভাবে দখল করে রেখেছিল।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ