সোমবার ১২ এপ্রিল ২০২১
Online Edition

প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারিকরণের দাবিতে অনশনে শিক্ষকরা

স্টাফ রিপোর্টার: গত শনিবারের প্রতীকী অনশনের পর গতকাল রোববার সকাল থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাদপড়া ৪ হাজারের বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারিকরণের দাবিতে অনশন কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষকরা। দাবি আদায় না হলে আগামী বুধবার থেকে আমরণ অনশন শুরু করবেন তাঁরা। বাদপড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারিকরণের দাবিতে গতকাল রোরবার ১৫তম দিনের মতো অবস্থানরত শিক্ষকরা এ দৈনিক সংগ্রামকে তথ্য জানান। অনশন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, সমিতির সভাপতি মো. মামুনুর রশিদ, সমিতির মহাসচিব মো. কামাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: জাফর ইকবাল, শিক্ষকনেতা হারুন অর রশিদ, মিজানুর রহমান, বদরুল আমিন সরকার ফরহাদ, ফিরোজ উদ্দিন, আশরাফুল আলম, শাহনাজ পারভীন প্রমুখ।
গত ১৬ জুন থেকে বাংলাদেশ বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির ব্যানারে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছেন তাঁরা। যদিও, নতুন করে প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারিকরণের কোনো প্রস্তাব আপাতত বিবেচনা করার সুযোগ নেই বলে গত ১৮ এপ্রিল জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
 অবস্থান কর্মসূচিতে শিক্ষকরা জানান, সরকারি হয়নি এমন চার হাজার ১৫৯টি স্কুল রয়েছে। মাঠ পর্যায় থেকে প্রকৃত তথ্য না দেয়ায় এসব স্কুল সরকারি হয়নি বলে দাবি করেন শিক্ষকরা। শিক্ষকরা জানান, সরকারিকরণের প্রক্রিয়ার সময় রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম স্থগিত করায় তারা বেতন-ভাতা, শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও টিফিন থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন। বেতন-ভাতা না পেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন শিক্ষকরা। তারপরেও এসব স্কুলের শিক্ষার্থীরা ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দ থেকে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন বলে দাবি করেন শিক্ষকরা।
শিক্ষকরা জানান, তাদের অনেকেরই চাকরিতে প্রবেশের বয়স অতিক্রান্ত হয়ে গেছে। অধিকাংশ শিক্ষকের অন্যত্র চাকরির আবেদনের সুযোগ নেই। তাই, বাদপড়া ৪ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি করে শিক্ষকদের দুরাবস্থা থেকে মুক্তি দিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেছেন তারা।
 বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. মামুনর রশিদ খোকন ও মহাসচিব মো. কামাল হোসান দৈনিক সংগ্রামকে জানান, ১৫ দিনের অবস্থানের প্রায় ১০১ জন শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে তারা সুস্থ। দাবি আদায় করতে আমরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তার সাথে দেখা করেছি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ