সোমবার ১০ আগস্ট ২০২০
Online Edition

মধ্যপাড়া পাথর খনি এলাকায় নিরাপদ সড়ক চেয়ে উন্মুক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর সংবাদদাতা : দিনাজপুরের পার্বতীপুর মধ্যপাড়া পাথরখনি এলাকায় নিরাপদ সড়ক চেয়ে উন্মুক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। গত ২৪ শে জুন মধ্যপাড়া বাজারে অনাকাক্সিক্ষত ভাবে গাড়ি চাপায় পিতা পুত্রের সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হওয়ায় মধ্যপাড়া পাথর খনি এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপদ সড়ক চেয়ে উন্মুক্ত আলোচনা সভার আয়োজন করেন। গত ১লা জুলাই সন্ধা সাড়ে ৭ টায় আওয়ামীলীগের ১০ নং হরিরামপুর ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ শাহাবুদ্দিন শাহ্ সভাপতিত্বে নিরাপদ সড়ক চাই উন্মুক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন মোঃ শাহাবুদ্দিন শাহ তিনি বলেন, খনি এলাকার সড়কে শত শত পাথর ভর্তি গাড়ি রাখার কারণে এবং অবৈধ্যভাবে লোড-আনলোড করার কারণে এই রাস্তায় সড়ক দুর্ঘটনা অশংকাজনকভাবে বেড়ে গেছে। আমরা খনি কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে বারবার বলা সত্ত্বেও খনি কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নেন নি।
 এখানে একটি পুলিশ ফাঁড়ি রয়েছে তারাও রাস্তা ফাকা করার জন্য গাড়ির লোকজনকে কিছু বলছেনা। ফলে দিনের পর দিন রাস্তার দুই ধার দখল করে পাথর লোড আনলোড করা হচ্ছে। আমরা এমন মৃত্যু আর দেখতে চাই না। তাই নিরাপদ সড়ক চাই। ভবিষ্যতে আর যেন এভাবে কেউ মৃত্যুবরণ না করে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন পার্বতীপুর উপজেলা ১০ নং হরিরামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ মাসুদুর রহমান শাহ। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মধ্যপাড়া পাথর খনি এলাকার ব্যবসায়ী মোঃ নজরুল ইসলাম, শিক্ষক মোঃ আফজাল হোসেন, মোঃ রুবেল হোসেন সমাজসেবী, মোঃ আফজাল হোসেন, রাজু সমাজসেবী। নিরাপদ সড়ক চেয়ে উন্মুক্ত আলোচনা সভায় এলাকার কয়েক শত লোক এবং স্কুল কলেজ মাদরাসার ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক, ব্যবসায়ী, শিক্ষক ও সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
বিরামপুরে অবাধে আসছে মাদক!
সম্প্রতি বিরাপুর উপজেলার কাঠলা ইউনিয়ানের এক মাদক ব্যবসায়ী পুলিশের মাদক নির্মূল অভিযানের গুলীতে নিহত হলে, একটু ভাটা পড়ে মাদকব্যবসার। কিছু দিন যেতে না যেতে আবারো সক্রীয় চোরাকারবারীরা। বিরামপুর ও হাকিমপুর উপজেলার কোল ঘেষা ভারতের কাটা তারের বেড়া সংলগ্ন হাকিমপুরের হাড়িপুকুর, হিলী স্থালবন্দর পার্শ্বে আটাপড়া, মংলা, বিরামপুর উপজেলার কাঠলা বাসুপাড়া, অচিন্তপুর, চৌঠা, রানীনগর, তিস্বার, ভাইগড়, কাঠলা দাউদপুর বিওপি ক্যাম্প, কাটা তারের বেড়া ও সীমান্ত রক্ষী বাহির টহল জোরদার থাকা সত্ত্বেও এসব সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবাধে আসছে মাদকদ্রব্য। চোরাচালানিদের অভিবন কৌসল পরেরও বিরামপুরে প্রতিদিন ধরা পড়ছে বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য। যুব- সমাজ ধবংস কারী ও কমলমতি ছাত্রদের কলম কেড়ে নেয়া মরন ব্যাধি নেশার আমদানি কারক/ কাম চোরাকারবারীরা প্রতিনিয়ত পাল্টাচ্ছে তাদের চোরাচালানীর ধরন। ওপার-এপার এর চোরকারকারীরা এক অপরের বিশ্বাসী তাই টাকা লাগেনা বাকিতে পাওয়া যায়, বিভিন্ন আইটেমের মাদক। বিক্রী করে তার পর পরিশোধ। ওপার থেকে এক টাকার মাদক আনলে লাভ একশ টাকা। তাই আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজন যেমন কৌসুলি চোরা কারবারিরা তাদের এক ধাপ উপরে। তার পরেও চোরের দশ দিন! সাধুর এক দিন!! অন্য দিকে বিরামপর উপজেলার যোগাযোগ মাধ্যম বিরামপুর-ঢাকা, বিরামপুর- পঞ্চগড়, বিরামপুর- রংপুর, বিরামপুর- জয়পুরহাট সহাসড়ক জনবহুল ও যানবাহন এর চাপ বেশী এ সুযোগ নিয়ে ঐ সব এলাকা দিয়ে বিরামহীনভাবে আসছে মাদকদ্রব্য।
 গত ৭ দিনে বিরামপুর থানার ওসি মনিরুজ্জামান ও নেতৃত্বে থানা পুলিশ এর মাদক নির্মুলের সাড়শি অভিযানে বুঝা যায় যে ভারত থেকে কি ভাবে অবাদে আসছে মরন নেশা মাদক!! চোরাচালানিদের অভিনব কৌশল! বোঝার উপায় নেই যে এটি মাদক বহনের যানবাহন! সুধু মাদক বহনের জন্য মিনি ট্রাক এর বডি তৈরি করা হচ্ছে যা দিয়ে মাদক আনা নেওয়া করা সহজ হয়। হিরোইন, ইয়াবা, গাঁজা, হেমিও প্যাথিক ইনজেকশন, ফেনসিডিল, আসছে পোনা মাছ ড্রামে, মটর সাইেেলর সিটে, ধানের খড়ের ট্রাকে, মানুষের পেটে, কোমল পানির বোতলে, আম, লিচুর খাঁচায়, তেলের ড্রামে।  মিনি ও বড় ট্রাক, মাইক্রোবাস বিশেষ ভাবে রাখা এসব মাদকদ্রব্য প্রতিদিন ধরা পড়ছে। বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান জানান, গত কয়েক মাসে ৪৫০৪ বোতল ফেনসিডিল, ইয়াবা, ২৬৯১পিচ, গাঁজা-২০৫ কেজি, এ্যালোমাল-২৫২, হেমিও প্যাথিক-৫০ বোতল, হিরোইন-৭০০গ্রাম মোট মামলা- ১৪৯টি, মাদকের মামলা ৭৬টি, চোরা চালানী মামলা-৭৩টি, ১৮২ জন চোরাকারবারি আটক করা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ