মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২
Online Edition

ভূঞাপুরে যমুনায় পানি বৃদ্ধিতে লোকালয়ে তীব্র ভাঙন

ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা : চলতি বন্যায় যমুনায় পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে টাঙ্গাইলে ভূঞাপুরে  শুরু হয়েছে নদী ভাঙন, গত ৩/৪দিন আগথেকে যমুনা সেতুর উজানে খানুরবাড়ী থেকে ভালকুটিয়া পর্যন্ত প্রায় ১ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে শুরু হয়েছে ভাঙন। এতে কয়েক দিনের ব্যবধানে ৪টি বসতভিটা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়া ফসলি জমি ও গাছপালা নদী গর্ভে চলে গেছে। ক্ষতিগ্রস্থরা এখন মানবেতর জীবনযাপন করছে। নদী ভাঙনের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের অবগত করলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি বলে স্থানীয়রা জানায়।
জানা যায়, বিগত কয়েক বছরে শত শত একর ফসলি জমি ও বসতভিটা চলে গেছে নদী গর্ভে। এভাবে নদী ভাঙন অব্যাহত থাকলে গোবিন্দাসী বাজারসহ হুমকির মুখে পড়বে ৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৩টি উচ্চ বিদ্যালয়, ১টি মাদরাসা, মসজিদ ও ১টি মন্দিরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। নদী পাড়ে থাকা পুরাতন গোবিন্দাসী হাট। যেখান থেকে প্রতিবছর সরকার ৩থেকে ৪কোটি টাকা রাজস্ব পেয়ে থাকে। খানুরবাড়ি গ্রামের আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ভাঙন রোধে বিভিন্ন প্রস্তুতি নিয়েও বসতভিটা রক্ষা করতে পারলাম না।  তিনি আরো  বলেন, যেদিন  থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন ও বাংলা ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটা শুরু হয়েছে সেদিন ভাঙনের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে।  এজন্য সরকারের কাছে জোরালো দাবী খানুর বাড়ি থেকে মাটিকাটা পর্যন্ত বেড়ীবাঁধ নির্মাণের জন্য।
ভূক্তভোগী  ইমান আলী বলেন, দীর্ঘদিনের বসতভিটা এ যমুনায় বিলীন হয়ে গেছে। আমি গরীব মানুষ, আমার পরিবার নিয়ে এখন কোথায় যাব? অন্যত্র বাড়ী করার মতো সামর্থ্যও আমার নেই। সম্প্রতি নদী ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন স্থানীয় সাংসদ ছোট মনির, উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আব্দুল হালিম এড্ভোকেটসহ উপজেলা প্রসাশনের কর্মকর্তাবৃন্দ। এ ব্যপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ জানান, ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কথা হয়েছে, তিনি দ্রুতই ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবে বলে জানিয়েছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ