বৃহস্পতিবার ২৮ জানুয়ারি ২০২১
Online Edition

বিশ্বের ৫০টি দেশে মৎস্য রপ্তানী আয় প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা

সংসদ রিপোর্টার: বাংলাদেশ বিশ্বের ৫০টি দেশে মৎস্য ও মৎস্যজাতপণ্য রপ্তানী করছে। এই খাত থেকে চলতি অর্থ বছরে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা আয় হয়েছে। গতকাল রোববার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু।
সরকারি দলের সদস্য মো. আছলাম হোসেন সওদাগরের লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহ, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, রাশিয়ার দেশসমূহ বাংলাদেশের মৎস্য ও মৎস্যজাতপণ্যের প্রধান আমদানীকারক দেশ। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের গত জুলাই থেকে চলতি বছরের মে পর্যন্ত ওই সকল দেশে প্রায় ৬৮ হাজার ৬৫৫ মেট্রিক টন মৎস্য ও মৎস্যজাতপণ্য রপ্তানী করা হয়েছে। সেখান থেকে প্রায় ৩ হাজার ৮৪৫ কোটি টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে। এরমধ্যে ৩১ হাজার ১৫৮ মেট্রিক টন চিংড়ি রপ্তানী করে দুই হাজার ৯১৬ কোটি টাকা এবং ৩৫ হাজার ১৪৮ মেট্রিক টন ফিনফিস রপ্তানী করে ৮৯৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে।
সরকারি দলের আরেক সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর লিখিত প্রশ্নের জবাবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ এখন মৎস্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মাছের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৪২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টনের বিপরীতে মোট উৎপাদন হয়েছে ৪২ লাখ ৭৭ হাজার মেট্রিক টন। তিনি আরো জানান, দেশের জিডিপি’র ৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ এবং কৃষিজ জিডিপি’র প্রায় এক চতুর্থাংশের বেশি (২৫ দশমিক ৩০ শতাংশ) মৎস্য খাতের অবদান। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রতিবেদন অনুযায়ি দৈনিক মাথাপিছু ৬০ গ্রাম চাহিদার বিপরীতে মাছ গ্রহণের পরিমাণ ৬২ দশমিক ৫৮ গ্রাম। ফলে মাথাপিছু মাছের চাহিদা অনুযায়ী মাছ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে বাংলাদেশ।
একই দলের এ কে এম রহমতুল্লাহ’র প্রশ্নের জবাবে আশরাফ আলী খান খসরু জানান, ইউনিয়ন পর্যায়ে গবাদিপশুর ক্লিনিক স্থাপনের পরিকল্পনা না থাকলেও একজন করে মাঠকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এজন্য প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের  জন্য একটি নতুন জনবল কাঠামো প্রণয়ন করা হয়েছে। এসংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ