বুধবার ০৩ জুন ২০২০
Online Edition

যুবলীগ নেতা মনিরুল হত্যা মামলায় ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড ॥ যাবজ্জীবন ২

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সংবাদদাতা : চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থল বন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষ ও যুবলীগ নেতা মনিরুল ইসলাম হত্যা মামলার রায়ে নয়জনকে মৃত্যুদন্ড ও ২ লাখ টাকা জরিমানা এবং দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদ-ের আদেশ দিয়েছে আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা মোঃ শওকত আলী এই রায় দেন। মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তরা হলো, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বালিয়াদিঘি গ্রামের মৃত আলী ঘোষের ছেলে আখেরুল ইসলাম, একই গ্রামের মোবারক হোসেনের ছেলে সিরাজুল ইসলাম মুন্সি, শিবগঞ্জ পৌর এলাকার চুুতুরপুর গ্রামের  মোঃ সেন্টুর  ছেলে তোহরুল ইসলাম টুটুল, রশিকনগর গ্রামের আব্দুল জাব্বারের ছেলে আবদুল মালেক, সাহাপাড়ার মঞ্জুর হোসেনের ছেলে সিরাজুল ইসলাম, চরভাবনিপুরের কশিমুদ্দিনের ছেলে শরিফুল ইসলাম, পারচৌকার  রানীনগরের আব্দুর রশিদের ছেলে আব্দুল মাসুদ, রশিকনগরের হোসেন মন্ডলের ছেলে সেন্টু এবং ছত্রাজিতপুরের মসলিম উদ্দিনের ছেলে  আব্দুস সালাম। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এই মামলায় ৪ আসামীকে খালাস দিয়েছে আদালত। এই মামলার আসামীগণ এবং নিহত মনিরুল ইসলাম সকলেই আওয়ামীলীগ দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থক।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, সোনামসজিদ  স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েসনের অর্থ  লেনদেনকে কেন্দ্র করে অ্যাসোসিয়েশনের তৎকালিন সভাপতি আখেরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক তোহরুল ইসলাম টুটুলের সঙ্গে বিরোধ বাধে কোষাধ্যক্ষ মনিরুল ইসলামের। এর জের ধরে ২০১৪ সালের ২৪ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে শিবগঞ্জ স্টেডিয়ামের একটি আমবাগানে মনিরুল ইসলামকে নিয়ে গিয়ে গুলী করে হত্যা করে সোনামসজিদ স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আখেরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক তোহরুল ইসলাম টুটুলসহ অন্য আসামীরা। এই ঘটনায় নিহত মনিরুলের স্ত্রী রহিমা বেগম বাদী হয়ে পরের দিন ২৫ অক্টোবর শিবগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর ২০১৫ সালের ১৫ জুন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সহকারী পুলিশ সুপার মতিউর রহমান সিদ্দিকি ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। এরপর ২৩ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য ও যুিক্ততর্ক শেষে বিচারক আজ এই মামলার রায় দেন। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ