সোমবার ১২ এপ্রিল ২০২১
Online Edition

কবি গোলাম মোহাম্মদ সম্মাননা পেলেন ৯ গুণীজন

রাজধানীর নজরুল একাডেমি মিলনায়তনে নাবিক সাহিত্য সংস্কৃতি সংসদ আয়োজিত ‘ঈদ পুনর্মিলনী, ঈদের কবিতা উৎসব, সাহিত্য পদক বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নয় গুণীজনকে সম্মাননা দেয়া হয়

প্রখ্যাত কবি ও গীতিকার গোলাম মোহাম্মদ সাহিত্য সম্মাননা পেলেন ৯ গুণীজন। এ সময় তাদেরকে সম্মাননাস্বরূপ ক্রেস্ট, নগদ অর্থ ও সনদপত্র তুলে দেন অতিথিরা। সম্মাননা পাওয়া গুণীজনরা হলেন-  কথাশিল্পী মাহবুবুল হক, কবি আসাদ বিন হাফিজ, কবি সোলায়মান আহসান, কবি হাসান আলীম, কবি মোশাররফ হোসেন খান, সুরকার, গীতিকার ও শিল্পী তোফাজ্জল হোসাইন খান, আবৃত্তিশিল্পী শরীফ বায়জীদ মাহমুদ, কবি ও গীতিকার আমিনুল ইসলাম, কবি ও গীতিকার আবু তাহের বেলাল।
রাজধানীর নজরুল একাডেমি মিলনায়তনে নাবিক সাহিত্য সংস্কৃতি সংসদ আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী, ঈদের কবিতা উৎসব, সাহিত্য পদক বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তাদেরকে সম্মাননা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত, শিক্ষাবিদ ও গবেষক ড. মাহমুদ শাহ কোরেশী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও দেশের বাইরে এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। এর মধ্যে থেকেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। সৈয়দ আলী আহসানের কথা স্বরণ করে ড. মাহমুদ শাহ কোরেশী বলেন, আগামী বছর তার জন্মশতবর্ষ পূর্ণ হবে। আমরা তার জন্মশতবর্ষ পালন করব।
বিশেষ অতিথি ছিলেন কবি আল মুজাহিদী। তিনি বলেন, নাবিক সাহিত্য সংস্কৃতি সংসদের ছত্রছায়ায় আমাদের সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। সবাইকে সংগঠিত করার কাজ করছে এই সংগঠনটি। নাবিককে আমাদের এগিয়ে নিতে হবে। নবীন কবি, সাহিত্যিকদের এই সংগঠনের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত রেখে নতুন পৃথিবী গড়ার অঙ্গীকার করার আহ্বান জানান কবি আল মুজাহিদী।
অনুভূতি ব্যক্ত করেন মরহুম কবি গোলাম মোহাম্মদ পতিœ শাহিন আকতার মধু। তিনি বলেন, কবি গোলাম মোহাম্মদের জন্য আপনারা দোয়া করবেন মহান আল্লাহ তায়ালা যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করেন। তার অপ্রকাশিত লেখা প্রকাশ করার জন্য সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
সভাপতির বক্তব্যে কবি মোশাররফ হোসেন খান বলেন, পথ এখানেই শেষ নয়, পথের পরেও পথ আছে। একঝাঁক তরুণ কবি-সাহিত্যিক এই নাবিক সাহিত্য-সংস্কৃতি সংসদকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তরুণ এই কবিরাই আগামী দিনের ভবিষ্যত। তারাই আগামী দিনে সাহিত্যাঙ্গনে নেতৃত্ব দেবে। আজকের অনুষ্ঠানে তাদের এই শ্রম অনেক দূর নিয়ে যাবে।
সমাপনী বক্তব্যে অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক সংগঠক কবি শিল্পী যাকিউল হক জাকী সবাইকে অনুষ্ঠানে আসার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বলেন, আজকে যারা এই অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন করতে গিয়ে অকাøন্ত পরিশ্রম করেছেন মহান আল্লাহ্ তায়ালা তাদের শ্রমকে কবুল করেন। সামনে আমরা আরো সুন্দর অনুষ্ঠান যেন আয়োজন করতে পারি সেই সহযোগিতার জন্য আপনাদের এগিয়ে আসতে হবে, আগামী দিনের সাহিত্যাঙ্গনে প্রতিভাবান এই কবিরাই অবদান রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- নজরুল একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক মিন্টু রহমান, তমুদ্দুন মজলিসের সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন আহমদ, কবি ড. ফজলুল হক তুহিন, সাংবাদিক হারুন ইবনে শাহাদাত, লেখক এমদাদুল হক চৌধুরী, সুরকার গীতিকার লিটন হাফিজ চৌধুরী, শিল্পী এম এ তাওহিদ, কবি জাহিন তাজ, শিল্পী হাসিনুর রব মানু, শিল্পী আবু শাকের ইউনুস, কবি ইয়াকুব বিশ্বাস, নাট্যকার ফারুক খান, নাট্যকার কায়েস মোবারক, নাট্যকার এবিএম নোমান, কবি হাসান রুহুল, কবি ফারুক মুহাম্মদ ওমর, শিল্পী আবু রাইহান, কবি তাজ ইসলাম, রহমান মাজিদ, ছড়াকার জাকারিয়া খান সৌরভ, কবি ওয়াহিদ জামান, কবি আতিফ আবু বকর, কবি রবিউল খন্দকার, মোর্কারম বিল্লাহ্ প্রমুখ।
সাংস্কৃতিক সংগঠক শাহাদাতুল্লাহ টুটুল ও মাহবুব মুকুলের মনোমুগ্ধকর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন নাবিকের সভাপতি কবি জাহিদ আবেদীন। অনুষ্ঠানে ইয়াসিন মাহমুদের সম্পাদনায় নাবিক ঈদ কবিতা সংকলনের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে দর্শকদের হৃদয়ছোয়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশনা করেন মহানগর শিল্পী গোষ্ঠি ও মহানগর নাট্য মঞ্চের শিল্পীরা। কবি, সাহিত্যিক, লেখক, ছড়াকার, শিল্পী, ছড়াকারদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে নজরুল একাডেমি মিলনায়তন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ